-->

প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমায় করোনাভাইরাস

ডেস্ক রিপোর্ট : [২] শুরুর দিকে করোনাভাইরাসকে শ্বাসযন্ত্রের আরেকটি রোগ হিসেবেই ভেবেছেন অনেকে। কিন্তু ভাইরাসটি শুধু ফুসফুসকেই নয়, এটি মানুষের কিডনি, হূদযন্ত্র ও সংবহনতন্ত্রকে আক্রমণ করে। এমনকি ভাইরাসে আক্রান্ত হলে আমাদের ঘ্রাণশক্তি ও স্বাদও লোপ পেতে থাকে।

[৩] এখন গবেষকরা আরেকটি ভীতিকর তথ্য আবিষ্কার করেছেন। হাসপাতালে ভর্তিকৃত অনেক রোগীর ক্ষেত্রে দেখা যায়, তাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাই ভেঙে পড়েছে। কেন এমনটি ঘটছে? নির্দিষ্ট কিছু কোষের হ্রাস ঘটলেই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়ে। গবেষকরা এ সমস্যাটির সঙ্গে মরণব্যাধি এইচআইভির সাদৃশ্য দেখছেন।

[৪] গবেষকরা বলছেন, একটি জনপ্রিয় চিকিৎসা গুরুতর অসুস্থ রোগীদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে কিছুটা সাহায্য করতে পারে, যদিও এটি বহু মানুষকে ক্ষতির মুখে ঠেলে দেবে। চিকিৎসকরা বরং ভিন্ন উপায় খুঁজছেন। কভিডে আক্রান্ত হওয়ার পর খুবই কমসংখ্যক শিশু কেন অসুস্থ হয়, সেই কারণ খুঁজছেন তারা। তারা ধারণা করছেন, একাধিক ওষুধের মিশ্রণ দিয়েই করোনাভাইরাসকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে, যেমনটি হয়েছিল এইচআইভির ক্ষেত্রে।

[৫] কভিড আক্রান্ত মানুষের ইমিউন সিস্টেম নিয়ে কাজ করা পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমিউনোলজিস্ট ড. জন হুইয়ারি জানান, গবেষণা যতই বাড়ছে ততই তারা দেখতে পাচ্ছেন, ভাইরাসটির বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা অনেক জটিলতা ধারণ করছে। গত মাসে ড. হুইয়ারি ও তার সহকর্মীরা জানান, ইমিউন সিস্টেমের একটি নির্দিষ্ট মাত্রা গুরুতর অসুস্থ রোগীকে সমস্যায় ফেলতে পারে, তারা ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করা শরীরের টি-কোষ হারাতে থাকেন। আরেকটি ভিন্ন গবেষণায় তারা দেখতে পান, সমীক্ষার আওতায় আনা ৭১ রোগীর মধ্যে ৩০ জনের শরীরেই টি ও বি কোষ অকার্যকর হয়ে পড়ে, যে কোষ ইমিউন সিস্টেমকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে।

নিউইয়র্ক টাইমস, প্রিয়ডটকম, বণিক বার্তা

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত