শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি সাক্ষর: ১৯ শতাংশে নামল শুল্ক, তৈরি পোশাকে নতুন সুবিধা ◈ ট্রাম্পের হামলা হুমকির মধ্যে ৩৭ বছরের রীতি ভাঙলেন খামেনি ◈ ইন্টারনেট-টেলিযোগাযোগ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে নির্দেশ দিয়েছে ইসি ◈ অবশেষে পিছু হটলো ইসি, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার  ◈ যে কারণে এবারের বাংলাদেশ নির্বাচন ঘিরে ভারতের বিশেষ আগ্রহ ও তীক্ষ্ণ নজর ◈ এই নির্বাচন শুধু ক্ষমতা পরিবর্তনের নয়, এটি দেশের ভবিষ্যৎ পুনর্গঠনের নির্বাচন : তারেক রহমান ◈ ক্ষতিপূরণ নয়, আই‌সি‌সি আয় থেকে বাংলাদেশকে পূর্ণ অংশ দেয়ার আশ্বাস দি‌য়ে‌ছে ◈ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতলে দেশ পাল্টে যাবে, আর অপশাসন ফিরবে না: প্রধান উপদেষ্টা ◈ দেশের রিজার্ভে বড় সুখবর ◈ অতীতের ভুল স্বীকার করে জাতির কাছে ক্ষমা চাইলেন তারেক রহমান, ভোটের সমর্থনে নতুন অঙ্গীকার

প্রকাশিত : ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৮:২১ সকাল
আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৮:২১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইভিএম’ এ ভোট দেয়ার প্রক্রিয়া

মাজহারুল ইসলাম : ভোটাররা যন্ত্রটির সঙ্গে এখনও ততোটা পরিচিত না হলেও ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আজ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ করা হবে। এর আগে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রচার-প্রচারণা ও মক ভোটের আয়োজনের মাধ্যমে ভোটারদের ইভিএমে ভোট দিতে আগ্রহী করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, একটি ইভিএম মেশিনে প্রায় ৪ হাজার ভোট গ্রহন করা যায়। তাতে সর্বোচ্চ ৬৪ প্রার্থীর তালিকা থাকে। এতে বাটন চাপ দিয়েই অক্ষরজ্ঞানহীন ব্যক্তিও ভোট দিতে পারেন। প্রতিটি ভোট দিতে সময় লাগবে আনুমানিক ১৪ সেকেন্ড। তবে কোনোভাবেই একজন ভোটারের একটির বেশি ভোট দেয়ার সুযোগ থাকে না। সাধারণ ব্যালট ভোটের মতো কেন্দ্রেও সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে পোলিং এজেন্ট, নেতাকর্মীসহ পর্যবেক্ষকরা তো থাকবে। ইভিএম মেশিনে পূর্ব-প্রোগ্রামিং করা একটি মাইক্রোচিপ থাকে। যা প্রতিটি ভোটের ফল তাৎক্ষণিকভাবে হিসাব করে প্রদর্শন করে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ভোটকেন্দ্রের নির্ধারিত কক্ষে প্রিসাইটিং অফিসার প্রত্যক ভোটারের জাতীয় পরিচয়পত্র বা স্মার্টকার্ড, আঙুলের ছাপ ও নম্বর যাচাই করে ভোটার হিসেবে নিশ্চিত করবেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট ছবি ও তথ্যাবলি একটি মনিটরে প্রদর্শিত হবে। যাতে সব প্রার্থীর এজেন্টরা ওইসব তথ্য দেখতে পারেন। ভোটার হিসেবে শনাক্তকরণের পর গোপন কক্ষে থাকা ইভিএম মেশিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে সচল হবে। যতোগুলো পদের জন্য ভোট প্রদান করতে হবে, কক্ষের ভেতরে ঠিক ততোগুলো ডিজিটাল ব্যালট ইউনিট রাখা থাকবে। ইউনিটে প্রার্থীদের প্রতীক বামপাশে এবং নাম ডানপাশে দেখা যাবে। পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে তার প্রতীকের বামপাশের কালো বাটনে চাপ দিতে হবে। এ সময় প্রতীকের পাশে বাতি জ্বলে উঠবে। ভোট নিশ্চিত করতে ডানপাশের সবুজ বাটনে চাপ দিতে হবে। একই প্রক্রিয়ায় অন্যান্য পদের জন্যও ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

কোনও কারণে আপনি যদি ভুল প্রতীক শনাক্ত করেন, তবে সবুজ বাটন চাপ দেয়ার আগে তা সংশোধন করতে পারবেন। ভুল সংশোধনের আগে ডানপাশের লাল বাটনে চাপ দিন। এতে ভুল করে দেয়া পূর্বের ভোটটি বাতিল হয়ে যাবে। ফলে নতুন করে ভোট দেয়ার সুযোগ পাবেন। পুনরায় সঠিকভাবে প্রতীকের পাশের বাটনে এবং সবুজ বাটনে চাপ দিয়ে ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। সবুজ বাটন চাপ দেয়ার পর ভোট দেয়া প্রতীক ছাড়া বাকি সব প্রতীক অদৃশ্য হয়ে যাবে। আর তখনই নিশ্চিত হওয়া যাবে, ওই নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোটারের ভোট প্রদান সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়