প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সাম্রাজ্য বিস্তারবাদের যুগ শেষ, লাদাখে হঠাৎ সফরকালে মোদি

লিহান লিমা: [২] সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত ও স্থল বাহিনীর প্রধান জেনারেল নরবনিসহ শুক্রবার লাদাখ সীমান্তে হঠাৎ সফর করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ সময় ভারতের সীমান্ত চৌকি পরিদর্শন করাসহ ১৫ জুনের সংঘর্ষে আহত সেনাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। দ্য হিন্দু

[৩] মোদির এই সফরে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বেইজিং। মোদির লাদাখ সফরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেন, ভারত ও চীনের সামরিক ও কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে উত্তেজনা হ্রাস করার বিষয়ে যোগাযোগ এবং আলোচনা চলছে। এই মুহূর্তে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটতে পারে এমন কোনো পদক্ষেপে কোনো পক্ষেরই জড়ানো উচিত নয়।

[৪] এদিন লাদাখ সীমান্তে দেখা ভাষণে সেনাদের উদ্দেশ্যে মোদি বলেন, ইতিহাস সাক্ষী, সাম্রাজ্য বিস্তারবাদের যুগ শেষ, এখন বিকাশবাদের যুগ। বিস্তারবাদীরা বিশ্ব শান্তির প্রতি বিপজ্জনক। গোটা বিশ্ব বিস্তারবাদের বিরুদ্ধে একজোট হয়েছে।

[৫] ভাষণে পরোক্ষভাবে চীনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে মোদি বলেন, এই ভারত ষাটের দশকের ভারত নয়। এই ভারত আগ্রাসন সহ্য করবে না। শত্রুর প্রতিটি আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে ভারত আরও বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠবে। গালওয়ান উপত্যকা আমাদের। লাদাখ দেশের মুকুট। তা আমরা রক্ষা করবই।’

[৬] মোদি জানান, সীমান্তে সড়ক ও সেতু সহ অন্যান্য কাঠামো নির্মাণে খরচ তিনগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্যারা স্পেশাল ফোর্সের সদস্যদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে লাদাখে। এনডিটিভি

[৮] মোদির লাদাখ সফর নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, ‘মোদীর জন্য দেশ গর্ববোধ করে।’ বিজেপির সাধারণ সম্পাদকরা বলছেন, ‘যেভাবে মোদি সেনার মনোবল বাড়াতে লাদাখে গিয়েছেন, তা অসাধারণ ঘটনা।’

[৯] তবে তৃণমূল নেতা ও রাজ্যসভার চিফ হুইপ সুখেন্দু শেখর রায় বলেছেন, ‘এর আগে বহু প্রধানমন্ত্রী এভাবেই সেনার মনোবল বাড়াতে ফরোয়ার্ড পোস্টে গিয়েছেন। ইন্দিরা গান্ধী ৬৭তে গিয়েছিলেন। এমন নয় যে মোদিই প্রথম এই কাজ করলেন।’ রাহুল গান্ধি টুইটে বলেছেন, ‘কেন অস্ত্র ছাড়া মৃত্যুবরণ করার জন্য সেনাদের সেখানে পাঠানো হয়েছিল।’ ডয়েচে ভেলে

[১০] গত ১৫ জুন গালওয়ান উপত্যকায় সংঘর্ষে ভারতের ২০ জন সেনা নিহত হন। ভারত বলছে চীনের ৪৩ জন সেনা নিহত হয়েছে। এরপর উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে দু’পক্ষই কূটনৈতিক ও সামরিক স্তরে আলোচনার পদক্ষেপ নিলেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর একাধিক জায়গা নিয়ে এখনও জটিলতা রয়েছে। সম্পাদনা: ইকবাল খান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত