শিরোনাম
◈ তারেক রহমানকে ভারত কেন দুটি আমন্ত্রণ দিয়েছিল, জানাল দিল্লি ◈ যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি বেড়েছে ১১.৪২ শতাংশ ◈ কূটনীতিক পরিচয়ে ভুয়া সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট, সতর্ক করলো ঢাকার মার্কিন দূতাবাস ◈ পশ্চিমবঙ্গে মাদকের চেয়েও বিপজ্জনক বস্তু এখন গরুর মাংস ◈ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৫৯৩ ◈ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ৬০ লাখের বেশি মিথ্যা মামলা হয়েছে: আইনমন্ত্রী ◈ ১৪ মাস পর ডলার বিক্রি শুরু করল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ স্পীকারের সঙ্গে ফ্রান্সের সংসদীয় প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ : দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে সংসদীয় ককাস গঠনের ওপর গুরুত্ব ◈ ঢাকার দুই সিটিতে প্রার্থী প্রায় চূড়ান্ত—নির্দলীয় ভোটেও বিএনপি-জামায়াতের সমর্থনেই জমবে লড়াই ◈ ছাত্রদলের দুই ধারার দ্বন্দ্বে ইতি, একই মঞ্চে আমান–রিজভী: রাজনীতিতে নতুন বার্তা

প্রকাশিত : ১৩ মার্চ, ২০২০, ০৭:০৫ সকাল
আপডেট : ১৩ মার্চ, ২০২০, ০৭:০৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] রাজধানীতে মোবাইল ব্যাংকিং জালিয়াতি চক্রের হোতা আটক, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এজেন্টদের কমিশন দিয়ে গ্রাহকদের নম্বর সংগ্রহ করা হতো

সুজন কৈরী : [২] মিরপুর ১ নম্বরের সি ব্লকের ১৯ নম্বর রোডের ৩৩ নম্বরস্থ ৫ তলা বাড়ির ২য় তলায় বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে ওই চক্রের মূল হোতা মো. সোহেল আহম্মেদকে (৩৬) আটক করে র‌্যাব-৩। তার কাছ থেকে চার্জারসহ ১টি ল্যাপটপ, ১টি মাল্টিসীম গেটওয়ে, ১টি সিগন্যাল বুস্টার, ৩টি মডেম এবং বিপুল পরিমান সীমকার্ড ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়।

[৩] শুক্রবার র‌্যাব-৩ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল রকিবুল হাসান বলেন, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এজেন্টদের নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন দিয়ে গ্রাহকদের নম্বর সংগ্রহ করতো চক্রটি। এরপর মোবাইল ব্যাংকিং অফিসের নম্বর ক্লোন করে গ্রাহককে ফোন দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিতো। ২০১৭ সাল থেকে আটক সোহেল প্রতারণা করছেন উল্লখ করে র‌্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, প্রতারণার মাধ্যমে সোহেল এখন পর্যন্ত বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

[৪] সোহেল মাদকাসক্ত হওয়ায় যা আয় করেছে তা মাদকের পিছনেই ব্যায় করে ফেলেছেন বলে আমরা ধারনা করছি।

[৫] তিনি আরও জানান, সোহেল তার চক্রের আরো ৪/৫ জনের নাম বলেছে। দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।

[৬] চক্রের প্রতারণার কৌশলের বিষয়ে র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক জানান, কোন গ্রাহক যদি মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেন করতো, তাহলে সেই নম্বর ও তথ্য এজেন্টরা তাদেরকে জানিয়ে দিতো। তখন তারা মোবাইল ব্যাংকিং কোম্পানির নম্বর ক্লোন করে সেন্ডার বা রিসিভার করে কল দিয়ে বলতো- মোবাইল ব্যাংকিংয়ের অফিস থেকে বলছি, আপনি যে টাকা পাঠিয়েছেন বা এসেছে, সেই টাকা ভুল নম্বরে চলে গেছে। এরপর কৌশল অবলম্বন করে গ্রাহকদের বিভিন্ন কোড ডায়াল করতে বলতো। অথবা তারা ম্যাসেজ দিয়ে বিভিন্ন লিংক পাঠাতো। গ্রাহকরা সেই কোড বা লিংকে ক্লিক করলেই প্রতারক চক্র টাকা নিয়ে নিতে পারতো।

  • সর্বশেষ