শিরোনাম
◈ তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন করে কী হচ্ছে ◈ ২০২৭ সালের হজে নতুন প্যাকেজ, এক চুক্তিতেই থাকা-খাওয়া-যাতায়াত ◈ জিয়ার খুনি মোজাফফরকে যে পরামর্শ দেন শেখ হাসিনা ◈ সালমান এফ রহমানকে বাদ দিয়ে বেক্সিমকো ফার্মার নতুন পর্ষদ অনুমোদন ◈ ইসলামী ক্রেডিট কার্ড: ব্যবহার করা যাবে না অনৈতিক কাজে ◈ ২০২৬ সালেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ, ভিনগ্রহীর সঙ্গে যোগাযোগ! বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী ঘিরে চাঞ্চল্য ◈ অপ্রতিমকে হত্যার আগে গোয়েন্দা সিরিজ দেখে ‘নিখুঁত অপরাধের’ ছক, জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ রিজার্ভ সামান্য কমলেও বাড়ছে রেমিট্যান্স ◈ তিন জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ, একজনের বদলি ◈ বিসিবির নতুন টুর্নামেন্টের ছয় দলের কোচ কারা হ‌লেন

প্রকাশিত : ১৩ মার্চ, ২০২০, ০৭:০৫ সকাল
আপডেট : ১৩ মার্চ, ২০২০, ০৭:০৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] রাজধানীতে মোবাইল ব্যাংকিং জালিয়াতি চক্রের হোতা আটক, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এজেন্টদের কমিশন দিয়ে গ্রাহকদের নম্বর সংগ্রহ করা হতো

সুজন কৈরী : [২] মিরপুর ১ নম্বরের সি ব্লকের ১৯ নম্বর রোডের ৩৩ নম্বরস্থ ৫ তলা বাড়ির ২য় তলায় বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে ওই চক্রের মূল হোতা মো. সোহেল আহম্মেদকে (৩৬) আটক করে র‌্যাব-৩। তার কাছ থেকে চার্জারসহ ১টি ল্যাপটপ, ১টি মাল্টিসীম গেটওয়ে, ১টি সিগন্যাল বুস্টার, ৩টি মডেম এবং বিপুল পরিমান সীমকার্ড ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়।

[৩] শুক্রবার র‌্যাব-৩ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল রকিবুল হাসান বলেন, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এজেন্টদের নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন দিয়ে গ্রাহকদের নম্বর সংগ্রহ করতো চক্রটি। এরপর মোবাইল ব্যাংকিং অফিসের নম্বর ক্লোন করে গ্রাহককে ফোন দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিতো। ২০১৭ সাল থেকে আটক সোহেল প্রতারণা করছেন উল্লখ করে র‌্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, প্রতারণার মাধ্যমে সোহেল এখন পর্যন্ত বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

[৪] সোহেল মাদকাসক্ত হওয়ায় যা আয় করেছে তা মাদকের পিছনেই ব্যায় করে ফেলেছেন বলে আমরা ধারনা করছি।

[৫] তিনি আরও জানান, সোহেল তার চক্রের আরো ৪/৫ জনের নাম বলেছে। দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।

[৬] চক্রের প্রতারণার কৌশলের বিষয়ে র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক জানান, কোন গ্রাহক যদি মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেন করতো, তাহলে সেই নম্বর ও তথ্য এজেন্টরা তাদেরকে জানিয়ে দিতো। তখন তারা মোবাইল ব্যাংকিং কোম্পানির নম্বর ক্লোন করে সেন্ডার বা রিসিভার করে কল দিয়ে বলতো- মোবাইল ব্যাংকিংয়ের অফিস থেকে বলছি, আপনি যে টাকা পাঠিয়েছেন বা এসেছে, সেই টাকা ভুল নম্বরে চলে গেছে। এরপর কৌশল অবলম্বন করে গ্রাহকদের বিভিন্ন কোড ডায়াল করতে বলতো। অথবা তারা ম্যাসেজ দিয়ে বিভিন্ন লিংক পাঠাতো। গ্রাহকরা সেই কোড বা লিংকে ক্লিক করলেই প্রতারক চক্র টাকা নিয়ে নিতে পারতো।

  • সর্বশেষ