শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের পরিণতি কী, জানালেন তিন বিশেষজ্ঞ ◈ রাজধানীতে শিশু অপহরণের অভিযোগ, সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল ◈ বিশ্বের নতুন মানচিত্র অনুমোদন দিলো জাতিসংঘ ◈ তিন দিনজুড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি-বজ্রপাত, কোথাও ভারী বর্ষণের আভাস ◈ নবম পে-স্কেলের গেজেট নিয়ে শেষ মুহূর্তে জটিলতা ◈ 'দেশের মানুষের কোনো উপকারে আসেনি': ভারতীয় কোম্পানিকে ব্যবসা গোটানোর নির্দেশ কেনিয়ার প্রেসিডেন্টের ◈ 'I'm Sorry Sir' লিখে চীনা ব্যবসায়ীর কোটি টাকা নিয়ে গাড়িচালক উধাও! ◈ পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ জন নিহত, চলছে তল্লাশি ◈ জলবায়ু ও যুদ্ধের ধাক্কা, বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ: জাতিসংঘ ◈ সরকার একা নয়, অংশীদারত্বে হবে চট্টগ্রামের পানি সংকটের সমাধান: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৭ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:০০ সকাল
আপডেট : ১৭ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুসংস্কারের শিল্পকলা

মাসুদ রানা : প্রায় সব ধর্মেরই পপুলার রিপ্রেজেন্টেশন (জনপ্রিয় প্রতিধিনিধিত্ব) আজ পপুলার সুপারস্টিশনে (জনপ্রিয় কুসংস্কারে) পরিণত হয়েছে। কিন্তু কেন এবং কীভাবে? দেহ-মনের দ্বৈতসত্তার মানুষ শুধু ক্ষুধা ও অন্যান্য দেহগত চাহিদা নিবৃত্ত করেই বেঁচে থাকতে পারে না। তার মনেরও ক্ষুধা আছে। মনের ক্ষুধা মেটানোর উপকরণ কী? উপকরণ হচ্ছে দর্শন, শিল্প, সাহিত্য, সংগীত, নৃত্য, ক্রীড়া, চারুকলা, স্থাপত্যসহ নানা বিষয়। মনের ক্ষুধা মেটানোর প্রক্রিয়া হচ্ছে বিনোদন, যদিও তার রূপ হতে পারে বিভিন্ন। যদি প্রশ্ন করা হয়, বাঙালির বিনোদনের প্রকার ও প্রকাশ কী? আমি শহুরে নাগরিকদের বিনোদের কথা বলছি না। আমি গ্রাম-বাংলার কথা বলছি। আজ গ্রামে-গঞ্জে শৈল্পিক বিনোদন কোথায়? জনসাধারণ তাদের বিনোদনের ক্ষুধা নিবৃত্ত করবে কীভাবে? আর বিনোদন ছাড়া সামাজিক মানুষ বাঁচবে কীভাবে? লক্ষ্য করে দেখুন, যারা ধর্মীয় জলসা বা মাহফিলে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে পারফর্ম করেন, তারা প্রত্যেকেই কিন্তু একেকজন মেধাবী ও দক্ষ পারফর্মার। তারা শব্দ ও সুরের এক অপূর্ব সমন্বয় ঘটিয়ে স্টোরি-টেলিং বা কাহিনি বর্ণনা করে দর্শক-শ্রোতাদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন পুরোদস্তুর গান পরিবেশন করেন এবং সঙ্গে সঙ্গে খানিকটা নৃত্যের ভঙ্গিমাও করে থাকেন।
ধর্মবাদীরা তাদের কুসংস্করাচ্ছন্ন জীবনবোধ, দেশবোধ ও বিশ্ববোধ বিনোদনমূলক শিল্পের মাধ্যমে প্রচার করে শক্তিশালী প্রভাব বলয় বিস্তৃত করে চলেছে। এই বলয়ের মধ্যে এখন শিক্ষিত মধ্যবিত্তের অনেকই পতিত এবং তাদের সংখ্যা বাড়ছে। আপনারা যারা ওই ধর্মবাদীদের প্রকৌশলিত বাঙালি জাতি-বিভক্তির সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষমূলক প্রভাব থেকে জনগণকে মুক্ত করতে চান, ভেবে দেখবেন কি এই প্রশ্নটি : ‘কী দিচ্ছি আমরা জনগণকে’? ১৫/০৪/২০২০, ল-ন, ইংল্যা-

  • সর্বশেষ