প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশনে বিতর্কিত ‘হংকং নিরাপত্তা আইন’ পাশের প্রস্তাব চীনের

লিহান লিমা: [২] আধা স্বায়ত্বশাসিত হংকংয়ে রাষ্ট্রদ্রোহ, সহিংসতা, বৈদেশিক হস্তক্ষেপসহ স্বাধীনতাপন্থিদের উত্থান ঠেকাতে আইনটি চালু করতে চাইছে চীন। সিএনএন, বিবিসি, আল জাজিরা

[২] শুক্রবার কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সভায় এটি নিয়ে বির্তক হবে। সাধারণত চীনের শীর্ষ নেতার নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোরই চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয় কংগ্রেসের এ বার্ষিক সভায়। এদিকে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা বলেছে, আইনটি ‘প্রায় পাসই’ হয়ে গেছে। মানবাধিকার কর্মীদের আশঙ্কা, এ আইন হংকংয়ে রাজনৈতিক স্বাধীনতার টুঁটি চেপে ধরতে পারে।

[৩] হংকংয়ের মিনি সংবিধানের আর্টিকেল ২৩ অনুযায়ী, বিদ্রোহ ও রাষ্ট্রদ্রোহের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের কথা বলা আছে। কিন্তু মানবাধিকার এবং বাক স্বাধীনতা ক্ষুন্ন হওয়ার আশঙ্কার এই আইন কখনোই প্রণয়ন করা হয়নি।

[৪] হংকংয়ে চীনের ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতি চালু রয়েছে। গত বছরের জুনে তীব্র গণআন্দোলনের মুখে চীন হংকংয়ের অপরাধী প্রত্যাপর্ণ বিল বাতিল করে। তারপরও করোনা মহামারীর আগ পর্যন্ত গণতান্ত্রিক হংকংয়ের দাবিতে বিক্ষোভ অব্যাহত ছিল।

[৫] নতুন করে আবার এ আইন করার চেষ্টায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে হংকংয়ে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) এক আইনপ্রণেতা বলেন, ‘১৯৯৭ সালে ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হওয়ার পর এটি এখন পর্যন্ত হংকংয়ের সবচেয়ে বিতর্কিত ঘটনা।’

[৬] এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবাদ মিছিলের ঘোষণা দিয়েছেন হংকংয়ের গণতন্ত্রকামীরা। এক টুইট বার্তায় হংকংয়ের গণতন্ত্রকামী নেতা জসুয়া ওং বলেন, বিক্ষোভকারীরা ভালোভাবে জানেন যে আমাদের আর কোন উপায় নেই।

[৭] এ দিকে চীনের কংগ্রেসে এই বিল উত্থাপনের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়েছে হোয়াইট হাউস। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, নতুন জাতীয় নিরাপত্তা আইনের নামে হংকংয়ের ওপর ‘অনভিপ্রেত’ কিছু চাপিয়ে দিলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখাবে।

[৮] ২০০৩ সালেও এমন একটি আইন প্রণয়নের চেষ্টা করেছিল চীন। প্রায় ৫ লাখ মানুষের বিক্ষোভের মুখে চীনের এই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।

[৯] ১৫০ বছর ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনে থাকার পর ইজারার মেয়াদ শেষে ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই হংকং চীনের কাছে ফেরত দেওয়া হয়েছিল। ২০৪৭ সাল অবধি অঞ্চলটির স্বায়ত্তশাসনের নিশ্চয়তা দিয়েছে দেশটি। নেতা নির্বাচনে হংকংয়ে ভোট দেয়ার সুযোগ পান ১২শ জনের একটি বিশেষ কমিটি, যদিও অঞ্চলটির জনসংখ্যা প্রায় ৭৪ লাখ।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত