প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করোনা ও দুর্নীতি প্রতিরোধকে প্রাধান্য দিয়ে দুই মেয়রের কর্ম পরিকল্পনা

[২]মহামারির মধ্যে আমরা পড়েছি : তাপস

[৩]করোনা মোকাবেলার পরিকল্পনা দৃশ্যমান হবে : আতিকুল

সুজিৎ নন্দী : [৪] দায়িত্ব নিয়েই ঢাকাবাসীর চিকিৎসাসেবাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন তারা। দক্ষিণের মেয়র তাপস বলেছেন, করোনা মোকাবিলায় সফল রাষ্ট্রগুলোর অভিজ্ঞতার আলোকেই কাজ করবেন। আর করোনার সময়ও মাঠে থাকা উত্তরের মেয়র আতিক দুস্থদের খাদ্য বণ্টন কর্মসূচি অব্যাহত রাখার পাশাপাশি করোনা রোগীদের চিকিৎসায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের কাছে একটি মার্কেট হস্তান্তর করেছেন।গুরুত্ব দিচ্ছেন ব্লিচিং পাউডার ছিটানোয়। তবে নগরীর পরিচ্ছন্নতা কাজে উভয় মেয়র আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ শুরু করেছেন।

[৫] ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ব্যরিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, আমার মনে হয় না শতবছরেও এরকম চাপ নিয়ে আর কোনও মেয়র দায়িত্বগ্রহণ করেছে। যেই মহামারির মধ্যে আমরা পড়েছি তাতে সারা বিশ্ববাসী চাপের মধ্যে আছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর আমি ৫টি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। এর মধ্যে প্রথম হচ্ছে করোনা মোকাবিলা। নগরভবনকে দুনীতিমুক্ত করবো। দুনীতিবাজ কেউ ছাড় পাবে না। এরই মধ্যে তিনি তিনজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বরখাস্ত করেছেন।

[৬] অন্যদিকে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, করোনা চিকিৎসার জন্য আমাদের একটি মার্কেট স্বাস্থ্য অধিদফতরের কাছে হস্তান্তর করেছি। এছাড়া ডিএনসিসি এলাকায় প্রতিদিন ১০টি ওয়াটার বাইজারের মাধ্যমে ব্যাপক হারে জীবাণুনাশক ছিটাচ্ছি। করোনা টেস্টের জন্য ৭টি স্থানে বুথ স্থাপন করেছি। নাগরিকদের মধ্যে খাদ্যসহায়তাসহ হাত ধোয়ার সাবান বিতরণ করেছি। এসব কাজ অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, ঢাকাবাসী যেন চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত না হন সেজন্য করোনা মোকাবিলায় আরও কিছু কর্মপরিকল্পনার কথা জানান তিনি। বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এসব পরিকল্পনা দৃশ্যমান হবে।

[৭] ৫টি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে গত ১৬ মে দুপুরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) দায়িত্বগ্রহণ করেন ব্যরিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি জানান, স্বাস্থ্য অধিদফতর, আইইডিসিআর ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সবার সমন্বয়ে আমাদের যে হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলো আছে সব কিছুকে নিয়ে আমরা ঢাকাবাসীর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার জন্য ব্যাপকভাবে কার্যক্রম শুরু করতে চাই। যাতে করে আমরা ঢাকাবাসীকে সুরক্ষা দিতে পারি।

[৮] তাপস আরো বলেন, অনেকগুলো দেশ, তারা কিন্তু সফলতা অর্জন করতে পারেনি। আবার অনেক ছোট দেশও কিন্তু সফলতা অর্জন করতে পেরেছে। এর মধ্যে ভিয়েতনাম, নিউজিল্যান্ড, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান ও হংকং করোনা মোকাবিলায় অনেক ভালো করেছে। আমরা তাদের কার্যক্রমগুলোকে গ্রহণ করতে চাই। কন্ট্রাক ট্রেস্টিং, টেস্টিং, সার্ভিলেন্স ও এনটেইনমেন্ট, এই চারটি ধাপে আমরা কাজটি করতে চাই।

[৯] অন্যদিকে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, করোনা সম্পূর্ণভাবে নির্মূল অনেক দেরি হতে পারে। সুতরাং আমাদের জীবন ও জীবিকার তাগিদেই কার্যক্রম চালাতে হবে। এই করোনাভাইরাসকে নির্মূল করার জন্য আমাদের যে কয়টি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র রয়েছে সেসব নিয়ে ব্যাপকভাবে কার্যক্রম চালানোর উদ্যোগ নিয়েছি। এটাকে কীভাবে আরও বেগবান করা যায় এবং ঢাকাবাসী যেন চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত না হয় আমরা সেদিকে নগর রাখছি।

[১০] এদিকে ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, নগরজুড়ে ১০টি ওয়াটার বাউজারের মাধ্যমে ৭৬ লাখ ৩৩ হাজার লিটার জীবাণুনাশক ছিটানো হয়েছে। আজ থেকে ডিএনসিসির আওতাধীন প্রতিটি হাসপাতাল পরিচ্ছন্নতার আওতায় আনা হয়েছে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত