শিরোনাম
◈ সঙ্গীসহ বিনামূল্যে ওমরাহ পালনের সুযোগ, আবেদন করবেন যেভাবে ◈ আট দিন ঝুপড়িতে বন্দি, পালানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ; কাঁচা কদু-ডাল খাইয়ে হাতে-পায়ে শিকল, যেভাবে পাহাড়ে চলত মানবপাচার ◈ এবার হবিগঞ্জে জাতীয় গ্রিডের পাইপলাইন ছিদ্র করে ৪ হাজার ২৯২ লিটার তেল চুরি ◈ পুলিশি হামলার বিচার চেয়ে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা শিক্ষার্থীদের ◈ কারাগারের নিরাপত্তা জোরদারে ৭ দফা নির্দেশনা, সিসিটিভি নজরদারি ও আকস্মিক পরিদর্শন বাধ্যতামূলক ◈ সরকারি দপ্তরে ঘুষ-খরচ কমলে শ্রমিকদের ৩০-৪০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া সম্ভব: মাসুদুজ্জামান ◈ দুই দশকের বেশি সময়েও থামেনি রাজনৈতিক সহিংসতা, সরকার বদলালেও বদলায়নি সংঘাতের চিত্র ◈ সাধারণ লবণের বদলে পটাশিয়ামসমৃদ্ধ লবণ ব্যবহারে বছরে ৩০ লাখ মৃত্যু ঠেকানো সম্ভব: গবেষণা ◈ হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি উৎস হিসেবে বিশ্ববাজারে গুরুত্ব বাড়ছে আফ্রিকার, বাড়ছে বিনিয়োগ! ◈ গাজীপুরের শ্রীপুর সাফারি পার্কে বিলুপ্তপ্রায় নীলগাইয়ের ঘরে একসঙ্গে ৪ শাবকের জন্ম, বেড়ে সংখ্যা ১৩

প্রকাশিত : ১৪ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:৪১ সকাল
আপডেট : ১৪ এপ্রিল, ২০২০, ০৬:৪১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ব্যবহৃত মাস্ক ধুয়ে বিক্রি ১০ লাখ টাকা জরিমানা

ইসমাঈল হুসাইন ইমু : [২] দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় চাহিদা বেড়েছে মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভসের। এসব পণ্য বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। এই সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ব্যবহার করা সার্জিক্যাল মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস ধুয়ে বাজারে বিক্রি করছিল। যাতে করোনাসহ স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে। অবশেষে চক্রটি ধরা পড়েছে র‌্যাবের হাতে।

[৩] সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর পান্থপথে এ এস ট্রেডিং নামে একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ সময় বিপুল পরিমাণ পূর্বে ব্যবহৃত মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস জব্দ করা হয়। পরে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা ও প্রতিষ্ঠানটির মালিক এ এস এম মুসাকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

[৪] র‌্যাব-২ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর এইচ এম পারভেজ আরেফিন আগামীনিউজকে জানান, দেশের বাজারে সার্জিক্যাল মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস বিক্রি করতে হলে ওষুধ প্রশাসন থেকে অনুমতি নিতে হয়। তারপর আমদানি করে বাজারে ছাড়তে হয়। কিন্তু এই প্রতিষ্ঠানটির এমন কোনো অনুমোদন ছিল না। এর থেকে গুরুত্বর অপরাধ তারা করেছে সেটা হলো- বিশ্বের নামিদামি ব্রান্ডের সার্জিক্যাল মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভসের বক্স তারা ধানমন্ডিতে তৈরি করে। পরে সেসব বক্সে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ব্যবহৃত সার্জিক্যাল মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস ধুয়ে প্যাকেট করে বাজারে বিক্রি করত। আর এজন্য নিজেদের মতো করে ব্রান্ড তৈরি করেছিল। যাতে তাদের কোনো অনুমোদন ছিল না। পুরোটাই ভুয়া।

[৫] মাস্ক কোথায় বানিয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা তাদের স্টোর রুমে পূর্বে ব্যবহৃত এসব জিনিস পেয়েছি। একটা নতুন মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস দেখলে তো বোঝার কথা। কিন্তু তাদের এগুলো দেখেই বোঝা যাচ্ছে পূর্বে ব্যবহৃত। এছাড়া মেঝেতে ধুলা বালির মধ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেলে রাখা ছিল। কোন কোন জায়গা থেকে এগুলো এনে প্রসেস করেছিল এসব বিষয় আমার গোয়েন্দা নজরদারিতে রেখেছি।

[৬] র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, প্রতিটা গ্লাভসের প্যাকেট একশ পিস করে থাকে। যেটার মূল্য থাকার কথা। কিন্তু তাদের প্যাকেটের গায়ে কোনো মূল্য কিংবা উৎপাদন তারিখ, মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ কিছুই ছিল না। এসব পণ্য পাইকারি দামে দোকানিদের কাছে দিয়ে দিতো, তারাই (দোকানিরা) তাদের মতো করে দাম বসিয়ে নিতো। দাম না দেওয়ার কারণ হিসেবে বাজারে চাহিদা বেশি তাই ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম হাঁকাতে পারবে। দেশের এই ক্লান্তিকালে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহৃত থাকবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

  • সর্বশেষ