এ জেড এম নুরুল হক : ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সুখী-সমৃদ্ধ দেশ নির্মাণের স্বপ্ন নিয়ে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্ব নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর আমরা স্বাধীনতা অর্জন করি। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে গঠিত সরকার যথাযথভাবেই উপলব্ধি করে যে, দরিদ্রতা, নিরক্ষরতা, পশ্চাদপদতা, সাম্প্রদায়িকতা ও দুর্নীতিমুক্ত এক উন্নত, সমৃদ্ধ, সুখী মর্যাদাশীল জাতি গড়তে শিক্ষার প্রসারকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এ কারণে বঙ্গবন্ধু যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশে সীমিত সম্পদ থাকা সত্বেও ৩৭,১৬৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেন।
বর্তমান সরকার বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে নানামুখি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ২০০৯ সনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঠিত সরকার ২০২১ সনের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত করতে রূপকল্প ২০২১ প্রণয়ন করে। রূপকল্প ২০২১ এ শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়। প্রণয়ন করা হয় জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০১০। সরকারের শিক্ষাবান্ধব কর্মসূচি ও প্রণোদনার ফলে জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় নির্ধারিত সর্বস্তরে শিক্ষার প্রসার ঘটেছে। বিদ্যালয়ে ভর্তির হার বেড়েছে, কমেছে ঝরে পড়ার হার। বছরের শুরুতে নতুন বই প্রদান, উপবৃত্তিসহ শিক্ষার নানাবিধ সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের বিপুল যুবকশ্রেণিকে মানবসম্পদে পরিনত করা সম্ভব হয়েছে, যারা উন্নত জ্ঞান ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করে দেশের অর্থনীতির চাকাকে বেগবান করছে।
জাতীয় পর্যায়ের ন্যায় চাঁপাইনবা