শিরোনাম
◈ ইরানে হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের উদ্বেগ ◈ মধ্যপ্রাচ্যে গমনেচ্ছুদের জন্য প্রবাসী কল্যাণের হটলাইন নম্বর চালু ◈ আগামী মঙ্গলবার চন্দ্রগ্রহণ, বাংলাদেশ থেকেও দেখা যাবে ◈ মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তায় প্রধানমন্ত্রীর জরুরি নির্দেশনা ◈ এক দিনে ইরানে ১২০০টির বেশি বোমা হামলা ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের ◈ রোজার পরেই সিটি করপোরেশন নির্বাচন: নির্বাচন কমিশনার মাসউদ ◈ সৌদি আরবের চাপ ও ইসরায়েলের ভূমিকা ট্রাম্পের ইরান হামলার সিদ্ধান্তে বড় প্রভাব ফেলেছে ◈ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনির জীবনের শেষ ভাষণ প্রকাশ, কী কথা বলেছিলেন তিনি ◈ জুলাই অভ্যুত্থানকারীদের সুরক্ষায় জুলাই সনদের নীতিতেই আছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ আপনি কার সঙ্গে কথা বলেন জানেন? গভীর রাতে গুলশান ডিসিকে হু'মকি (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৪ মে, ২০২০, ০৭:১০ সকাল
আপডেট : ২৪ মে, ২০২০, ০৭:১০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বিধ্বস্ত বাংলা দেখে গর্ভস্থ সন্তানকে কান্না ভেজা চিঠি শুভশ্রীর

মুসফিরাহ হাবীব: [২] করোনাভাইরাস, আম্পান- একের পর এক দুর্যোগ থেকে নিস্তার মিলছে না। ভয়ঙ্কর সাইক্লোনে পশ্চিমবঙ্গে মারা গেছে ৭০ জনেরও বেশি মানুষ। ঘর-বাড়ি হারিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছে না জানি আরো কতজন। কলকাতা হয়েছে বিধ্বস্ত। এমন করুণ অবস্থা দেখে নিজেকে স্থির রাখতে পারলেন না অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। গর্ভস্থ সন্তানের জন্য কলম ধরলেন। জানালেন ছোট্ট এই প্রাণের সমস্ত না পাওয়া এবং এক মায়ের অসহায়তার কথা।

[৩] নিজের সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে শেয়ার করলেন ‘তোর জন্য’ শিরোনামের এই লেখা। তাতে শুভশ্রী লিখেছেন, “মনটা বড্ড খারাপ। সারাক্ষণ চেষ্টা করছি মন ঠিক রাখার, কিছুতেই পারছি না। সবাই বলে গর্ভবতী হলে হাসিখুশি থাকতে হয়, কী করে থাকব বল তো! তোর কথা ভেবেই সব ভোলার চেষ্টা করছি। কিন্তু এত ধ্বংসস্তূপ আগে কখনও দেখিনি যে… কান্না চেপে রাখতে পারছি না। মনটাকে বোঝানোর চেষ্টা করছি, যে না, এখন মন খারাপ করলে চলে না! ভাবছি তুই কী ভাববি… কিন্তু নিজেকে আটকে রাখতে পারছি না।”

[৪] “জানিস কত হাজার হাজার গাছ মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। সেগুলোকে আর ফেরানো যাবে না। আমি যে গাছ এত ভালবাসতাম আগে কখনও অনুভব করিনি। গাছের জন্য এত মনখারাপ হবে ভাবিনি। তোকে গাছে ছাওয়া ময়দানগুলোর সবুজ দৃশ্য আর দেখানো হল না। সেই বড় বড় গাছগুলো…সেগুলো তো শুধু গাছ ছিল না। ছিল হাজার হাজার পাখির বাসা। তুই দেখতে পেলি না।”

[৫] “আজ সারাদিন একটা ছবি সোশাল মিডিয়ায় ঘুরছে, বছর চারেকের একটা বাচ্চা বুক সমান পানি পেরিয়ে খাবার নিতে এসেছে ত্রাণ শিবিরে। এরপরও তোর কথা ভেবে কী করে বেশি বেশি খাই বলতো? এই তো আর কিছু বছর পরে তুইও ওর সমানই হবি। ও তো তোর মতোই। কী দোষ করেছিল ও?” মাঝে মাঝে চিৎকার করে প্রকৃতিকে বলতে ইচ্ছে করছে.. আর কত? আবার ভয় লাগছে। পাছে, পালটা প্রশ্ন আসে!

[৬] পৃথিবীর হৃৎপিন্ড যখন দাউ দাউ করে জ্বলছিল, কোথায় ছিল তোদের মনুষ্যত্ব? প্রকৃতির কোল কেটে যখন ফ্ল্যাটবাড়ি বানাস, তখন তোদের বিবেকে বাধে না? জঙ্গলের মাঝে রেললাইন পাতিস, তাতে কাটা পড়ে হাতির দল।কটা প্রশ্ন করিস তোরা মানুষরা? ছি-ছি সত্যিই কোনও উত্তর দিতে পারব না। সেজন্যই চুপ করে আছি। ভাবছি সবকিছুর বদলা নিতেই কী এসেছে এ বছরটা? সবই কি শেষ হয়ে যাবে? আমি বিশ্বাস করতে চাই না। আমি বিশ্বাস করি শুধু ধ্বংস না সৃষ্টিও করবে এই পৃথিবী। শুধু সময়ের অপেক্ষা করতে হবে। রাতের পর দিনের অপেক্ষা।”

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়