প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নোয়াখালীর দূর্গত মানুষের নির্ভরতার স্থল একরামুল করিম চৌধুরী

আনিস তপন : করোনা ভাইরাস প্রদূর্ভাবের শুরুতেই নিজ নির্বাচনী এলাকার জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যাপক কর্মতৎপরতা শুরু করায় তাদের আস্থা ও নির্ভরতার স্থল হিসেবে পরিচিত পেয়েছেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী।

নোয়াখালী সদর ও সুবর্ণচর উপজেলায় ইতোমধ্যে নগদ চৌধুরী হিসেবে পরিচিত পাওয়া এই সংসদ সদস্য করোনা মাহামারীকালে সংসদীয় এলাকার কর্মহীন অসহায় দরিদ্র জনগণের দু:খ-দুর্দশা লাঘবে এরই মধ্যে প্রায় কোটি টাকার তহবিল গঠন করেছেন।

একরাম চৌধুরী ফাউণ্ডেশন নামের এই তহবিলে নিজে ৫০ লাখ টাকার অনুদান দিয়ে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদের অনুরোধ করেন দরিদ্রদের সহায়তায় অনুদান দেয়ার।

তার ডাকে সারা দিয়ে মানবিক এই উদ্যোগে এরই মধ্যে আওয়ামীলীগের স্থানীয় নেতা কর্মীরা ৫০০ টাকা থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুদান দিয়েছেন। যা দূর্যোগকালীন সময়েও অব্যাহত আছে।

এ প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী বলেন, আমি একাই নোয়াখালী ৪ ও ৫ আসনের সব দূর্গত মানুষকে সহায়তা করতে পারি। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাকে সেই সামর্থ দিয়েছেন। কিন্তু আমি চাই আমার সঙ্গে সমাজের সামর্থবান অন্যান্যরাও এই মানবিক কাজে এগিয়ে আসুক। কারণ অভাবী, অসহায় মানুষকে সহায়তা করার যে তৃপ্তি তারাও তা অনুভব করুক। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রী অসহায়দের পাশে দাড়ানোর জন্য এরই মধ্যে সমাজের সামর্থবানদের প্রতি উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন।

একরাম চৌধুরী ফাউন্ডেশন নামে সোনালী ব্যাংক, নোয়াখালী শাখায় একটি একাউন্ট খোলা হয়েছে জানিয়ে দরিদ্র অসহায় মানুষের ভরসার প্রতীক একরামুল করিম চৌধুরী বলেন, শুধু নোয়াখালী নয় চাইলে যে কেউ এই একাউন্টে অনুদান দিতে পারেন।

দূর্যোগ শুরু হওয়ার পর থেকে কর্মহীন মানুষদের এ পর্যন্ত এই ফাউণ্ডেশনের অর্থায়নে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে আয় রোজগারহীন মানুষের মাজে ৫২ লাখ টাকার খাদ্যসামগ্রী বিতরন করা হয়েছে।

এছাড়াও আমার নির্বাচনী এলাকার দুই উপজেলায় মধ্যবিত্ত পরিবার যারা মানুষের কাছে হাত পাততে পারে না বা শত অভাবেও কারো কাছে কিছু চাইতে পারে না এমন পরিবার চিহ্নিত করে তালিকা করে ২৮ লাখ টাকার ত্রাণ সামগ্রী তাদের বাড়ি বাড়ি পৌছে দেয়া হয়েছে।
তাছাড়া করোনা আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে করোনা রোগীর চিকিৎসায় ডাক্তার, নার্সসহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ১০ লাখ টাকার স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী দিয়েছি।

এর বাইরে এলাকার দরিদ্র জনগণের আর্থিক সমস্যা সমাধানে নোয়াখালী পৌরসভায় ১৭ লাখ, সদর উপজেলায় ১২ লাখ, সুবর্ণচর উপজেলায় ১১ লাখ, কবিরহাট উপজেলা ৫ লাখ ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় নগদ ৫ লাখ টাকা নগদ সহায়তা দিয়েছি।

একরামুল করিম চৌধুরী আরো বলেন, যতদিন দূর্যোগ থাকবে ততদিন আমি গরিব দুঃখী মানুষের পাশে আছি।
এই মানুষগুলো আমাকে খুব ভালোবাসে। তাই বিপদের এই মূহির্তে তাদের পাশে থেকে তাদের ভালোবাসার ঋণ শোধ করার চেষ্টা করছি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত