শিরোনাম
◈ ঈদে চন্দ্রা টার্মিনালে ঘরমুখী মানুষের চাপ, ১০ কিমি দীর্ঘ যানজট ◈ শিলাবৃষ্টি ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ না ফেরার দেশে অভিনেতা শামস সুমন ◈ ইরান-ইসরাইল-মার্কিন যুদ্ধে ভারতের ওপর ৫০ বিলিয়ন ডলারের ধাক্কা ◈ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে বরফ গলছে! ◈ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নাকচ, কঠোর অবস্থানে মোজতবা খামেনি ◈ এক দশকে বাংলাদেশের অর্ধেক তরুণ চাকরি পাননি: বিশ্বব্যাংক ◈ নববর্ষে চালু হচ্ছে কৃষক কার্ড, প্রথম ধাপে ২১ হাজার কৃষক পাচ্ছেন সহায়তা ◈ ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা লারিজানিকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের ◈ মশক নিধনে ঢাকার দুই সিটিকে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দেশীয় প্রযুক্তিতে জোর

প্রকাশিত : ১৪ মার্চ, ২০২০, ১২:৫৯ দুপুর
আপডেট : ১৪ মার্চ, ২০২০, ১২:৫৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] মানিকগঞ্জে প্রবাসী হোম কোয়ারেন্টাইনে সংখ্যা বেড়ে ১৬৯ জন

সোহেল হোসাইন, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: [২] গত ২৪ ঘণ্টায় মানিকগঞ্জে আরও ৬০ প্রবাসীকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। আগের দিন এই সংখ্যা ছিলো ১০৯। তাদের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ না থাকলেও বিদেশ ফেরত হওয়ার কারণে তাদেরকে নিজ নিজ বাসায় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন আনোয়ারুল আমিন আখন্দ।

[৩] তিনি আরও বলেছেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ১০ মার্চ থেকে বিদেশফেরত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও তাদেরকে তাদের নিজ বাড়িতে পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম শুরু করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মানুষদের সার্বিক সহযোগিতায় জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের দেশে বাসা প্রবাসীদের শনাক্ত করা হচ্ছে।

[৪] গত ১০ মার্চ শনাক্ত হয় ৫৯ জন, ১১ মার্চ ২০ জন, ১২ মার্চ ৩০জন এবং আজ (শুক্রবার) সকাল ১০টা পর্যন্ত ৬০ জন প্রবাসীকে শনাক্ত করা হয়েছে। গত চারদিনে জেলায় মোট ১৬৯ প্রবাসীকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

[৫] তিনি আরও জানান, করোনা প্রতিরোধে মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালের পুরাতন ভবনের দ্বিতীয় তলায় ১৬ বেডের আইসোলেশন ইউনিট ও মানিকগঞ্জ জেলা শহরের কেওয়ারজানি এলাকায় আঞ্চলিক জনসংখ্যা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ১০০-শয্যার কোয়ারেন্টাইন ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

[৬] করোনা প্রতিরোধে গঠিত কমিটির সদস্যরা প্রতিনিয়ত পর্যবেক্ষণে থাকা ব্যক্তিদের খোঁজ খবর নিচ্ছেন বলেও জানান তিনি।

[৭] এদিকে, বিভিন্ন স্থানে গিয়ে দেখা গেছে বিদেশ ফেরত ব্যক্তিরা এবং কোয়ারেন্টাইনে থাকা প্রবাসীরা স্বাস্থ্যবিভাগের নির্দেশনা উপক্ষো করে এলাকায় ঘোরাফেরা করছেন। তারা বলছেন তাদের ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ না থাকায় তারা স্বাভাবিক চলাচলা ফেরা করছেন।

[৮] এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন বলেন, দেশপ্রেমিক সচেতন নাগরিক হিসেবে সকলকে একযোগে চেষ্টা করতে হবে। শুধুমাত্র স্বাস্থ্য বিভাগ একা এই কাজ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে পারবে না। সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানা তিনি। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়