শিরোনাম
◈ আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা পুনঃতদন্ত করতে নতুন করে কমিশন গঠন করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সরকার ৪ ধরনের শিক্ষার্থীকে ভাতা দেবে: কারা পাবেন, কীভাবে আবেদন করবেন? ◈ সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে প্রবেশের নির্দেশ, বিনা অনুমতিতে বাইরে নয়: আইন মন্ত্রণালয় ◈ ১২ মার্চ সকাল ১১ টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ◈ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ পাচ্ছেন যাঁরা ◈ ঢাকা দক্ষিণ থেকে সিটি নির্বাচন করব : ইশরাক হোসেন ◈ সংস্কার, বাণিজ্য ও অভিবাসন: ইইউর সঙ্গে নতুন সম্পর্কের সুযোগ বাংলাদেশের ◈ বাংলাদেশ তার সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে, অন্য দেশের হস্তক্ষেপ চাই না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পুলিশের কাজে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০১ জুন, ২০২০, ০৬:০৯ সকাল
আপডেট : ০১ জুন, ২০২০, ০৬:০৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] তিন শিফটে সকাল ৯টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার প্রস্তাব জবি ভিসির

ডেস্ক রিপোর্ট : [২]কভিড-১৯ ভাইরাসের জীবন আছে কিনা জানি না। শুনেছি এটা নাকি RNA, RNA জীবন না জীবনের অংশ সেটা ভালো বলতে পারবেন জীব বিজ্ঞানীরা (যেমন - কুমিল্লা অথবা যশোর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য )। তবে এটা আমি নিশ্চিত করোনা ভাইরাস ধনী-গরীব, সাদা-কালো, নাস্তিক-আস্তিক কিছুই চেনে না। দিন রাতের পার্থক্যও বোঝে না।

[৩]করোনা ডেঙ্গুর জীবাণু বহনকারী এডিস মশার মতো না, যা কেবল সন্ধ্যায় কামড় দেয়। করোনার আক্রমণ দিনে রাতে যে কোন সময় হতে পারে। তাহলে ‘স্বাস্থ্যবিধি’ মেনে ‘সীমিত পরিসরে’ বাজার-দোকান যদি খুলতে হয় তবে সেটা অতি অল্প সময়ের জন্য কেন? অল্প সময়ের জন্য (১০টা থেকে ৪টা) দোকান খোলা থাকলে ক্রেতারা সেখানে হুমড়ি খেয়ে পড়বে এবং ভিড় বাড়বে।

[৪]যদি অর্থনৈতিক কারণে এবং জীবিকার তাগিদে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান খোলা রাখতে হয় তবে সেটা দীর্ঘ সময় (যেমন সকাল ৯ টা থেকে রাত ১১টা ) পর্যন্ত খোলা রাখলেই বরং বাজার বা দোকানে ‘সামাজিক দূরত্ব’ বজায় থাকবে। এক্ষেত্রে দোকানের কর্মচারীদের একাধিক শিফট করা যেতে পারে।

[৫]ক্রেতাদের জন্যেও সময় ভাগ করা যেতে পারে। যেমন- যাদের বয়স পঞ্চাশের বেশি তারা দোকানে যাবেন সকাল ন'টা থেকে দুইটার মধ্যে, পঞ্চাশের কম বয়সীরা যাবেন ২ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টার মধ্যে, যারা সপরিবারে বাজারে যাবেন তারা সন্ধ্যা ৭ টা থেকে রাত ১১ টার মধ্যে। ভিড় কমানোর জন্য সাপ্তাহিক বন্ধের দিনগুলোতেও আপাতত বাজার খোলা রাখা যেতে পারে। অর্থাৎ সপ্তাহের সব কয়দিন সবকটি মার্কেট/দোকান দীর্ঘ সময় ধরে খোলা থাকলে দোকানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে 'সামাজিক দূরত্ব' বজায় রাখার যে নসিহত মহামারী বিশেষজ্ঞরা করছেন তা প্রতিপালনে সহায়ক হবে।

লেখক: অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান। উপাচার্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

লেখা: ফেসবুক থেকে সংগৃহীত

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়