প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] শিশুকে সময়মতো টিকা দিন, শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করুন : ডা. নাসিমা সুলতানা

শাহীন খন্দকার :[২] স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ইপিআই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের সকল শিশুকে নির্দিষ্ট সময়ে টিকা দেয়ার জন্য নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসার আহ্বান জানালেন স্বাস্থ অধিপ্তরের অতিরিক্ত ডিজি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে চলছে এই কর্মসূচি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুসরণ করে কোভিড-১৯ প্যানডেমিক চলাকালীন সারাদেশে টিকাদান কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) কর্মকৌশল প্রণয়ন করেছে।

[৩] স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোভিড-১৯ বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনের অংশ হিসেবে বুধবার (২৪ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত-মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা অনলাইন প্রেস ব্রিফিংয়ে একথা বলেন। এসময়ে বলেন, প্রতিটি বিভাগের জেলা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও মাঠ পর্যায়ের কর্মী তথা স্বাস্থ্য সহকারী-টিকাদান কর্মীগণ স্বাস্থ্যকর্মীগণকে কোভিড-১৯ মহামারী চলাকালীন সময়ে টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় নিয়মাবলী অনুসরণ করার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

[৪] অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা বলেন, ইতিমধ্যেই কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে বাদ পড়া বা ঝরে পড়া শিশুদের চিহ্নিতকরণ ও তালিকাভুক্তির মাধ্যমে তাদের টিকাদান নিশ্চিতকরণ এর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কেন্দ্রে টিকা নিতে আসা সেবা গ্রহীতাগণের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করবে। সেই সাথে স্বাস্থ্যকর্মীদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে টিকা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

[৫] যে সমস্ত এলাকায় চলাচল সীমিত করা হয়েছে সেই এলাকায় স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন তিনি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলেন, জনগণের সচেতনতার জন্য ইপিআই সেশন শুরুর পূর্বে এলাকার মসজিদে মাইকিং করা হচ্ছে। সেই সাথে টিকাদান কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখতে ভ্যাকসিন ও লজিস্টিক যথেষ্ট পরিমাণে মজুদ রয়েছে বলে নিশ্চিত করেন।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত