প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করোনাভাইরাস তদন্ত নিয়ে চীন-অস্ট্রেলিয়া-যুক্তরাষ্ট্র ত্রিমুখী বিবাদ, রফতানিকে অস্ত্র বানাচ্ছে বেইজিং

রাশিদ রিয়াজ : [২] মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনে করোনাভাইরাসের আন্তর্জাতিক তদন্ত দাবি করার পর তাতে যুক্ত হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। বিষয়টি ভালভাবে নেয়নি চীন। চীনা রাষ্ট্রদূত চেন জিংয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন অস্ট্রেলিয় পণ্য ব্যবহারে বয়কট শুরু হতে পারে। সিএনএন

[৪] অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ম্যারিসা পায়ানি গত এপ্রিলের শেষ দিকে সানডে মর্নিং টেলিভিশনে চীনে করোনা তদন্ত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবির প্রতি একাত্মতা জানান। সেখান থেকেই চীনের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার দূরত্ব বাড়তে থাকে।

[৫] দিন কয়েক পর অস্ট্রেলিয়ার চীনের রাষ্ট্রদূত চেন জিংয়ে ফিনান্সিয়াল রিভিউকে বলেন সম্ভবত চীনা নাগরিকরা নিজেদের মনকে জিজ্ঞেস করবে তারা অস্ট্রেলিয় মদ কিংবা গরুর মাংস খাবে কি না।

[৬] এরপর একমাসেরও কম সময়ের মধ্যে গত ১২ মে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যার কারণ দেখিয়ে চীন চারটি বড় ধরনের অস্ট্রেলিয় গরুর মাংসের খালাস বন্ধ করে দেয়। এর ৫ দিন পর চীন এ্যান্টি-ডাম্পিং তদন্তের অংশ হিসেবে অষ্ট্রেলিয় বার্লি আমদানিতে ৮০ শতাংশের বেশি শুল্ক আরোপ করে।

[৭] ২০১৮ সালে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমান ছিল ২১৪ বিলিয়ন ডলার। করোনার কারণে যে কোনো দেশের মত চীনের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ক কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। কিন্তু চীনের সরকারি মিডিয়ায় অস্ট্রেলিয় বিরোধী মনোভাব এ সম্পর্কে ফাটলকে স্পষ্ট করে তুলছে।

[৮] চীনে অস্ট্রেলিয়া বিশাল আকারে লৌহ আকরিক, কয়লা, স্বর্ণ, উলের মত কাঁচামাল রফতানি করে ও বিপুল পরিমান ভোক্তা ও প্রযুক্তি পণ্য আমদানি করে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত