শিরোনাম
◈ মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা: শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ১৪ ফ্লাইট বাতিল ◈ তৃতীয় দফায় মিসাইল ছুড়ল ইরান, ইসরায়েলজুড়ে বাজলো সাইরেন ◈ জ্বালানি সংকট সামাল দিতে দ্বিগুণ দামে এলএনজি কিনল সরকার ◈ উপসাগরে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা: ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া  ◈ জ্বালানি, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স—যুদ্ধের প্রভাবে বাড়ছে অর্থনৈতিক ঝুঁকি ◈ ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া ◈ জ্বালানি তেল পাচার রোধে বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির নিরাপত্তা জোরদার ◈ আমার ফ্ল্যাট থেকে কয়েক কদম দূরেই ‘যমুনা’, যেখানে ঘটেছে অসংখ্য নাটকীয় ঘটনা: শফিকুল আলম ◈ ঈদকে সামনে রেখে এলিফ্যান্ট রোড ও নিউমার্কেটে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় ◈ ইরান–সংঘাত থামাতে কিছু দেশের মধ্যস্থতার চেষ্টা: পেজেশকিয়ান

প্রকাশিত : ০১ মার্চ, ২০২০, ০৭:৫২ সকাল
আপডেট : ০১ মার্চ, ২০২০, ০৭:৫২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১]নজিরবিহীন ঘটনা: দিল্লিতে মন্দির পাহারায় মুসলিমরা মসজিদে হিন্দুরা

যুগান্তর : [২] নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) ঘিরে দিল্লিতে সহিংসতার মধ্যে নজিরবিহীন ঘটনা ঘটেছে। উত্তর দিল্লির মৌজপুরের নূর-ই-ইলাহি গলিতে পাশাপাশি অবস্থিত আজিজিয়া মসজিদ এবং হনুমান মন্দির রক্ষায় পাহারা দিয়েছেন অপর ধর্মের অনুসারীরা। সহিংসতার উত্তাপ টের পেতেই হনুমান মন্দির পাহারা দিয়েছেন মুসলিমরা। অপরদিকে আজিজিয়া মসজিদ পাহারা দিয়েছেন হিন্দুরা। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

[৩]দিল্লির সহিংসতায় একাধিক অশান্ত চিত্র যেমন সামনে এসেছে, তেমনই মন্দির-মসজিদ রক্ষায় উঠে এসেছে গণতান্ত্রিক দেশের ঐক্যের চিত্র। মৌজপুরে সহিংসতার খবর পৌঁছতেই নূর-ই-ইলাহির মন্দির-মসজিদ এলাকায় তখন ঐক্যের চিত্র। একত্রিত হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লড়াই। সতর্ক হয়ে যান বাসিন্দারা। সহিংসতার খবর পেতেই মন্দির আগলে ধরেন মুসলিমরা, হিন্দুরা পাহারা দিলেন মসজিদ।

[৪]রোববার এলাকায় পাথর ছোড়াছুড়ি শুরু হতেই এলাকার সিনিয়র নাগরিকরা বৈঠকে বসেন। একসঙ্গে ঠিক করেন হিংসা নয়, পারিপার্শ্বিক অবস্থা যাই হোক না কেন, এতদিন যেভাবে ছিলেন এখনও তেমনভাবেই থাকবেন তারা। এলাকার বাসিন্দা ফয়জান বলেন, আমাদের এ অঞ্চলে হিন্দু-মুসলমানের কোনো বিভেদ নেই। আমাদের শৈশব মন্দির ও মসজিদে কেটেছে। খবরটি ছড়িয়ে পড়ার কিছুক্ষণ পর, একদল মন্দিরের পাশ থেকে গলিতে প্রবেশের চেষ্টা করেছিল।

[৫]উভয় উপাসনালয়ে আক্রমণ করতে চেয়েছিল তারা। তবে আমরা প্রতিরোধ করেছি। একই এলাকার বাসিন্দা সুনীল কুমার বলেন, আমাদের একে অপরের প্রতি বিশ্বাস রয়েছে। অনেকেই আহত হয়ে আমাদের এলাকায় আসেন চিকিৎসার জন্য। তাদের সুস্থ করে বাড়ি পৌঁছে দিয়েছি। আমাদের এ সম্প্রীতি আগামীতেও একই থাকবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়