প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ঈদে বিনোদন কেন্দ্রে মানব শূন্য, [২] ধানমন্ডি লেক আর হাতিরঝিলেই শুধু মানুষ

সুজিৎ নন্দী: [৩] ঈদের দিন ও পরের দিন করোনার ভয় উপেক্ষা করে রাজধানীর হাতিরঝিল আর ধানমন্ডি লেকে মানুষ আর মানুষ। বিনোদন কেন্দ্র্রে মানুষের ভিড় ছিলো না। আশপাশে বিচ্ছিন্ন ভাবে মানষ ঘুরতে দেখা গেছে। অনেক মানুষ এখনো জানে না শাহবাগ শিশুপার্ক বন্ধ হয়ে গেছে। সংসদ ভবনের সামনে বিচ্ছিন্ন ভাবে মানুষ ঘুরে বেড়াচ্ছে। গতকাল বিকালে চিড়িয়াখানা, বোটানিক্যাল গার্ডেন, শাহবাগ, হাতিরঝিল আর ধানমন্ডি লেক ঘুরে এরকম চিত্র দেখা গেছে।

[৪] মিরপুর-১ থেকে আসা সুইটি আফরোজ জানান, কি করবো। বাড়ি যেতে পারিনি। এবার গার্মেন্টন্স মালিকরা ঘোষনা দিয়েছে, ঢাকা ছাড়লে চাকরি হারাতো হবে। এজন্যই সংসদ ভবনের সামনে একটু বেড়ানো ছাড়া কোন রাস্তা নেই।

[৫] ঈদ বিনোদনের প্রধান আকর্ষণ মিরপুর জাতীয় চিড়িয়াখানা, জাতীয় উদ্যান, শাহবাগের জাতীয় যাদুঘর, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার, লালবাগ কেল্লা, আহসান মঞ্জিল, রাজধানীর শ্যামলীর ডিএনসিসি ওয়ান্ডারল্যান্ডসহ (শিশুমেলা) বিভিন্ন পার্ক এবং সিনেমা হল প্রায় দুই মাস থেকে সাধারণ ছুটির কারণে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ঈদের ছুটিতেও এসব কেন্দ্র খোলা হয়নি। যার ফলে এসব বিনোদন কেন্দ্রের নেই ঈদের সেই কোলাহল এবং আনন্দ মুখর পরিবেশ।

[৬] গত ২৬শে মার্চ থেকেই মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানায় প্রবেশ করতে পারছেন না দর্শনার্থীরা। মানুষ ঘরবন্দি হওয়ায় যেন হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছে খাঁচাবন্দি প্রাণিরা। প্রতিবছর ঈদে ৩০ লাখ দর্শনার্থির পদচারণা ঘটে জাতীয় চিড়িয়াখানায়। করোনায় দুমাস ধরে সেই চিড়িয়াখানা দর্শনার্থীমুক্ত। এ সবই চিড়িয়াখানার গেটে থাকা দারোয়ানদের কাছ থেকে শোনা।

[৭] এদিকে দেশে থিম পার্ক খ্যাত সাভারের ফ্যান্টাসি কিংডম ও নন্দন পার্কে নিরাপত্তাকর্মী ছাড়া কারও উপস্থিতি চোখে পড়েনি। যেখানে প্রতিবছর ঈদ ঘিরে এইসব বিনোদন কেন্দ্র্র্রগুলো উৎসব উদযাপনের কেন্দ্র্রবিন্দুতে পরিণত হয়। সেখানে এবার কর্মকর্তা-কর্মচারি ছাড়া তেমন কাউকে চোখে পড়েনি। এসব বিনোদন কেন্দ্রে কর্মরত কর্মচারিদের জীবন যাত্রায় ফুটে উঠেছে অসহায়ত্ব।

[৮] এ পরিস্থিতিতে অনিশ্চিতয়তার মধ্যে দিয়ে দিন পার করছেন বন্ধ থাকা এইসব বিনোদন কেন্দ্রগুলোর কর্তৃপক্ষ। এছাড়া করোনা পরিস্থিতিতে বন্ধ রয়েছে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ। প্রতি বছর ঈদসহ বিশেষ দিনগুলোতে উপচে পড়া ভিড় থাকলেও এবার জনশূন্য স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ। কেউ কেউ বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে আসলেও বন্ধের নোটিশ পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।

[৯] এদিকে, সড়কে বের হওয়া সাধারণ মানুষের মাঝে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার প্রবণতা অনেকটাই কম লক্ষ্য করা যায়। তবে রিকশায় ও মোটরসাইকেলে তরুণ-তরুণীদের ঘুরতে দেখা যায়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত