প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আড়িয়াল বিলে বঙ্গবন্ধু বিমানবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা খতিয়ে দেখছে বিমান মন্ত্রণালয়

লাইজুল ইসলাম : মুন্সিগঞ্জের আড়িয়াল বিলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয় ২০১০ সালে। পরের বছর জমি অধিগ্রহণ শুরু হলে স্থানীয়দের বাধায় ভেস্তে যায় প্রকল্পটি।

আন্দোলনের কারণে মুখ থুবড়ে পরে আড়িয়াল বিলে বিমানবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা। এমনকি পরিকাল্পনা বাতিল করতে বাধ্য হয় সরকার। তবে এখন আবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জন্য ঘুরে ফিরে আসছে সে জায়গারই নাম। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বলছে, স্থানীয় জনগণ ও সংসদ সদস্যদের সম্মতিতেই সেখানে বিমানবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা খতিয়ে দেখছে সরকার।

আড়িয়াল বিলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ প্রকল্প বাতিলের প্রায় ৪ বছর পর উপযুক্ত জায়গা খুঁজতে জাপানি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিপ্পন কোয়েইর সঙ্গে চুক্তি করে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। শরীয়তপুরের জাজিরা ও মাদারিপুরের শিবচরে জমি পাওয়া গেলেও সামনে আসে ৮ হাজার পরিবারকে পুনর্বাসনের চ্যালেঞ্জ। এতে সেখানেও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারছে না সরকার।

বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মুহিবুল হক বলেন, বিমানবন্দর করতে গেলে আট কিলোমিটার লম্বা ও পাঁচ কিলোমিটার চওড়া একটি জমি দরকার। এটি পাওয়া একটু কষ্টসাধ্য। মাওয়া জাজিরা বা শিবচরে এত পরিবারকে পুনর্বাসন একটি জটিল প্রক্রিয়া । এসব মিলিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যগণ ও জনগণের চাওয়ার করণে আবারও বিমানবন্দর নির্মানের সম্ভাব্যতা যাচাই করে রিপোর্ট দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের এভিয়েশন খাত বড় হচ্ছে ৭ শতাংশেরও বেশি হারে। সে হিসেবে ২০৩৫ সালের পর বাড়তি চাপের মুখে পড়বে শাহজালাল বিমানবন্দর। সে সময়ের আগেই বিকল্প ব্যবস্থার জন্য আড়িয়াল বিলে বিমানবন্দর নির্মাণে, পরিবেশগত দিকগুলো যাচাইয়ের পরামর্শও দিচ্ছেন তারা।

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ এটিএম নজরুল ইসলাম বলেন, এটি হলে সবার জন্যই ভালো হবে। দক্ষিণে যদি এমন একটি এয়ারপোর্ট পাওয়া যায়, তবে সারা দেশের সঙ্গে কানেক্টিভিটিটা ভালো হবে। উত্তরেও এমন একটি বড় এয়ারপোর্ট করা গেলে, সেটা আরও ভালো হবে।

কৃষি জমি দিকে আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে। এতে যেন কোন ভাবে পরিবেশের ক্ষতি না হয় সেদিকে নজর দিতে বলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

বঙ্গবন্ধু বিমানবন্দরের প্রস্তাবনায়, ৩ রানওয়েতে দিনে চারশ যাত্রীবাহী ও দুশ কার্গোবাহী ফ্লাইট ওঠা-নামার সুযোগ রাখা হয়েছে। ২০১০ সালে মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রকল্প অনুমোদনের সময় এর ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫০ হাজার কোটি টাকা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত