শিরোনাম
◈ ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে গ্রেপ্তার ২৭২ জন ◈ এলন মাস্কের টেসলাকে চ্যালেঞ্জ, রোডস্টারের ওপর দিয়ে উড়ল আলেফের উড়ন্ত গাড়ি! ◈ অনুমতি ছাড়াই অন্যের ওয়ালেট থেকে পরীক্ষামূলক ইথেরিয়াম খরচ করল ওপেনএআইয়ের গবেষণা মডেল ◈ নারী শ্রমিকদের কল্যাণে গুরুত্ব, রিবা আন্তর্জাতিক স্থাপত্য পুরস্কারে বিশ্বের সেরা নতুন ভবন রংপুরের গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি ◈ ইনানী রিসোর্টে আগুন: ফজরের পর সৈকতে গিয়ে বাঁচলেন দুই বান্ধবী, প্রাণ গেল মুক্তার ◈ আ‌লিং হলান্ডের জোড়া গোলে ম‌্যান‌চেস্টার সিটির জয় ◈ তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন, আবেদন শুরু ১ নভেম্বর ◈ কুমিল্লায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমির দ্বন্দ্বে যুবদল নেতা খুন : পুলিশ সুপার ◈ দেশ গঠনে যুবসমাজকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ কলকাতায় দুর্গাপূজার মণ্ডপে পদদলিত হয়ে নিহত ১৭, ১৩ নারী ও ১ শিশু

প্রকাশিত : ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১২:১২ দুপুর
আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১২:১২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্বাদে-ঘ্রাণে অতুলনীয় গাইবান্ধার মরিচ

মাজহারুল ইসলাম : বাম্পার ফলন আর ভালো দাম পাওয়ায় গাইবান্ধার চরাঞ্চলের কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। চাষিরা জানিয়েছেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ক্রয় প্রতিনিধিরা ক্ষেত থেকেই মরিচ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। যায়যায়দিন

জেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান বলেন, চরাঞ্চলের মরিচ গুণে-মানে আকর্ষণীয়। ফ্লেভার অনেক ভালো। স্বাদে অতুলনীয়। উৎকট গন্ধ নেই। তা ছাড়া এই মরিচ শতভাগ স্থানীয় জাতের।

তিনি আরও বলেন, চলতি বছর এ জেলায় ১২ হাজার ১১২ বিঘা জমিতে মরিচ চাষের লক্ষ্য ছিলো। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ১২ হাজার ৭৮৭ বিঘা জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ফুলছড়ি উপজেলায় চরাঞ্চল বেশি। তাই এ উপজেলায় অন্য ৬ উপজেলার চেয়ে বেশি মরিচ চাষ হয়েছে। এই জেলার নদী-তীরবর্তী চরাঞ্চলে এখন মাঠের পর মাঠ কাঁচা-পাকা মরিচ। আর তাই জমি পরিচর্যা এবং মরিচ তোলার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা।

বাঘবাড়িচর গ্রামের মরিচ চাষী আশরাফ বলেন, এটি একটি লাভজনক ফসল। অল্প খরচে বেশি লাভ পাওয়া যায়। এবার ৮ বিঘা জমিতে দেশি জাতের মরিচ চাষ করেছেন তিনি। মরিচ চাষে প্রতি বিঘায় ১৫-১৬ হাজার টাকা খরচ হয়। প্রতি বিঘায় উৎপাদন হয় ৬০ থেকে ৬৫ মণ। বর্তমানে প্রতিমণ কাঁচা মরিচ ৯৫০ থেকে ১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি চারা লাগানোর উপযুক্ত সময়। ফলন পাওয়া যায় দুই মাস পর থেকে।

অন্যান্য ফসলের তুলনায় মরিচ চাষে বেশি লাভ হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় চাষিরা । খাটিয়ামারি গ্রামের গোলাপ হোসেন (৫৩) বলেন, তিনি প্রায় ৬ বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেছেন। তার মরিচে পাক ধরেছে। সপ্তাহে একবার মরিচ তোলেন তিনি। এরপর ফুলছড়ি হাটে নিয়ে তা বিক্রি করেন। সেখান থেকে প্রাণ কোম্পানির পাইকাররা মরিচ কিনে নিয়ে যায়। আবার ক্ষেত থেকেও বেচা হয়।

ওই গ্রামের গোলেনুর বেগম (৪৫) বলেন, চরের মরিচ বিক্রি নিয়ে কোনও চিন্তা করতে হয়না। সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের হাসানপাড়া গ্রামের আমশের আলী (৩৫) বলেন, চরের বাইরে উঁচু জমিতেও মরিচের ফলন ভালো হয়। তবে কাঁচা মরিচের তুলনায় পাকা মরিচের চাহিদা ও দাম বেশি বলে তিনি জানান।

সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খাজানুর রহমান বলেন, জমিতে হালকা চাষ দিয়ে মরিচের বীজ রোপণ করতে হয়। পরে ধারাবাহিকতা রক্ষা করে নিড়ানি, সামান্য সেচ ও সার দিতে হয়। মূলত পরিচর্যাই আসল কাজ।

  • সর্বশেষ