শিরোনাম
◈ একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, স্বজনদের দাবি রাতে খেয়েছিলেন নুডলস ◈ শিশু হাসপাতালে চিকিৎসকের কক্ষে ধূমপান, দেখেই বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর (ভিডিও) ◈ ড্যাপের নতুন সংশোধনীতে বুড়িগঙ্গার তীরে ভারী শিল্পের অনুমোদন, বন্যাপ্রবাহ এলাকায় আবাসন প্রকল্পের সুযোগ ◈ যুক্তরাষ্ট্রে ভিসার মেয়াদ পেরিয়ে অবস্থান করলে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, ফৌজদারি মামলার হুঁশিয়ারি মার্কিন দূতাবাসের ◈ ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থী-তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর দিতে নির্দেশনা ◈ বাংলাদেশে টমেটো ও আলুর সংগ্রহ-পরবর্তী বিভিন্ন পর্যায়ে নষ্ট এক-তৃতীয়াংশ ধানে ১০.২৪% ◈ ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রথম ম‌্যাচ সন্ধ‌্যায়, মু‌খোমু‌খি বাংলা‌দেশ ও জিম্বাবু‌য়ে ◈ মেসি-পরবর্তী যুগে আর্জেন্টিনার প্রথম দুই প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত ◈ কক্সবাজারের রিসোর্টে ভয়াবহ আগুনে টয়লেটে মিলল আরও ৪ লাশ, নিহত বেড়ে ১০ ◈ আগামী ২৪ ঘণ্টায় যেসব বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে

প্রকাশিত : ১৭ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:০০ সকাল
আপডেট : ১৭ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুসংস্কারের শিল্পকলা

মাসুদ রানা : প্রায় সব ধর্মেরই পপুলার রিপ্রেজেন্টেশন (জনপ্রিয় প্রতিধিনিধিত্ব) আজ পপুলার সুপারস্টিশনে (জনপ্রিয় কুসংস্কারে) পরিণত হয়েছে। কিন্তু কেন এবং কীভাবে? দেহ-মনের দ্বৈতসত্তার মানুষ শুধু ক্ষুধা ও অন্যান্য দেহগত চাহিদা নিবৃত্ত করেই বেঁচে থাকতে পারে না। তার মনেরও ক্ষুধা আছে। মনের ক্ষুধা মেটানোর উপকরণ কী? উপকরণ হচ্ছে দর্শন, শিল্প, সাহিত্য, সংগীত, নৃত্য, ক্রীড়া, চারুকলা, স্থাপত্যসহ নানা বিষয়। মনের ক্ষুধা মেটানোর প্রক্রিয়া হচ্ছে বিনোদন, যদিও তার রূপ হতে পারে বিভিন্ন। যদি প্রশ্ন করা হয়, বাঙালির বিনোদনের প্রকার ও প্রকাশ কী? আমি শহুরে নাগরিকদের বিনোদের কথা বলছি না। আমি গ্রাম-বাংলার কথা বলছি। আজ গ্রামে-গঞ্জে শৈল্পিক বিনোদন কোথায়? জনসাধারণ তাদের বিনোদনের ক্ষুধা নিবৃত্ত করবে কীভাবে? আর বিনোদন ছাড়া সামাজিক মানুষ বাঁচবে কীভাবে? লক্ষ্য করে দেখুন, যারা ধর্মীয় জলসা বা মাহফিলে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে পারফর্ম করেন, তারা প্রত্যেকেই কিন্তু একেকজন মেধাবী ও দক্ষ পারফর্মার। তারা শব্দ ও সুরের এক অপূর্ব সমন্বয় ঘটিয়ে স্টোরি-টেলিং বা কাহিনি বর্ণনা করে দর্শক-শ্রোতাদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন পুরোদস্তুর গান পরিবেশন করেন এবং সঙ্গে সঙ্গে খানিকটা নৃত্যের ভঙ্গিমাও করে থাকেন।
ধর্মবাদীরা তাদের কুসংস্করাচ্ছন্ন জীবনবোধ, দেশবোধ ও বিশ্ববোধ বিনোদনমূলক শিল্পের মাধ্যমে প্রচার করে শক্তিশালী প্রভাব বলয় বিস্তৃত করে চলেছে। এই বলয়ের মধ্যে এখন শিক্ষিত মধ্যবিত্তের অনেকই পতিত এবং তাদের সংখ্যা বাড়ছে। আপনারা যারা ওই ধর্মবাদীদের প্রকৌশলিত বাঙালি জাতি-বিভক্তির সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষমূলক প্রভাব থেকে জনগণকে মুক্ত করতে চান, ভেবে দেখবেন কি এই প্রশ্নটি : ‘কী দিচ্ছি আমরা জনগণকে’? ১৫/০৪/২০২০, ল-ন, ইংল্যা-

  • সর্বশেষ