শিরোনাম
◈ ‘অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা’, দুর্নীতিতে ‘জিরো টলারেন্স’: মন্ত্রী-এমপিদেরও ছাড় নয়, হুঁশিয়ারি তারেক রহমানের ◈ ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে বিভ্রান্তি, আবেদন করে রিজেক্ট হচ্ছেন অনেকে, জুন শেষে চালুর আশায় ঢাকা ◈ জ্বালানি সংকটের শঙ্কা নেই: মে মাসে আমদানি ৫ লাখ টনের বেশি ◈ ভারতের মধ্যপ্রদেশে ভোজশালা–কামাল মাওলা মসজিদকে সরস্বতী মন্দির ঘোষণা হাইকোর্টের ◈ বাংলা‌দে‌শের কা‌ছে টেস্ট হা‌রের পর পাকিস্তান দলকে আইসি‌সি মোটা অঙ্কের জরিমানা কর‌লো ◈ হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১২ জনের মৃত্যু ◈ বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্র সমুদ্রের লবণাক্ত পানি ঢুকে ধ্বংস হচ্ছে ফসল, বাড়ছে খাদ্যসংকটের শঙ্কা, বিপন্ন উপকূলীয় মানুষের জীবন ◈ মিসাইল ছোড়া ছাড়াই ইরান চুক্তি সফল করেছিলাম: বারাক ওবামা ◈ প্রবল বাতাস ৫০ ফুট উঁচুতে উড়িয়ে নিয়ে গেল টিনের চালাসহ এক ব্যক্তিকে, ভাঙল হাত-পা (ভিডিও) ◈ উপদেষ্টার কর্মকাণ্ডে উদ্বিগ্ন হয়ে ২০২৪ সালেই প্রশ্ন তুলেছিলাম: তাসনিম জারা

প্রকাশিত : ১৭ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:০০ সকাল
আপডেট : ১৭ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুসংস্কারের শিল্পকলা

মাসুদ রানা : প্রায় সব ধর্মেরই পপুলার রিপ্রেজেন্টেশন (জনপ্রিয় প্রতিধিনিধিত্ব) আজ পপুলার সুপারস্টিশনে (জনপ্রিয় কুসংস্কারে) পরিণত হয়েছে। কিন্তু কেন এবং কীভাবে? দেহ-মনের দ্বৈতসত্তার মানুষ শুধু ক্ষুধা ও অন্যান্য দেহগত চাহিদা নিবৃত্ত করেই বেঁচে থাকতে পারে না। তার মনেরও ক্ষুধা আছে। মনের ক্ষুধা মেটানোর উপকরণ কী? উপকরণ হচ্ছে দর্শন, শিল্প, সাহিত্য, সংগীত, নৃত্য, ক্রীড়া, চারুকলা, স্থাপত্যসহ নানা বিষয়। মনের ক্ষুধা মেটানোর প্রক্রিয়া হচ্ছে বিনোদন, যদিও তার রূপ হতে পারে বিভিন্ন। যদি প্রশ্ন করা হয়, বাঙালির বিনোদনের প্রকার ও প্রকাশ কী? আমি শহুরে নাগরিকদের বিনোদের কথা বলছি না। আমি গ্রাম-বাংলার কথা বলছি। আজ গ্রামে-গঞ্জে শৈল্পিক বিনোদন কোথায়? জনসাধারণ তাদের বিনোদনের ক্ষুধা নিবৃত্ত করবে কীভাবে? আর বিনোদন ছাড়া সামাজিক মানুষ বাঁচবে কীভাবে? লক্ষ্য করে দেখুন, যারা ধর্মীয় জলসা বা মাহফিলে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে পারফর্ম করেন, তারা প্রত্যেকেই কিন্তু একেকজন মেধাবী ও দক্ষ পারফর্মার। তারা শব্দ ও সুরের এক অপূর্ব সমন্বয় ঘটিয়ে স্টোরি-টেলিং বা কাহিনি বর্ণনা করে দর্শক-শ্রোতাদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন পুরোদস্তুর গান পরিবেশন করেন এবং সঙ্গে সঙ্গে খানিকটা নৃত্যের ভঙ্গিমাও করে থাকেন।
ধর্মবাদীরা তাদের কুসংস্করাচ্ছন্ন জীবনবোধ, দেশবোধ ও বিশ্ববোধ বিনোদনমূলক শিল্পের মাধ্যমে প্রচার করে শক্তিশালী প্রভাব বলয় বিস্তৃত করে চলেছে। এই বলয়ের মধ্যে এখন শিক্ষিত মধ্যবিত্তের অনেকই পতিত এবং তাদের সংখ্যা বাড়ছে। আপনারা যারা ওই ধর্মবাদীদের প্রকৌশলিত বাঙালি জাতি-বিভক্তির সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষমূলক প্রভাব থেকে জনগণকে মুক্ত করতে চান, ভেবে দেখবেন কি এই প্রশ্নটি : ‘কী দিচ্ছি আমরা জনগণকে’? ১৫/০৪/২০২০, ল-ন, ইংল্যা-

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়