শিরোনাম
◈ গণভোটে "হ্যাঁ"র পক্ষে প্রচার চালাতে সরকারী কর্মকর্তাদের সামনে কোনও আইনগত বাধা নেই: অধ্যাপক আলী রীয়াজ ◈ ধর্ম ও বিকাশ দিয়ে ভোট কেনা আচরণবিধির লঙ্ঘন নয়, প্রশ্ন রিজভীর ◈ বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দিলো আইসিসি ◈ সরকারি সুবিধা একীভূত করতেই ফ্যামিলি ও ফার্মার কার্ড: তারেক রহমান (ভিডিও) ◈ উপসাগরের পথে মার্কিন রণতরী, ইরানে হামলার শঙ্কায় বিশ্বজুড়ে ফ্লাইট বাতিল ◈ দ্রুত পোস্টাল ভোট পাঠাতে ইসির অনুরোধ, ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টার পর পাওয়া পোস্টাল ব্যালট গণনায় আসবে না ◈ জামায়াত নেতার বক্তব্যকে অপকৌশল আখ্যা, ভারতের সঙ্গে চুক্তির অভিযোগ নাকচ বিএনপির ◈ বেতন বাড়লেও কমেনি দুর্নীতি: সিভিল সার্ভিস সংস্কারের বহু উদ্যোগ বাস্তবায়নে ব্যর্থতা ◈ শেখ হাসিনা যা বলেননি, কোন দুঃখও প্রকাশ করেননি! ◈ কান্না থামছে না ভাইরাল কাকলি ফার্নিচারের মালিকের, কেন দেউলিয়া হলেন?

প্রকাশিত : ২৮ মার্চ, ২০২০, ০৪:০৯ সকাল
আপডেট : ২৮ মার্চ, ২০২০, ০৪:০৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] পদ্মাসেতুর ২৭তম স্প্যান বসেছে, দৃশ্যমান ৪ হাজার ৫০ মিটার

ডেস্ক রিপোর্ট : [২] শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে  ২৭তম স্প্যান বসানোর মাধ্যমে দৃশ্যমান হলো পদ্মাসেতুর চার হাজার ৫০ মিটার। শনিবার সকাল ৯টা ২৩ মিনিটে ২৭ ও ২৮ পিলারের উপর স্প্যানটি বসানো হয়। ২৬তম স্প্যান বসানোর ১০ দিনের মাথায় এটি বসানো হলো।  বাংলা নিউজ

[৩] করোনা ভাইরাস আতঙ্কের মধ্যেই দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীদের চেষ্টায় স্প্যানটি বসানো সম্ভব হয়। ১৪টি স্প্যান বসালেই সেতুর  বাকি ২.১ কিলোমিটার দৃশ্যমান হবে বরে জানিয়েছেন মূল সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আবদুল কাদের।

[৫] এর আগে শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে মাওয়া কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ভাসমান ক্রেন দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় স্প্যানটিকে। আবহাওয়া ও কারিগরি কোনো জটিলতা দেখা না দেওয়ায় অল্প সময়ের মধ্যেই স্প্যানটি স্থাপন করা সম্ভব হয়।

[৬] প্রকৌশল সূত্রে জানা গেছে, পদ্মাসেতুতে বসানোর জন্য স্প্যান প্রস্তুত আছে পাঁচটি। এপ্রিল মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে আরো দুইটি স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা আছে প্রকৌশলীদের। সারাদেশে করোনা ভাইরাস আতঙ্কের মধ্যে কাজের গতিতে প্রভাব পড়েছে। দেশি শ্রমিকের বড় একটি অংশ ছুটি নিয়েছে।

[৭] ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো।

[৮] ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।

সম্পাদানা : সিরাজুল ইসলাম

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়