শিরোনাম
◈ মাটির নিচেই গোটা গ্রাম, ২০০ বছরের পুরোনো বাড়িতে আজও বসবাস করছেন হাজারো মানুষ! ◈ ৩৫৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা আছে কি না, জানতে চাইল পুলিশ সদর দপ্তর ◈ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও জনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তুরস্কের বিশেষজ্ঞ দল ◈ রাজনৈতিক দলগুলোর এত টাকা আসে কোথা থেকে, দল চালাতে কত টাকা লাগে: টিআইবির গবেষণা ◈ কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি না হওয়ায় আবুধাবিতে ফেরত যাচ্ছিল ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার স্বর্ণের ডিম, আটক ৬টি ◈ ওয়ারীতে বাসায় কুশ চাষ ও মাদক সরবরাহ, যুক্তরাষ্ট্রফেরত ২২ বছর বয়সী তৌসিফ গ্রেপ্তার ◈ বারে মদ্যপান শেষে প্রেমিকার সঙ্গে বিরোধের পর হেরোইন খুঁজতে টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ: রিমান্ডে দীপের বয়ানে চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির পর হ্যাকাররা সেগুলো দিয়ে কী করে? কীভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনে? ◈ ভারত থেকে আসা ১৮ কোচগুলোতে যা যা বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, আগামী সপ্তাহেই পরীক্ষামূলক চলাচল

প্রকাশিত : ২৯ মে, ২০২০, ১০:৫১ দুপুর
আপডেট : ২৯ মে, ২০২০, ১০:৫১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ঈদে পর্যটনশূন্য কমলগঞ্জের পর্যটনকেন্দ্রগুলো

সাদিকুর রহমান, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: [২]পবিত্র ঈদকে ঘিরে প্রতি বছর মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে পর্যটকদের ভিড় থাকলেও করোনা ভাইরাসের কারণে এবছর পর্যটন স্পটগুলো রয়েছে পর্যটনশূন্য। প্রতি বছর ঈদ এলেই পর্যটকদের পদভারে মুখোরিত থাকে এ জনপদ। কিন্তু করোনার প্রভাব থাকায় এবছর যেন অন্যরকম এক ঈদ কাটাল পর্যটন স্পটগুলো। এতে করে পর্যটনের সাথে সংশ্লিষ্টরা বেকার হয়ে পড়েছেন। আর সরকার হারািয়েছে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব।

[৩] এদিকে প্রতি বছর ঈদের আগে প্রতিটি পর্যটন স্পট সাজিয়ে তোলা হয় নানা সাজে। কিন্তু এবছর বৈশ্বিক করোনার কারনে বন্ধ থাকায় কোন সাজসজ্জা হয়নি।

[৪] বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত সরজমিনে দেখা যায়, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক, হামহাম জলপ্রপাত ও বীরশ্রেষ্ট শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমানের স্মৃতিসৌধ করোনাভাইরাসের কারণে বন্ধ ঘোষণা করায় ঈদে পর্যটক শূন্য রয়েছে।
পর্যটন সংশ্লিষ্ট সূত্রে যায় যায়, ঈদুল ফিতরের টানা ছুটিতে প্রতিবছর সবচেয়ে বেশি পর্যটক দেখা যায় কমলগঞ্জ উপজেলার পর্যটন স্পটগুলোতে। পর্যটন স্পটগুলোও ব্যাপক জনপ্রিয় পর্যটকদের কাছে।

[৫] এদিকে করোনা ভাইরাসের প্রভাবে পর্যটক শূন্য থাকায় হোটেল রিসোটগুলোর মালিকরাও পুঁজি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন।
এসব হোটেল-রিসোর্ট প্রতি বছর ঈদের সময় কয়েক হাজার পর্যটক আগাম বুকিং দিয়ে রাখেন। কিন্তু করোনার কারনে দীর্ঘদিন পর্যটন স্পটগুলো বন্ধ থাকায় পুঁজি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন হোটেল-রিসোর্ট মালিকরা।

[৬] আলাপকালে হোটেল-রিসোর্ট মালিকরা জানান, করোনায় প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কর্মচারী রাখতে হচ্ছে। যেহেতু কোনো আয় নেই তাই পুঁজি ভেঙে বেতন দিতে হচ্ছে তাদের।

[৭] আলাপকালে লাউয়াছড়ার ট্যুর গাইড মো. আহাদ মিয়া বলেন, আমরা প্রতি বছর বিভিন্ন উৎসবে বিশেষ করে ঈদ আসার আগে দেশী বিদেশি পর্যটকদের ফোন পেতাম ট্যুর প্লান দিতাম। আর তারা সে প্লান অনুযায়ী আসতেন। তাদের সাথে ট্যুরিষ্ট গাইড হিসাবে থাকলে তারা বিনিময়ে কিছু সম্মানি দিতেন। কিন্তু এবার মহামারি করোনার জন্য পর্যটন স্পট বন্ধ থাকায় কোন পর্যটক যোগাযোগ করেননি। এতে আমরা ইকো টুরিস্ট গাইডরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

  • সর্বশেষ