প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] পরিপূর্ণ জিনোম সিকোয়েন্স বের করতে হলে আরোও গবেষনা প্রয়োজন

লাইজুল ইসলাম : [২] বিসিএসআইআরের জিনোমিক রিসার্চ গবেষণাগারের বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, দেশের তিনজন কোভিড-১৯ রোগীর নমুনা থেকে নতুন করোনাভাইরাসের সম্পূর্ণ জিন বিন্যাস বা জিনোম সিকোয়েন্সিং পাওয়া গেছে। তবে এই গবেষনা আরো বৃহৎ আকারে প্রয়োজন বলে মনে করেন বাংলাদেশ শিল্প ও গবেষণা পরিষদ বিসিএসআইআরের বিজ্ঞানী সেলিম খান।

[৩] এই গবেষনাগারের প্রধান সেলিম খান বলেন, ৩ জন রোগীর থেকে নমুন সংগ্রহ করে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। তাদের থেকে নেয়া নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সের পর ডেটা অ্যানালাইসিসে দেখা যায় অ্যামাইনো এসিড নয়টি লেভেলে ভেরিয়েন্ট রয়েছে।

[৪] তিনি বলেন, এই অঞ্চলের কোভিড-১৯ রোগের সঙ্গে ইউরোপ তথা সুইডেনের সঙ্গে মিল রয়েছে। মিল বলতে ৯৯.৯৯ শাতাংশ। বলা যায় একই রকম। তবে ৩ টি বা এই পর্যন্ত গবেষনার ২৩টি ফুল সিকোয়েন্সিং ডেটা দিয়ে কিছুই সম্ভব না। ভ্যাক্সিন আবিস্কার করতে হলে কোভিডের জিনোম সিকোয়েসিং খুব জরুরী। তবে এটা যেহেতু জেনেটিক বৈশিষ্ট পাল্টাচ্ছে তাই বৃহত গবেষনা করতে হবে।

[৫] সেলিম খান বলেন, আগামী দেড় মাসের মধ্যে ৩০০ জিনোমিক সিকোয়েন্সিং করা হবে। আগামী অর্থ বছরে ১ হাজারের বেশি জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হবে। যাতে করে আমরা মেডিসন বা ভ্যাক্সিন বানাতে সক্ষম হই।

[৬] বিসিএসআইআরের বিজ্ঞানী বলেন, করোনা যতদিন চলবে আমাদের গবেষনাও চলতে থাকবে। জিনোম সিকোয়েন্সিং বের করে আমরা বিশ্ব ডাটা বেজে দিবো। সবার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। নতুন কিছু হলে সেটা নিয়ে আবার গবেষনা হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত