প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রাজধানীর শিশু হাসপাতালে ডাক্তার নার্সসহ ৫০ জন স্বাস্থ্যকর্মীর কোভিড-১৯ শনাক্ত 

শাহীন খন্দকার :[২] শিশু স্বাস্থ্য সেবায় ঢাকার শেরে বাংলা নগরে দেশের সর্ববৃহৎ হাসপাতাল। যাতে দেশের কোন শিশুই এ থেকে বঞ্চিত না হয়” এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা শিশু হাসপাতাল। প্রথমে ঢাকা শিশু হাসপাতালের অবস্থান ছিল ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কে। পরবর্তীতে ১৯৭৬ সালে এটি বর্তমান অবস্থানে স্থানান্তরিত হয়। এখানে শিশুদের সাধারণ জ্বর,সর্দি,কাশি,আমাশয়, ডাইরিয়াসহ যাবতীয় রোগের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয় হাসপাতালে জানালেন পরিচালক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ সফি আহম্মেদ।

[৩] এখানে শিশুদের সবরকমের সাধারণ চিকিৎসা অত্যন্ত স্বল্পমূল্যে প্রদান করা হয়। এছাড়াও শিশুদের যাবতীয় রোগের অপারেশন সম্পূর্ণ হয়ে থাকে। বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা শিশু হাসপাতালে করোনাভাইরাস এর উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। হাসপাতালের কোভিড-১৯ আইসোলেশন ওয়ার্ডে করোনাভাইরাসে আক্রন্ত ৭০ এর অধিক শিশুকে চিকিৎসা দিতে গিয়ে ৭ জন ডাক্তার একজন ম্ট্রেনকে ইতিমধ্যে হাসপাতালে থেকে চিকিৎসা সেবা নিতে হয়েছে ।

[৪] পরিচালক বলেন, আক্রান্তদের মধ্যে ১৭ জন ডাক্তার নার্সসহ মোট ৫০ জন স্বাস্থ্যকর্মী সাতজন ব্যাতিত সবাই নিজ বাসায় আইসোলেশনে। এদের মধ্যে অনেকে সুস্থ হয়ে ইতিমধ্যে অফিস করছেন । আবার কেউ কেউ এখনো আইসোলেশনে রয়েছে। ডা.সফি আহম্মেদ বলেন, মঙ্গলবার (১৬ জুন) পর্যন্ত আইসোলেশনে কোভিড-১৯ সংক্রমনে আক্রান্ত ৯০ জন শিশুকে চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত ডাক্তার ,নার্সও স্বাস্থ্য কর্মীরা কোভিড-১৯ পজেটিভ হয়েছেন বলে জানালেন।

[৫] ৬৫০ আসনবিশিষ্ট এই হাসপাতালটিতে রোগীদের চিকিৎসা সেবায় রয়েছে ২৫ জন অধ্যাপক, ১৭ জন সহযোগী অধ্যাপক, দু’জন সিনিয়র কনসালট্যান্ট এবং ৩০ জন সহকারী অধ্যাপক, ২৯৬ জন নার্স এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ৮৩৭ জন কর্মকর্তাকর্মচারী নিয়োজিত থাকলেও করোনাকালীন সময়ে বেশকিছু নার্স ও ডাক্তার সরকারী চাকুরিতে চলে যাওয়াতে চিকিৎসা সেবায় কিছুটা হলেও ব্যহত হচ্ছে ।

[৬] তিনি বলেন (১৬জুন) পর্যন্ত কোভিড-১৯ বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুত্রে এপর্যন্ত সনাক্ত ৭৮.২৩,২৮৯ জন,মৃত্যু ৪৩১৫৪১ জন। চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে বিশ্বের ২১৩টি দেশ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। ইতিমধ্যে করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সরকার ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে । পরে বিভিন্ন মেয়াদে ছুটি বাড়িয়ে সর্বশেষ ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। দেশের ইতিহাসের দীর্ঘ এ ছুটির পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৩১ মে থেকে অফিস-আদালত খোলা হয়েছে। এছাড়াও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে চালু হয়েছে গণপরিবহনও। তবে বাইরে চলাচলের সময় মাস্ক পরিধানসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললেই এই রোগহতে সেভথাকা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত