শিরোনাম
◈ আজ সন্ধ্যায় বিটিভিতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান-শফিকুর রহমান ◈ ভোটের দিন মেট্রোরেল চলাচল নিয়ে যাত্রীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা ◈ মার্সেইকে গোল বন্যায় ভাসা‌লো পিএসজি ◈ ভার‌তের বিরু‌দ্ধে কেন খেলবে না সেটাই বুঝতে পারছি না, পাকিস্তানের অদ্ভুত সিদ্ধান্ত নিয়ে মুখ খুললেন সৌরভ গাঙ্গু‌লি ◈ যে কোনো বড় দলের সা‌থে আমা‌দের লড়াই করার ক্ষমতা আ‌ছে, বল‌লেন নেপালের অধিনায়ক ◈ আজ রাজধানীর ৮ স্থানে তারেক রহমানের নির্বাচনী জনসভা ◈ আজ প্রধান উপদেষ্টার শেষ বৈঠক ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি আজ, শুল্ক কমার আশায় সরকার; স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন সিপিডির ◈ তিন শ্রেণীর ব্যক্তি ছাড়া কেন্দ্রে কেউ মোবাইল নিয়ে যেতে পারবে না: ইসি ◈ শেষ মুহূর্তে ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন মাহমুদুর রহমান মান্না

প্রকাশিত : ২৭ জুন, ২০২০, ০৬:৫২ সকাল
আপডেট : ২৭ জুন, ২০২০, ০৬:৫২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

করোনাকালে প্রোনিং: শ্বাস-প্রশ্বাস বাড়ে, সংক্রমণ কমে

নিউজ ডেস্ক : ‘প্রোন পজিশন’ মানে উপুড় হয়ে শোয়া। আগে প্রোন পজিশনে রাখতে বলা হতো শুধু এআরডিএস রোগীদের। কভিড-১৯-এর রোগীদের করা হয় সেলফ প্রোনিং। মানে নিজেই তারা উপুড় হয়ে শোবে। দ্য জার্নাল অব আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনে দেখা গেছে, যারা জেগে থাকা অবস্থায় কমপক্ষে ছয় ঘণ্টা প্রোনিং করে তাদের দুই-তৃতীয়াংশেরই লাইফ সাপোর্টের প্রয়োজন হয়নি। রোগীর শ্বাসকষ্ট এবং অক্সিজেন স্বল্পতা দেখা দিলে তখনই অক্সিজেন থেরাপির পাশাপাশি রোগীকে ‘সেলফ প্রোনিং’-এর পরামর্শ দিই। এ ক্ষেত্রে মাথাটা ডান দিক, বাম দিকে কাত করে রাখবে। আবার অক্সিজেনের নল ব্যবহার করলে সেটা সুবিধামতো রাখলেই হবে।

খাওয়ার পর প্রোনিং একটু কঠিন। সে ক্ষেত্রে খালিপেটেই করতে হবে। আমাদের ফুসফুসের নিচের অংশ অর্থাৎ লোয়ার লোব, যা পেছনের দিকে থাকে, সেটা ফুসফুসের একটা বিরাট অংশ। যদি সব সময় চিত হয়ে শুয়ে থাকি, তাহলে লোয়ার লোবের ওপর চাপ পড়ে এবং লোয়ার লোবের শ্বাসনালিগুলো বন্ধ হয়ে যায়। শ্বাসনালিতে শ্বাস-প্রশ্বাস ব্যাহত হয় এবং কোনো জীবাণু যদি শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে ঢোকে, তবে নিউমোনিয়ার আশঙ্কা থাকে। উপুড় হয়ে শোয়ার ফলে শ্বাস-প্রশ্বাস বাড়ে, ইনফেকশনের প্রবণতাও কমে।

লাইফ সাপের্টে যাওয়ার পরও রোগীকে প্রোনিং করা হয়। এই প্রোনিংটা মূলত করা হয় Acute respiratory distress syndrome (ARDS)-এর ক্ষেত্রে। মারাত্মক কভিড রোগীর একটা ক্লিনিক্যাল ডায়াগনসিস হচ্ছে এআরডিএস। এআরডিএস-এ রোগীকে আমরা যতই অক্সিজেন দিই স্বল্পতা থেকেই যায়। ভেন্টিলেটেড অবস্থায় প্রোনিং করা খুবই কঠিন। আমাদের এখানে লাইফ সাপোর্টে যেসব রোগীকে দেওয়া হয় সেসব রোগীকে সচরাচর আমরা প্রোনিং করি না বা কম করা হয়। কারণ যেসব টিউব ও চ্যানেল থাকে, সেগুলোকে ঠিকঠাক রেখে প্রোনিং করা কঠিন। তাই সেলফ প্রোনিংটাই সব রোগীকে করতে বলি।

লিখেছেন অধ্যাপক ডা. মোশাররফ হোসেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান। সূত্র : কালের কণ্ঠ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়