প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সোনারগাঁয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ৬টি ককটেল বিস্ফোরণ, ইউএনও’ হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত

শাহ জালাল : [২] নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা বারদি ইউনিয়নের শান্তিরবাজার, চেঙ্গাকান্দী এলাকায় হাবিবুর রহমান হাবুর ক্যাডার বাহিনীর চাঁদাবাজিতে বাধা দেওয়ায় উজ্জল ও শাকিল নামের দুই যুবককে কুপিয়ে আহত করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদে ওই এলাকায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।

[৩] সোমবার সকালে ওই এলাকার ৫ গ্রামের মানুষ একত্রিত হয়ে হাবিবুর রহমান হাবুর বিচার দাবী করে বিক্ষোভ করে। এ ঘটনায় হাবিবুর রহমান হাবুর লোকজন উত্তেজিত হয়ে ধাওয়া করে গ্রামবাসীকে। এক পর্যায়ে শুরু হয় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। এ সময় পর পর ৬টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটানা ঘটে। এ ঘটনায় কেউ আহত না হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে।

[৩] খবর পেয়ে সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.সাইদুল ইসলাম ও সোনারগাঁ থানার ওসি মনিরুজ্জামান ঘটনাস্থলে গিয়ে গ্রামবাসীর সাথে কথা বলে হাবিবুর রহমান হাবুর বিচারের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

[৪] এ ঘটনায় এক পক্ষের ইসহাক মিয়া বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

[৫] এলাকাবাসীর অভিযোগ, উপজেলার বারদি ইউনিয়নের শান্তিরবাজার, চেঙ্গাকান্দী এলাকায় ডাকাত সর্দার ও বারদি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল হকের সমর্থিত হাবিবুর রহমান হাবু ও তার ক্যাডার বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী। হাবু ও তার ক্যাডার বাহিনীর ভয়ে এলাকায় কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না। এমনি কি হামলা ও নির্যাতনের শিকার ভূক্তভোগী কেউ মামলা করতেও সাহস পায় না। হাবুর বিরুদ্ধে , ডাকাতি, ছিনতাই ও চুরিসহ ৮টি মামলা রয়েছে।

[৬] অভিযুক্ত হাবিবুর রহমান হাবু বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ মিথ্যা। আমাকে একা পেয়ে গত মাসে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার লোকজন তাদের মারধর করেছে।

[৭] সোনারগাঁ থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৯ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করতে হয়েছে।

[৮] সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বসে উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তীতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত