প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মির্জা ফখরুলরা নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে বাক্যালাপে বীরত্ব প্রদর্শন করছেন: ওবায়দুল কাদের

সমীরণ রায় : [২] আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, গণমাধ্যম সমাজের দর্পণ। তারা সত্য প্রচারে নির্ভীক। গণমাধ্যম বিএনপির গুজব প্রচারে সম্মত না। অথচ মির্জা ফখরুল বলেন, গণমাধ্যম সত্য প্রচারে শঙ্কিত। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারবিরোধী গুজব ছড়িয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার অপচেষ্টা চালিয়েছে। তারা গুজবভিত্তিক রাজনীতির বৈধতা দিয়েছে। বিএনপি জনগণের পাশে না দাড়ানোয় রাজনীতিতেও ভাটা পড়েছে। তাই তারা গণমাধ্যমকে ঢাল হিসেবে ব্যবহারের অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

[৩] তিনি বলেন, কোভিডের কারণে বিশে^র মতো দেশেও যাপিত জীবন পতিত হয়েছে এক সংকটে। জীবনের পাশাপাশি জীবিকা এবং স্বাস্থ্যের ঝুঁকিও পৌঁছেছে চরম পর্যায়ে। এই সংকটে সাংবাদিকরা সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে অগ্রগণ্য। অধিকাংশ গণমাধ্যমের কর্মীরা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করছেন।

[৪] ওবায়দুল কাদের বলেন, স্বাধীনতার পর দেশবিরোধী নানা অপতৎপরতা শুরু হয়। বিদেশের টাকায় রাতারাতি সংবাদপত্র প্রকাশ করে জাতীয় বিভাজন ও সাম্প্রদায়িকতার বীজ বপন করা হয়। সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প থেকে জাতিকে রক্ষা করতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির ওপর জোর দেন। তিনি জানতেন, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি কায়েম না হলে গণতন্ত্র টেকসই হবে না। বাকশাল ছিল সেই গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার অভিযাত্রা। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানও সদস্য ছিলেন। বাকশাল কোনো একদলীয় ব্যবস্থা ছিল না। অথচ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ৪টি পত্রিকা ব্যতীত সব সংবাদপত্র বন্ধ করে দেয়া হয়। তৎকালীন সময় দৈনিক, সাপ্তাহিক ও অন্যান্য মিলে ১২৬টি সংবাদপত্র প্রকাশিত হতো। বঙ্গবন্ধু সংবাদপত্রের বস্তুনিষ্ঠতা প্রতিষ্ঠায় গঠিত কমিটির সুপারিশে একটি কাঠামো দাঁড় করিয়েছিলেন মাত্র।

[৫] তিনি আরও বলেন, বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেন দেশে গণতন্ত্র নেই। দেশে যদি গণতন্ত্র না-ই থাকে তাহলে তারা কীভাবে সরকারের বিরুদ্ধে এতো মিথ্যাচার করার সুযোগ পান? জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে হ্যাঁ-না ভোট ডাকাতির কথা দেশবাসী জানে। সুতরাং বিএনপির মুখে গণতন্ত্রের কথা শোভা পায় না।

[৬] মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। সম্পাদনা : রায়হান রাজীব

সর্বাধিক পঠিত