শিরোনাম
◈ তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা ও সংঘর্ষের ভিডিও ভাইরাল, নিজের অবস্থান যা জানালেন ডাকসু নেতা (ভিডিও) ◈ এক বছরে জামায়াতের আয় কমে ২৩ কোটি ৬৮ লাখ, ব্যয় ছাড়াল ২৩ কোটি ৯১ লাখ ◈ ‘চায়নাম্যান স্পিনার’ ক্রিকেটের প্রতিভা থেকে চাঁদাবাজির সাম্রাজ্য, সামনে এলো ডেভিড ইমনের অপরাধের নেপথ্য কাহিনি ◈ ‌ফিফা ৪০ হাজার কোটি টাকায় বিশ্বকাপ বিক্রি কর‌তে চায়! বিতর্কে জড়িয়ে আ‌ছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম  ◈ ইসরায়েলি রাজ‌নৈ‌তিক বিশ্লেষক: নেতানিয়াহু ও ডোনাল্ড ট্রাম্প উভয়েই পতনের পথে ◈ শ‌নিবার বিএন‌পির স্থায়ী ক‌মি‌টির সভায় চুড়ান্ত হ‌তে পা‌রে নতুন রাষ্ট্রপতির নাম  ◈ মো‌দি সরকা‌রের বিরু‌দ্ধে আবার আন্দোলনের হুমকি ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির ◈ প্রতিবন্ধী তিন ব্যক্তির হাতে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ গ্যাস সংকট মোকাবিলায় আমদানিনির্ভর এলএনজি: বৈদেশিক মুদ্রা ও ভর্তুকিতে রেকর্ড চাপের আশঙ্কা ◈ চাকরির স্বপ্নে মানবপাচার, স্ক্যাম সেন্টার থেকে যুদ্ধক্ষেত্রে বাংলাদেশিরা

প্রকাশিত : ১৫ মে, ২০২০, ১০:৪০ দুপুর
আপডেট : ১৫ মে, ২০২০, ১০:৪০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] আরেকটি পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্র ধ্বংস করলো জার্মানি

সালেহ্ বিপ্লব : [২] দক্ষিণ পশ্চিম জার্মানির ফিলিপসবার্গ প্লান্টের এই টাওয়ারগুলোর প্রতিটির ‍উচ্চতা ছিলো ১৫০ মিটার। বুধবার সকাল ৬টায় টাওয়ারগুলো নামিয়ে আনা হয়। এটি আগে ছিলো নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর। এটি ধ্বংস করার মধ্যদিয়ে সাবেকী আমলের একটি শক্তির উৎসকে নিস্ক্রিয় করা হলো। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দুনিয়া থেকে সবুজ যেভাবে বিদায় নিতে শুরু করেছে, ধ্বংসের সেই ধারাকে ঠেকিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যেই জার্মানি এই কাজটি করেছে। ইয়ন, ডয়চে ভেলে

[৩] নিউক্লিয়ার চুল্লি সরিয়ে দিয়ে এখানে এখন একটি ট্রান্সফর্মার স্টেশন বসানো হবে। এটি উত্তর জার্মানি থেকে সবুজ বিদ্যুৎ আনবে। উল্লেখ্য সৌরবিদ্যুৎ ও জলবিদ্যুতকে সবুজ বিদ্যুৎ হিসেবে অভিহিত করা হয়, একই সঙ্গে জৈব উৎস থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতও এই তালিকাভূক্ত।

[৪] জার্মানি ধারাবাহিকভাবে পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন থেকে সরে আসছে। ফিলিপসবার্গ প্লান্টে দুটি চুল্লি ছিলো। প্রথমটি ২০১১ সালে ও অপরটি ২০১৯ সালে ধ্বংস করা হয়। এখনো জার্মানিতে ৬টি নিউক্লিয়ার প্লান্ট রয়েছে, যেগুলো ২০২২ সালের মধ্যেই বন্ধ করা হবে।

[৫] দেশটি পারমাণবিক বর্জ্য কমিয়ে এনে নাগরিকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে চায়। পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন করতে গিয়ে পৃথিবী অনেক ভয়ংকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছে। ফুকুশিমা, চেরনোবিল ও থ্রি মাইল আইল্যান্ডে ভয়াবহ বিস্ফোরণ এখনো বিশ্বের বুকে দগদগে ঘা হয়ে আছে। ওই বিস্ফোরণগুলোতে যে ক্ষতি হয়েছে, তা এখনো কাটিয়ে ওঠা যায়নি।

[৬] পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ করলেও এগুলোর ক্ষতিকর প্রভাব কাটিয়ে ওঠা এতো সহজ নয়। ধাপে ধাপে ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণ বন্ধ করতে ২৫ থেকে ১০০ বছর লাগে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়