প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ১৭ মে’র পর কতটা লকডাউন, আজ মোদীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠক

মাজহারুল ইসলাম : [২] লকডাউনের সময়সীমা কি  বাড়ানো হবে, নাকি আগামী রোববারই শেষ হবে কিংবা রেড, অরেঞ্জ, গ্রিন জোনের পরিবর্তে অন্যভাবে কি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে হবে, এমন একাধিক প্রশ্নের আবহেই আজ সোমবার সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

[৩] জানা যায়, দুপুর ৩টায় রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠক শুরু করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গত ২৫ মার্চ দেশ জুড়ে লকডাউন শুরু হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে এটিই হবে মোদীর পঞ্চম বৈঠক।

[৪] সূত্রের খবর, কেন্দ্রের তরফে ইতোমধ্যেই স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে, গোটা দেশে একধাক্কায় লকডাউন না সরিয়ে সংক্রমণের হার অনুযায়ী ধাপে ধাপে তা উঠানো হবে। দেশের কোন কোন রাজ্যে অথবা এলাকায় লকডাউনের বিধিনিষেধের কড়াকড়ির মাত্রা কেমন হবে, তা নিয়েও আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। একাধিক রাজ্যের দাবি, রেড, অরেঞ্জ বা গ্রিন জোনের পরিবর্তে কনটেনমেন্ট এলাকা ধরে বিধিনিষেধের মাত্রা বাড়ানো বা কমানো হোক। অর্থাৎ, করোনা-সংক্রমণের হারের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হোক লকডাউনের বিধিনিষেধ।

[৫] কারণ, কোনও কোনও রাজ্যে আন্তদেশিয় শ্রমিকেরা নিজেদের বাড়িতে ফেরার পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় করোনা-সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজ্য সরকারগুলি। ফলে করোনা-সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে জটিলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আজকের বৈঠকে আন্তদেশিয় শ্রমিকদের প্রসঙ্গটিও আলোচ্য হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

[৬] পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ভাইরাসকে এখনই সহজে নির্মূল করা যাবে না। ফলে সাবধানতা অবলম্বন করে কী উপায়ে করোনা-সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, সে পন্থা খুঁজে বার করতে হবে দেশের সরকারকে।

[৭] সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আজকের ভিডিও কনফারেন্সের আগে গতকাল একটি বৈঠক করেছেন ক্যাবিনেটসচিব গৌরব গৌবা। দেশের সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্যসচিব ও স্বাস্থ্যসচিবদের সঙ্গে এ দিন করোনা নিয়ে ভিডিও কনফারেন্স করেন তিনি। ওই বৈঠকে জোন-ভিত্তিক এলাকা ভাগ নিয়ে আপত্তি তুলেছে বহু রাজ্য।

[৮] করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা না কমে দ্রুত গতিতে বেড়েই চলেছে। ফলে লকডাউন করে আদৌ লাভ হল কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে। এই অবস্থায় অর্থ ও স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তারা মনে করছেন, অর্থনীতিকে আর অচল রাখা সম্ভব নয়। সাবধানতা অবলম্বন করেই কাজকর্ম শুরু করে দিতে হবে। আনন্দবাজার

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত