শিরোনাম
◈ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে চালু হচ্ছে জিপিএস প্রযুক্তি ◈ প্রক্রিয়াজাত খাদ্য থেকে এআই : বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব ◈ মার্কিন নৌবহর কমান্ডারের সঙ্গে বৈঠক, সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহ বাংলাদেশের ◈ বিদ্বেষমূলক না হলে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আইনগত বাধা নেই: চিফ প্রসিকিউটর ◈ ইং‌লিশ ফুটবলার জর্ডান হেন্ডারসন দুই বছরের চুক্তিতে চেলসিতে ◈ ভাইরাল ফোনালাপ ঘিরে ওসির বিরুদ্ধে ই'য়া'বা চাওয়ার অভিযোগ (অডিও) ◈ ঘরে মিলল একই পরিবারের তিন সদস্যের মরদেহ,, সবার মাথায় আঘাতের চিহ্ন পেয়েছে পুলিশ ◈ নাম পাল্টালো বিশ্বের তৃতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ ◈ ঢাকায় আসছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইংলিশ ফুটবলার অ্যাডাম আব্বাস ◈ এবার অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল নিয়ে মুখ খুললেন মিজানুর রহমান আজহারী

প্রকাশিত : ১৩ মার্চ, ২০২০, ০৭:০৫ সকাল
আপডেট : ১৩ মার্চ, ২০২০, ০৭:০৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] রাজধানীতে মোবাইল ব্যাংকিং জালিয়াতি চক্রের হোতা আটক, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এজেন্টদের কমিশন দিয়ে গ্রাহকদের নম্বর সংগ্রহ করা হতো

সুজন কৈরী : [২] মিরপুর ১ নম্বরের সি ব্লকের ১৯ নম্বর রোডের ৩৩ নম্বরস্থ ৫ তলা বাড়ির ২য় তলায় বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে ওই চক্রের মূল হোতা মো. সোহেল আহম্মেদকে (৩৬) আটক করে র‌্যাব-৩। তার কাছ থেকে চার্জারসহ ১টি ল্যাপটপ, ১টি মাল্টিসীম গেটওয়ে, ১টি সিগন্যাল বুস্টার, ৩টি মডেম এবং বিপুল পরিমান সীমকার্ড ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়।

[৩] শুক্রবার র‌্যাব-৩ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল রকিবুল হাসান বলেন, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এজেন্টদের নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন দিয়ে গ্রাহকদের নম্বর সংগ্রহ করতো চক্রটি। এরপর মোবাইল ব্যাংকিং অফিসের নম্বর ক্লোন করে গ্রাহককে ফোন দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিতো। ২০১৭ সাল থেকে আটক সোহেল প্রতারণা করছেন উল্লখ করে র‌্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, প্রতারণার মাধ্যমে সোহেল এখন পর্যন্ত বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

[৪] সোহেল মাদকাসক্ত হওয়ায় যা আয় করেছে তা মাদকের পিছনেই ব্যায় করে ফেলেছেন বলে আমরা ধারনা করছি।

[৫] তিনি আরও জানান, সোহেল তার চক্রের আরো ৪/৫ জনের নাম বলেছে। দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।

[৬] চক্রের প্রতারণার কৌশলের বিষয়ে র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক জানান, কোন গ্রাহক যদি মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেন করতো, তাহলে সেই নম্বর ও তথ্য এজেন্টরা তাদেরকে জানিয়ে দিতো। তখন তারা মোবাইল ব্যাংকিং কোম্পানির নম্বর ক্লোন করে সেন্ডার বা রিসিভার করে কল দিয়ে বলতো- মোবাইল ব্যাংকিংয়ের অফিস থেকে বলছি, আপনি যে টাকা পাঠিয়েছেন বা এসেছে, সেই টাকা ভুল নম্বরে চলে গেছে। এরপর কৌশল অবলম্বন করে গ্রাহকদের বিভিন্ন কোড ডায়াল করতে বলতো। অথবা তারা ম্যাসেজ দিয়ে বিভিন্ন লিংক পাঠাতো। গ্রাহকরা সেই কোড বা লিংকে ক্লিক করলেই প্রতারক চক্র টাকা নিয়ে নিতে পারতো।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়