শিরোনাম
◈ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্র পুনর্গঠনের কাজে হাত দিবে বিএনপি: তারেক রহমান ◈ ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের বিষয়ে জামায়াত আমিরের কড়া বার্তা ◈ লিভারপুলের বিরু‌দ্ধে ম‌্যান‌চেস্টার সি‌টির ক‌ষ্টের জয়  ◈ তিনমুখী সংকটের মাঝেও কড়া মুদ্রানীতিতেই অটল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ বিবিসির দৃষ্টিতে ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক: কেন তলানিতে দুই দেশের বন্ধন ◈ যেসব কারণে বাতিল হতে পারে ভোট: কী বলে নির্বাচন আইন ◈ নির্বাচনের ফল কবে প্রকাশ হবে জানাল নির্বাচন কমিশন ◈ বিশ্বের প্রথম জেন–জি অনুপ্রাণিত নির্বাচন হচ্ছে বাংলাদেশে, ভারতের প্রভাব কমছে চীনের বাড়ছে ◈ ইরানের পারমাণু ইস্যুতে ভূমিকা রাখতে ইউরোপ কেন হিমশিম খাচ্ছে ? ◈ অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার দেড় বছরে ‌দে‌শের অর্থনীতি কতটা পাল্টালো?

প্রকাশিত : ২৯ জানুয়ারী, ২০২০, ১১:১৩ দুপুর
আপডেট : ২৯ জানুয়ারী, ২০২০, ১১:১৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গবেষণায় চুরি, ঢাবি ওষুধপ্রযুক্তি বিভাগের সেই লুৎফুলকে অব্যাহতি

সারাবাংলা : পিএইচডি গবেষণা অভিসন্দর্ভে (থিসিস) চুরির অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ওষুধপ্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবুল কালাম লুৎফুল কবীরকে প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিয়েছে ঢাবি প্রশাসন। একইসঙ্গে তার অভিযোগ তদন্তের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরিন আহমাদকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সহযোগী অধ্যাপক লুৎফুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি তিনি এই দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি পাবেন।

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরিন আহমাদ বলেন, ‘সিন্ডিকেট সভায় ওষুধপ্রযুক্তি বিভাগের ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে পিএইচডি থিসিস জালিয়াতির অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ায় তাকে প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ তদন্তের জন্য আমাকে আহ্বায়ক তরে করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’

ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক হাসানুজ্জামান, ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ এস এম আব্দুর রহমান, সিন্ডিকেট সদস্য মিজানুর রহমানও এই তদন্ত কমিটিতে আছেন বলে জানান উপউপাচার্য। সুনির্দিষ্ট সময়ও বেঁধে না দিলেও যত দ্রুতসম্ভব তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে বলে জানান তিনি।

২০১৪ সালে ‘টিউবারকিউলোসিস অ্যান্ড এইচআইভি কো-রিলেশন অ্যান্ড কো-ইনফেকশন ইন বাংলাদেশ: অ্যান এক্সপ্লোরেশন অব দেয়ার ইমপ্যাক্টস অন পাবলিক হেলথ’ শীর্ষক ওই নিবন্ধের ওপর পিএইচডি গবেষণা করেন আবুল কালাম লুৎফুল কবীর। তার এই গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ওষুধপ্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আবু সারা শামসুর রউফ, সহতত্ত্বাবধায়ক ছিলেন বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক অধ্যাপক আ ব ম ফারুক। ওই অভিসন্দর্ভ জমা দিয়ে তিনি ‘ডক্টরেট’ ডিগ্রি নিয়েছেন। তবে গবেষণার কপি তিনি তত্ত্বাবধায়কের কাছে জমা দেননি। পরে ওই থিসিসের ৯৮ শতাংশই হুবহু নকল বলে অভিযোগ ওঠে। গত ২১ জানুয়ারি একটি জাতীয় দৈনিকে এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়