শিরোনাম
◈ বেনাপোলে পাচারের শিকার ২৮ শিশুর স্বদেশ প্রত্যাবাসন ◈ এবার জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর নামে পাল্টা মামলা ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানালেন ভারতের স্পিকার ◈ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় ১০ উপদেষ্টা নিয়োগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ বিএনপি শপথ না নেওয়ায় সংবিধান সংস্কার পরিষদের এখন কী হবে ◈ পররাষ্ট্র মন্ত্রী হলেন ড. খলিলুর রহমান ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ড. ইউনূসের শুভেচ্ছা বিনিময় ◈ বুধবার স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ কানাডাকে হা‌রি‌য়ে বিশ্বকা‌পের সুপার এইটে নিউজিল্যান্ড  ◈ ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় জামায়াতের জয় পশ্চিমবঙ্গে কীভাবে দেখা হচ্ছে?

প্রকাশিত : ৩০ জানুয়ারী, ২০২০, ০৮:২২ সকাল
আপডেট : ৩০ জানুয়ারী, ২০২০, ০৮:২২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্লোগানের রাজনীতির বাইরে যে বাস্তবের নীতি, সে আর কবে?

 

সুব্রত বিশ্বাস : প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতেই পারে ৭১ : বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক বার্তা আপনাদের হয়তো আর দরকার নাই, কিন্তু আপনাদের লয়ে আসবার দরকারটি আছে। অন্যথা সেই পূর্বের বৈচিত্র্যময় পরিবেশ, সংযোগের ঐতিহ্য আমরা ফিরে পাবো না। রাজনীতির অলঙ্কার বাদ দিলেও বার্তাটির মধ্যে যে উদারতার ইঙ্গিত, আঞ্চলিক বা জাতীয় আর কোনো নেতার বক্তব্যে এ যাবৎ তার লেশ পাওয়া গিয়েছে কি? কতো বছর বছর পূর্ণ হলো সেই ভয়ঙ্কর অন্যায়ের। চার দশক আগে, ভয়াবহ ধ্বংসলীলায় নষ্ট হয়েছে বহু প্রাণ, ধ্বস্ত হয়েছে বহু সম্পর্ক। অতঃপর পরিবারগুলোর কিছু কিছু বিদেশ ও দেশে সুস্থিত হয়েছে, অধিকাংশই এখনো অসহায়তার শিবিরে ডুবে আছে। তাতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব যতোখানি, জনদায়িত্ব তদপেক্ষা কিছু কম নহে। রাজনীতির এক বিরাট অংশ আবর্তিত হতে থাকে পাকিস্তানের যুদ্ধ ঘিরে। পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ হতে রসদ সংগ্রহ করে বাংলাদেশ রাজনীতির বিবিধ ধারা। কিন্তু নির্যাতিত মানুষদের নিয়ে কোনো প্রতিকারমূলক কাজের শপথ রাজনীতির কর্মকা-ে গুরুত্বপূর্ণ স্থান নিয়ে নয় না বাম, না মধ্য, না দক্ষিণ পক্ষের রাজনীতি।

বাস্তবিক সত্তর বছর বয়সী প্রজাতন্ত্রের জন্য এটা এক বিরাট লজ্জার কথা হয়। কোনো রাজনীতির ধ্বজাধারীদের পক্ষে মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসনের দাবি শোনা গিয়েছে কি? অবশ্যই আওয়ামী লীগ, সরকার বিষয়টি জনমানসে নতুনভাবে উজ্জীবিত হওয়ায় বিশেষ প্রফুল্ল আওয়ামী লীগ সরকার । তবে কি না, স্লোগানের রাজনীতির বাইরে যে বাস্তবের নীতি, সেখানে কিন্তু বিএনপি, নেতৃবর্গের ব্যর্থতা তাদের ও অন্যান্য রাজনৈতিক সহকর্মীদের অপেক্ষা কোনো অংশে কম নয়। ১৯৯০-এর পর দীর্ঘকাল পুনর্বাসনের বিষয়ে নিশ্চুপ নীরবতার মধ্যে বলতে হয়, শেখ হাসিনা দলের নেতা হিসেবে শীর্ষে এসে বিষয়টিতে মন দেন এবং সরকারের অন্য শরিক পার্টির স্তরের মুখপাত্রের সঙ্গে একত্র বসে একটি নীতি প্রণয়নের চেষ্টা করেন, উন্নয়নর জন্য মুক্তিযোদ্ধার জন্য। সে চেষ্টা যে সফল হয়নি পুরোপুরি তার প্রধান কারণ বিএনপির উচ্চারিত তর্ক ও অনুচ্চারিত বিরোধিতা। বিএনপির দিক হতে উৎসাহব্যঞ্জক সাড়ার অভাবের প্রমাণ ইতোমধ্যে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে নথিবদ্ধ। আওয়ামী লীগ, এখানে একক দায়ী... প্রশ্ন নয়। আওয়ামী লীগও ঠিক একই নীতিজাড্যের ঠেকায় পরে উন্নয়ন ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য এতোদিনেও কিছু চেষ্টা যে সফল করে উঠেনি পুরোপুরি, তবে কিছু করতে না পারা, আর কিছু না করেও কুমিরছানার মতো নির্যাতিতদের দেখিয়ে ভোটের খেলায় গোল দেওয়ার বাসনা এই দুইয়ের মধ্যে অনৈতিকতার পরিমাণের তারতম্য আছে। সেই অনৈতিকতার শিকার একটি সমগ্র মানবগোষ্ঠী, এই ভাবনা গণতন্ত্রের পক্ষে লজ্জাজনক। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়