শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের পাটপণ্যে নতুন শুল্ক বসাল ভারত, বাড়ল রপ্তানি চ্যালেঞ্জ! ◈ বিদেশে বাংলাদেশি মিশনে এমপিদের সফর-সভা নিয়ে নতুন নির্দেশনা ◈ ইথানলের উৎপাদন বাড়লেও নেই চাহিদা, ৭০০ কোটি লিটার উদ্বৃত্ত নিয়ে বিপাকে ভারত ◈ শি জিনপিং-ট্রাম্প বৈঠক: ৩০ বিলিয়ন ডলারের শুল্ক কমানোসহ ৮ সমঝোতা! ◈ বার বার বিমান বাংলাদেশে স্বর্ণের চালান ও কর্মীসহ আটক: ‘স্বর্ণের খনি’ হয়ে উঠছে উড়োজাহাজ? ◈ চট্টগ্রাম বন্দরে ট্রেইলার শ্রমিককে মারধরের অভিযোগ, বন্ধ কনটেইনার ডেলিভারি ◈ মিরপুরে হামলা-ভাঙচুরে ক্ষতিগ্রস্ত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় জামায়াতের ৫০ লাখ টাকা অনুদান ঘোষণা ◈ নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলার ঘটনায় এজহারভুক্ত আসামী গ্রেফতার মিজানুর রহমান ◈ দেশে চুরি হওয়া ফোন চীনে কিনে সেটি আবার ঢাকায়, প্র'তারিত বহু ব্যবসায়ী (ভিডিও) ◈ নীরবে খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, ২৮ বাংলাদেশি কর্মীর চাহিদাপত্র সত্যায়ন

প্রকাশিত : ১৫ মে, ২০২০, ১০:৪০ দুপুর
আপডেট : ১৫ মে, ২০২০, ১০:৪০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] আরেকটি পারমাণবিক বিদ্যুত কেন্দ্র ধ্বংস করলো জার্মানি

সালেহ্ বিপ্লব : [২] দক্ষিণ পশ্চিম জার্মানির ফিলিপসবার্গ প্লান্টের এই টাওয়ারগুলোর প্রতিটির ‍উচ্চতা ছিলো ১৫০ মিটার। বুধবার সকাল ৬টায় টাওয়ারগুলো নামিয়ে আনা হয়। এটি আগে ছিলো নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর। এটি ধ্বংস করার মধ্যদিয়ে সাবেকী আমলের একটি শক্তির উৎসকে নিস্ক্রিয় করা হলো। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দুনিয়া থেকে সবুজ যেভাবে বিদায় নিতে শুরু করেছে, ধ্বংসের সেই ধারাকে ঠেকিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যেই জার্মানি এই কাজটি করেছে। ইয়ন, ডয়চে ভেলে

[৩] নিউক্লিয়ার চুল্লি সরিয়ে দিয়ে এখানে এখন একটি ট্রান্সফর্মার স্টেশন বসানো হবে। এটি উত্তর জার্মানি থেকে সবুজ বিদ্যুৎ আনবে। উল্লেখ্য সৌরবিদ্যুৎ ও জলবিদ্যুতকে সবুজ বিদ্যুৎ হিসেবে অভিহিত করা হয়, একই সঙ্গে জৈব উৎস থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতও এই তালিকাভূক্ত।

[৪] জার্মানি ধারাবাহিকভাবে পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন থেকে সরে আসছে। ফিলিপসবার্গ প্লান্টে দুটি চুল্লি ছিলো। প্রথমটি ২০১১ সালে ও অপরটি ২০১৯ সালে ধ্বংস করা হয়। এখনো জার্মানিতে ৬টি নিউক্লিয়ার প্লান্ট রয়েছে, যেগুলো ২০২২ সালের মধ্যেই বন্ধ করা হবে।

[৫] দেশটি পারমাণবিক বর্জ্য কমিয়ে এনে নাগরিকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে চায়। পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন করতে গিয়ে পৃথিবী অনেক ভয়ংকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছে। ফুকুশিমা, চেরনোবিল ও থ্রি মাইল আইল্যান্ডে ভয়াবহ বিস্ফোরণ এখনো বিশ্বের বুকে দগদগে ঘা হয়ে আছে। ওই বিস্ফোরণগুলোতে যে ক্ষতি হয়েছে, তা এখনো কাটিয়ে ওঠা যায়নি।

[৬] পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ করলেও এগুলোর ক্ষতিকর প্রভাব কাটিয়ে ওঠা এতো সহজ নয়। ধাপে ধাপে ক্ষতিকর রশ্মি বিকিরণ বন্ধ করতে ২৫ থেকে ১০০ বছর লাগে।

 

  • সর্বশেষ