শিরোনাম
◈ মন্ত্রিসভা থেকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের নির্দেশ নিয়ে ধোঁয়া ◈ নারী টি-টোয়েন্টিতে বাংলা‌দেশ দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা আক্তার ◈ পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে পরিস্থিতি হঠাৎ করেই খুব উত্তপ্ত, দফায় দফায় সংঘর্ষ ◈ ঢাকা থেকে ১১৮ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৮৩৬২ যাত্রী ◈ দেশকে স্বাধীন করার জন্য, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা যেমন ধর্ম দেখিনি, জাত দেখিনি: তারেক রহমান ◈ একটি উদ্যোগ, একটু চেষ্টা, এনে দেবে সচ্ছলতা, দেশে আসবে স্বনির্ভরতা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে আশাবাদী, জানালেন পরিকল্পনা ◈ প্রশাসনে সচিব পদমর্যাদার ১০ কর্মকর্তাকে দপ্তর বদল ও পদায়ন করেছে সরকার, কে কোথায় গেলেন ◈ যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাব মেনে নিলে সাত দিনের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব ◈ যাত্রীশূন্য শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, এমন রূপ কেউ কখনও দেখেননি আগে (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৪ জুন, ২০২০, ১২:৩৯ দুপুর
আপডেট : ২৪ জুন, ২০২০, ১২:৩৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] উখিয়ার উপকূলে সরকারি অর্থে নির্মিত চেঞ্জিংরুমের বেহাল দশা!

উখিয়া প্রতিনিধি: [২] কক্সবাজারের উখিয়ার উপকূলে পর্যটকদের সুবিধার জন্য সরকারি অর্থায়নে নির্মিত চেঞ্জিং রুমের বেহাল দশা হয়েছে । দিনের পর দিন অব্যবস্থাপনার কারণে মাদক আসক্তদের ডেরায় পরিণত হয়েছে। অব্যবস্থাপনার কারণে এখন লীজ দেয়ার পরিবেশও নেই। এভাবেই সরকারি সম্পদ নষ্টের পাশাপাশি প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এমনটি দাবি সচেতন মহলের।

[৩] সম্ভবনাময়ী পর্যটন খাতকে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে ও পর্যটকদের সুবিধার্থে উপকূলীয় সমুদ্র তীরবর্তী চেঞ্জিং রুম নির্মাণ করা হলেও পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার না থাকায় পর্যটকরাও পাচ্ছে না কাংখিত সেবা। এজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দোষলেন স্থানীয়রা।

[৪] সরেজমিনে দেখা গেছে, উখিয়ার নিদানিয়া ডেইলপাড়ায় কক্সবাজার জেলা পরিষদের অর্থায়নে ২০১০ সালে বাস্তবায়িত হওয়া চেঞ্জিং রুমটির বেহাল চিত্র। দরজা, জানালা, গ্রীল, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম কিছু নেই।

[৫] স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, চেঞ্জিং রুম দেখভাল না করায় সব কিছু মাদক সেবীরা নেশার খরচ যোগাতে চুরি করে নিয়ে গেছে। এ সময় তিনি আরো বলেন, চেঞ্জিং রুমের সুবিধা না থাকায় পর্যটকসহ স্থানীয় লোকজনের যাতায়াত ঐ দিকে কম। লোকজনের আনাগুনা কম হওয়ার সুযোগে মাদকসেবীরা নেশা করার জন্য নিরাপদ স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যার পরপরই চেঞ্জিং রুমটি মাদকসেবীদের আকড়ায় পরিনত হয়। পরিত্যক্ত হওয়ায় মাদক কারবারিরাও মাদকের লেনদেন করার জন্য এ চেঞ্জিং রুমটিকে ব্যবহার করে বলে অনেকের ধারণা।

[৬] উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি শফিক আজাদ বলেন, সুন্দর মনোরম এই স্থানকে পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় করে তুলে এবং ভালো ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি সম্ভাবনাময় পর্যটন শিল্পের এই জোনকে মাদক মুক্ত ও নিরাপদ করতে পারলে পর্যটক বৃদ্ধির সাথে স্থানীয়দেরও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। তাই এ ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কৃর্তপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন তিনি।

[৭] কক্সবাজার জেলা পরিষদ সদস্য অধ্যাপক হুমায়ুন কবির চৌধুরী বলেন, উখিয়ায় জেলা পরিষদের অর্থায়নে দুটি চেঞ্জিং রুম নির্মাণ করা হয়েছে। একটি সচল থাকলেও অন্যটি কেউ লীজ না নেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত আছে। এসব চেঞ্জিং রুমগুলো মূলত লীজ নেওয়া কর্তৃপক্ষরা দেখভাল করার কথা।

[৮] দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: নিকারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, চেঞ্জিং রুমটি জেলা পরিষদের সম্পদ। উপজেলা প্রশাসনের আওতায় নয়। তবুও মাদক সেবনের বিষয়টি নিয়ে পুলিশের সাথে আলাপ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা জানান।

সম্পাদনা: সারোয়ার জাহান

  • সর্বশেষ