শিরোনাম
◈ তাহসিফ হত্যা মামলায় ৪ দিনের রিমান্ডে দীপ, বললেন ‘আমি ফুললি স্ট্রং’ ◈ ১১ দলের লংমার্চে যাননি নাহিদ, জামায়াতের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে এনসিপির? ◈ ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশিদসহ ৭ কর্মকর্তা বরখাস্ত, বাধ্যতামূলক অবসরে ১ ◈ মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল ফি ৮ হাজার টাকার বেশি নয়, অতিরিক্ত নিলেই কঠোর ব্যবস্থা ◈ ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে মিরপুরে ফের সড়ক অবরোধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ◈ ঢাকায় সাফ ফুটব‌লে অংশ নি‌তে দ্বিতীয় সারির দল ঘোষণা কর‌লো ভারত ◈ এইচএসসিতে ফেল ৫ লাখ ৯৪ হাজার শিক্ষার্থী, এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা মাসখানেকের মধ্যে ◈ এইচএসসি-সমমানের ফলে বড় ধস, কোন বোর্ডে পাশের হার কত? ◈ এবার এইচএসসি পরীক্ষায় ১৩৯ প্রতিষ্ঠানে সব শিক্ষার্থী পাশ ◈ আলিমে পরীক্ষায় পাশের হার ৬১ দশমিক ৭ শতাংশ

প্রকাশিত : ১৭ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:০০ সকাল
আপডেট : ১৭ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুসংস্কারের শিল্পকলা

মাসুদ রানা : প্রায় সব ধর্মেরই পপুলার রিপ্রেজেন্টেশন (জনপ্রিয় প্রতিধিনিধিত্ব) আজ পপুলার সুপারস্টিশনে (জনপ্রিয় কুসংস্কারে) পরিণত হয়েছে। কিন্তু কেন এবং কীভাবে? দেহ-মনের দ্বৈতসত্তার মানুষ শুধু ক্ষুধা ও অন্যান্য দেহগত চাহিদা নিবৃত্ত করেই বেঁচে থাকতে পারে না। তার মনেরও ক্ষুধা আছে। মনের ক্ষুধা মেটানোর উপকরণ কী? উপকরণ হচ্ছে দর্শন, শিল্প, সাহিত্য, সংগীত, নৃত্য, ক্রীড়া, চারুকলা, স্থাপত্যসহ নানা বিষয়। মনের ক্ষুধা মেটানোর প্রক্রিয়া হচ্ছে বিনোদন, যদিও তার রূপ হতে পারে বিভিন্ন। যদি প্রশ্ন করা হয়, বাঙালির বিনোদনের প্রকার ও প্রকাশ কী? আমি শহুরে নাগরিকদের বিনোদের কথা বলছি না। আমি গ্রাম-বাংলার কথা বলছি। আজ গ্রামে-গঞ্জে শৈল্পিক বিনোদন কোথায়? জনসাধারণ তাদের বিনোদনের ক্ষুধা নিবৃত্ত করবে কীভাবে? আর বিনোদন ছাড়া সামাজিক মানুষ বাঁচবে কীভাবে? লক্ষ্য করে দেখুন, যারা ধর্মীয় জলসা বা মাহফিলে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে পারফর্ম করেন, তারা প্রত্যেকেই কিন্তু একেকজন মেধাবী ও দক্ষ পারফর্মার। তারা শব্দ ও সুরের এক অপূর্ব সমন্বয় ঘটিয়ে স্টোরি-টেলিং বা কাহিনি বর্ণনা করে দর্শক-শ্রোতাদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন পুরোদস্তুর গান পরিবেশন করেন এবং সঙ্গে সঙ্গে খানিকটা নৃত্যের ভঙ্গিমাও করে থাকেন।
ধর্মবাদীরা তাদের কুসংস্করাচ্ছন্ন জীবনবোধ, দেশবোধ ও বিশ্ববোধ বিনোদনমূলক শিল্পের মাধ্যমে প্রচার করে শক্তিশালী প্রভাব বলয় বিস্তৃত করে চলেছে। এই বলয়ের মধ্যে এখন শিক্ষিত মধ্যবিত্তের অনেকই পতিত এবং তাদের সংখ্যা বাড়ছে। আপনারা যারা ওই ধর্মবাদীদের প্রকৌশলিত বাঙালি জাতি-বিভক্তির সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষমূলক প্রভাব থেকে জনগণকে মুক্ত করতে চান, ভেবে দেখবেন কি এই প্রশ্নটি : ‘কী দিচ্ছি আমরা জনগণকে’? ১৫/০৪/২০২০, ল-ন, ইংল্যা-

  • সর্বশেষ