শিরোনাম
◈ ঢাকায় নতুন কমিশনার, কুমিল্লা-সিলেটে নতুন ডিসি ◈ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মুগদা হাসপাতালকে ৫০০ শয্যা থেকে ১ হাজার শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : হাবিবুর রশীদ ◈ ২০১৬ সালে ভারতের নোট বাতিলের উদ্যোগের মতোই বাংলাদেশেও ৫০০ ও ১,০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব সংসদে! ◈ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র, মহাসড়কে তিন ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ◈ সরকারি সফরে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া গেলেন সেনাপ্রধান ◈ ইরানে টানা দ্বিতীয় দিনের মার্কিন হামলা, পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি আইআরজিসির ◈ মহাকাশ গবেষণায় জোর: আকস্মিকভাবে স্পারসো পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, আধুনিকায়নের নির্দেশ ◈ ইবোলা সতর্কতায় ভারতে সব আন্তর্জাতিক যাত্রীর জন্য বাধ্যতামূলক এয়ার সুভিধা ২.০ ◈ কোনো দেশের সরকারপ্রধান আরেক দেশের কাছে ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে যায় না, এ সমস্ত প্রশ্ন করবেন না, আমরা খুব বিব্রত হই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার দক্ষিণ কোরিয়াও ইরানের শাহেদ-১৩৬ ড্রোনের দেশীয় সংস্করণ তৈরি করবে

প্রকাশিত : ০৫ এপ্রিল, ২০২০, ০৯:৪৯ সকাল
আপডেট : ০৫ এপ্রিল, ২০২০, ০৯:৪৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] মহামারি করোনায় রাজধানীতে আসামি গ্রেপ্তার কমেছে

ডেস্ক নিউজ: [২] করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে ঘোষিত এ ছুটিতে রাজধানীর থানাগুলোতে আসামি গ্রেপ্তার উল্লেখযোগ্যহারে কমেছে।

[৩] ঢাকা সিএমএম আদালতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ ছুটিতে সিএমএম আদালতে প্রতিদিন বিকেল ৩টার দিকে দুটি করে আদালত বসছে। শুধু নতুন গ্রেপ্তার আসামিদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার জন্য। অপরাধের ধরন অনুযায়ী, কিছু আসামির জামিন হচ্ছে। যাদের হাজতখানা থেকেই মুক্তি দেওয়া হয়। সূত্র: সময় নিউজ, যমুনা নিউজ

[৪] আর যাদের জামিন নামঞ্জুর হয় তাদের কেরানীগঞ্জ কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে প্রয়োজন না হলে গ্রেপ্তার হয়ে আসা কোনো আসামিকেই আদালতের কাঠগড়ায় ওঠানো হচ্ছে না।

[৫] এ প্রসঙ্গে ঢাকা সিএমএম আদালতের হাজতখানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পুলিশের এসআই শহিদুল ইসলাম বলেন, রাজধানীর থানাগুলো থেকে আগে প্রতিদিন ১৫০ থেকে ২০০ জন গ্রেপ্তার আসামি আসতো। এখন তা কমে ২৫/৩০ জনে নেমে এসেছে।

[৬] তিনি আরও বলেন, রাজধানীতে ৫০টি থানা রয়েছে। আগে প্রত্যেক থানা থেকে গ্রেপ্তার আসামি আসতো। বর্তমানে কোনো কোনো থানা থেকে একজন আসামিও আসে না। আবার অনেক থাকায় একজন বা দুজন আসামি পাওয়া যায়।

[৭] সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনাভাইরাসের কারণে রাজধানীসহ দেশে অপরাধ প্রবণতা অনেক কমে এসেছে। তাই থানায় মামলা হাচ্ছে কম। এ ছাড়া পুলিশ প্রশাসন এ ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মাঠে কাজ করায় তারা পূর্বে মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে সময় দিতেও পারছেন না। তাই আসামি গ্রেপ্তার কমেছে।

[৮] উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গত ১৯ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল অফিস কারাগার থেকে কোনো আসামিকে আদালতে না আনতে বিজ্ঞপ্তি প্রদান করেন।

[৯] এরপর গত ২২ মার্চ জামিন শুনানি ও অন্যান্য জরুরি বিষয় ছাড়া সকল প্রকার মামলার কার্যক্রম মুলতবি রাখারও বিজ্ঞপ্তি প্রদান করেন। পরবর্তী সময়ে সরকারি ঘোষিত ছুটির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টসহ সকল আদালতে ছুটি ঘোষণা করে রেজিস্ট্রার জেনারেল অফিস। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়