প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

করোনা : আমরা কেউই ঝুঁকিমুক্ত নই

হানিফ সংকেত : সুহৃদ সবাইকে জানাচ্ছি মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।করোনা কোভিড-১৯ ভাইরাসের সংক্রমণে বাংলাদেশসহ প্রায় পুরো বিশ্বই এখন আক্রান্ত, আতঙ্কিত। এই মুহূর্তে এ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রধান ও উত্তম সচেতনতা হচ্ছে ঘরে থাকা যাতে রোগটি সংক্রমিত হতে না পারে। আশার কথা হচ্ছে গত কয়েকদিনে ঢাকাসহ সারাদেশের মানুষ ঘরে থাকতে শুরু করেছেন এবং রাস্তাঘাটও ফাঁকা হতে দেখা যাচ্ছে। তবে যারা লম্বা ছুটি পেয়ে দলে দলে গায়ে গা লাগিয়ে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে যার যার গ্রামের বাড়িতে গেছেন এবং যারা করোনা প্রতিরোধক নিদের্শনা না মেনে অসচেতনভাবে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন তাদের প্রতি অনুরোধ, আপনার এই অসচেতনতা যেমন আপনাকে আক্রান্ত করতে পারে, তেমনি আপনার দ্বারাও আক্রান্ত হতে পারে আপনার পরিবারসহ আরও অনেকেই। সুতরাং অনতিবিলম্বে আপনারাও করোনা প্রতিরোধক নিদের্শনাগুলো মেনে চলুন এবং নিজ নিজ গৃহে অবস্থান করুন। মনে রাখবেন আমরা কেউই এই রোগের ঝুঁকিমুক্ত নয়। সুতরাং প্রয়োজন সচেতনতা এবং সর্বাত্মক সর্তকতা। এ সময় ঘরে থাকা মানুষেরা অত্যন্ত উৎকণ্ঠার সঙ্গে দেশের প্রচার মাধ্যমগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকেন সর্বশেষ সংবাদ জানার জন্য। তবে অত্যন্ত উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার সঙ্গে লক্ষ্য করছি করোনার মতো ভয়ংকর সংক্রামক ব্যাধির কারণে চলমান সংকটময় পরিস্থিতিতেও ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে কর্মরত গণমাধ্যম কর্মীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা এখনো নিরাপত্তাহীন অবস্থায় নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের কাজ করে যাচ্ছেন।
শুধু মাস্ক পরে ভিড়ের মধ্যেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাদের কাজ করতে দেখা গেছে। সবার নিরাপত্তার স্বার্থে গণমাধ্যম কর্মীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের (যারা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন) ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী বা পারসোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরবরাহের অনুরোধ জানাচ্ছি। আর একটি বিষয় উল্লেখযোগ্য এখনো অনেক চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী সুরক্ষা উপকরণ বা পিপিই পাননি বলে সংবাদ মাধ্যমে দেখলাম। যেহেতু চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীরাই সরাসরি রোগীদের সংস্পর্শে এসে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন, সুতরাং তাদের পিপিই বা সুরক্ষা উপকরণই প্রয়োজন সর্বাগ্রে। মনে রাখতে হবে এই মুহূর্তে আমাদের সব সমস্যার বড় সমস্যা এই করোনা। এ থেকে মুক্তির জন্য যা যা করা প্রয়োজন সেটাই করতে হবে সবার আগে। আমাদের সবার সম্মিলিত সচেতন যুদ্ধেই সম্ভব হবে এই করোনা প্রতিরোধ। আসুন আমরা সবাই করোনা প্রতিরোধের নিয়মগুলো মেনে চলি। সবাই নিরাপদে থাকি। একটি বিপদমুক্ত বিশ্বে যেন আমরা আবার বুক ভরে নিঃশ্বাস নিতে পারি এই প্রত্যাশা করছি। ফেসবুক থেকে

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত