শিরোনাম
◈ ‘ইসলামিক ন্যাটোতে’ বাংলাদেশের যোগদানের সম্ভাবনা, ভারত কেন এত উদ্বিগ্ন : ফার্স্টপোস্টের প্রতিবেদন ◈ ঢাকার চীনা দূতাবাসে ইমেইলে হামলার হুমকি, শুরু হয়েছে তদন্ত ◈ ‘বিয়ের ফাঁদে’ চীনে পাচার : ৫ বছরে গেছেন ৪২২৬ বাংলাদেশি নারী, অনেকের স্বপ্ন পরিণত হয়েছে ‘অভিশপ্ত নরকে’ ◈ খাটের নিচে ছেলে, ছাদে স্ত্রী-মেয়ে; অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়িতে ৪ লাশ ◈ এআইয়ের কাছে কখনোই চাইবেন না এই ৫ পরামর্শ ◈ সকালের মধ্যে দেশের ৭ জেলায় ঝরতে পারে বৃষ্টি ◈ সৌদি-তুর্কি-পাকিস্তানের জোটে যোগ দেয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ‘ইতিবাচক’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ◈ ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, বৃটেনে পুলিশ কর্মকর্তাসহ সাতজন নিহত ◈ বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা: বাণিজ্যমন্ত্রী ◈ কলকাতার ৭ বাংলাদেশি নিহত: সেই হোটেল মালিক গ্রেপ্তার

প্রকাশিত : ০৬ মার্চ, ২০২০, ০৪:২২ সকাল
আপডেট : ০৬ মার্চ, ২০২০, ০৪:২২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বগুড়া থেকে কিশোর গ্যাংয়ের ২সদস্য গ্রেপ্তার

আরএইচ রফিক,বগুড়া প্রতিনিধি:  [২] জেলার মফস্বল থেকে আসা ৩ স্কুল ছাত্রের মধ্যে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায় কুখ্যাত গ্যাং এর লিডার সিজু ওরফে মিজু ।

[৩] গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, বগুড়ার মালগ্রাম উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা মুন্নার ছেলে রাসেল (১৯) এবং একই এলাকার রায়হানের ছেলে রাফি (১৮)। পলাতক তাদের সঙ্গীর নাম সিজু (২০)।

[৪] পুলিশের একটি দায়িত্বশীল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, গত বুধবার সকালে জেলার ধুনট থেকে নাঈম,আঃ রকি এবং রেজওয়ান নামের ৩ স্কুল ছাত্র বগুড়া শহরে কেনাকাটা করতে ও বেড়াতে আসে। তারা এসময় শহরের রানার প্লাজা থেকে একটি স্মার্ট মোবাইল ফোন কেনে এবং কেনাকাটার এক পর্যায়ে হোটেলে খাওয়া দাওয়া সেরে স্থানীয় পৌর পার্কে ঘুড়তে যায় ।

[৫] এসময় আগে থেকে তাদের পিছু নেয়া কিশোর গ্যাং এর ৩ সদস্য  তৎপর হয়। এক পর্যায়ে ওই ছাত্ররা  পার্ক থেকে বেড়িয়ে এলে তাদের গা ঘেষে কথা আছে বলে ছোঁরা দেখিয়ে ২টি রিক্সায় উঠিয়ে নেয় আটককৃতরা । এর এক পর্যায়ে তাদের বহনকারী রিক্সা শহরের খান্দার এলাকায় পৌছলে ৩ ছাত্রের মধ্য ২জন সুযোগ পেয়ে রিক্সা থেকে লাফিয়ে পালিয়ে আসে। পরে তারা তাদের আত্মীয়র মাধ্যমে বিষয়টি কেন্দ্রীয় পুলিশের ৯৯৯ নং এ ঘটনা জানিয়ে সাহার্য্য প্রার্থনা করে। ৯৯৯ এর নির্দেশনায়  বিষয়টি জানতে পেয়ে তৎপর হয় সদর থানা পুলিশ।

[৬] উল্লেখ্য , শহরের বিভিন্ন স্থানে পরিবারের এক শ্রেণীর বখে যাওয়া কিশোর অপরাধী যাদের অধিকাংশই স্কুল ছাত্র তারা বিভিন্ন সময়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে ওৎ পেতে অপেক্ষা করে থাকে । বিভিন্ন কৌশলে সুযোগ বুঝে কোন অল্প বয়সী নিরীহ  শিক্ষার্থীদের ’কথা আছে’ কিম্বা ’ওই মেয়ে তোমার সাথে কথা বলতে চায়’ কিম্বা ’তাকে তুমি ইভটিজিং করেছে’ বড় ভাই ডাকছে এমন কৌশলে ডেকে নেয়।

[৭] এক পর্যায়ে ছোরার ভয় দেখিয়ে রিক্সা কিম্বা অটোরিক্সায় তুলে নিয়ে নির্জন কোন স্থানে নিয়ে গিয়ে কিংবা আটকে রেখে সর্বস্ব ছিনিয়ে নেয় তারা। এছাড়াও সুযোগ বুঝে তাকে আটক রাখা হয়েছে নিদিষ্ট অংকের মুক্তিপন দিলে তাকে ছাড়া হবে এমন ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয় তারা । সম্পাদনা: তিমির চক্রবর্ত্তী

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়