শিরোনাম
◈ দেশেই উদ্ভাবিত ন্যানো ইউরিয়ায় মিলল পেটেন্ট, বদলে যেতে পারে দেশের কৃষি অর্থনীত ◈ বৃহস্পতিবার মোংলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত রেখে শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের ◈ ইসরাইলকে বছরে ৪ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা বন্ধের ঘোষণা ট্রাম্পের ◈ প্রবীণদের সুস্থ, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ◈ রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার: ১৯ নভেম্বর আইসিজের ঐতিহাসিক রায় ◈ রাশেদ খাঁনের বক্তব্যের গোয়েন্দা সংস্থা সম্পর্কিত অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন রণধীর জয়সওয়াল ◈ আবেদনের চেয়েও ১ কোটি টাকা বেশি: বড়দিনে ৩ কোটি টাকা অনুদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ কারাগারে বসেই আয়, পরিবারের কাছেও টাকা পাঠাচ্ছেন বন্দিরা ◈ দালাল ছাড়াই বিনা খরচে প্রশিক্ষণ নিয়ে ইতালি যাওয়ার সুযোগ

প্রকাশিত : ০৩ জুন, ২০২০, ০৬:৪১ সকাল
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২০, ০৬:৪১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

১৫ দিনে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত ১ লাখ, সংক্রমণের শীর্ষ সাতে ভারত

মহসীন কবির : [২] কোভিড-১৯ মহামারির নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে ভারত, হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণের হার। গত তিনদিন ধরে সেখানে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে অন্তত আট হাজার করে, রোজই ভাঙছে আগের দিনের রেকর্ড। মাত্র দু’সপ্তাহের মধ্যেই প্রতিবেশী দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছে এক লাখেরও বেশি মানুষ। আনন্দবাজার ও এনডিটিভি

[৩] বুধবার ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে ৮ হাজার ৯০৯ জনের শরীরে ধরা পড়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। সেখানে এখন পর্যন্ত এটাই একদিনে সর্বোচ্চ রোগী শনাক্তের রেকর্ড।

[৪] মঙ্গলবারই করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দুই লাখ ছাড়িয়েছিল ভারতে। এখন পর্যন্ত দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭ হাজার ৬১৫ জন। বিশ্বের সর্বোচ্চ করোনা সংক্রমিত দেশের তালিকায় তারা এখন রয়েছে সপ্তম স্থানে। ভারতে যে হারে সংক্রমণ বাড়ছে তাতে কয়েকদিনের মধ্যেই দেশটি ইতালিকেও ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

[৫] ভারতীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ১ লাখ ১ হাজার ৪৯৭ জন। অর্থাৎ আক্রান্তদের প্রায় অর্ধেকই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। দেশটিতে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৫ হাজার ৮১৫ জন। ভারতীয় রাজ্যগুলোর মধ্যে এখনও সর্বাধিক আক্রান্ত মহারাষ্ট্রে। সেখানে ৭২ হাজারেরও বেশি মানুষ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে, মারা গেছে প্রায় আড়াই হাজার। এর পরেই রয়েছে তামিলনাড়ু, দিল্লি, গুজরাট ও রাজস্থান।

  • সর্বশেষ