শিরোনাম
◈ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: আজ প্রতীক বরাদ্দ, কাল থেকে শুরু প্রচারণা ◈ বাংলাদেশ থেকে কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নিচ্ছে ভারত ◈ জামায়াতের আমিরসহ ৮ নেতাকে নিরাপত্তা দিতে নির্দেশনা দিয়েছে ইসি ◈ ট্রাইব্যুনালে টবি ক্যাডম্যানের না থাকা নিয়ে আলোচনা, পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ◈ মাদ্রাসায় বেড়েছে ছুটি ◈ আমার হাঁস যেন চুরি না হয়: রুমিন ফারহানা (ভিডিও) ◈ জঙ্গল সলিমপুর: চার দশকের দখল, সন্ত্রাস ও রক্তে গড়া ৩০ হাজার কোটি টাকার ‘নিষিদ্ধ ভূখণ্ড’ ◈ ক্ষমতায় গেলে ‘বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয়’ গড়ার ঘোষণা জামায়াতে ইসলামীর ◈ ৫৭ হাজার টন গম নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে মার্কিন জাহাজ ◈ রাজধানীতে মিরপুরে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষ, ১৬ জন কর্মী আহত

প্রকাশিত : ২৯ জানুয়ারী, ২০২০, ১১:১৩ দুপুর
আপডেট : ২৯ জানুয়ারী, ২০২০, ১১:১৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গবেষণায় চুরি, ঢাবি ওষুধপ্রযুক্তি বিভাগের সেই লুৎফুলকে অব্যাহতি

সারাবাংলা : পিএইচডি গবেষণা অভিসন্দর্ভে (থিসিস) চুরির অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ওষুধপ্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবুল কালাম লুৎফুল কবীরকে প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিয়েছে ঢাবি প্রশাসন। একইসঙ্গে তার অভিযোগ তদন্তের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরিন আহমাদকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সহযোগী অধ্যাপক লুৎফুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি তিনি এই দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি পাবেন।

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরিন আহমাদ বলেন, ‘সিন্ডিকেট সভায় ওষুধপ্রযুক্তি বিভাগের ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে পিএইচডি থিসিস জালিয়াতির অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ায় তাকে প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ তদন্তের জন্য আমাকে আহ্বায়ক তরে করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’

ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক হাসানুজ্জামান, ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ এস এম আব্দুর রহমান, সিন্ডিকেট সদস্য মিজানুর রহমানও এই তদন্ত কমিটিতে আছেন বলে জানান উপউপাচার্য। সুনির্দিষ্ট সময়ও বেঁধে না দিলেও যত দ্রুতসম্ভব তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে বলে জানান তিনি।

২০১৪ সালে ‘টিউবারকিউলোসিস অ্যান্ড এইচআইভি কো-রিলেশন অ্যান্ড কো-ইনফেকশন ইন বাংলাদেশ: অ্যান এক্সপ্লোরেশন অব দেয়ার ইমপ্যাক্টস অন পাবলিক হেলথ’ শীর্ষক ওই নিবন্ধের ওপর পিএইচডি গবেষণা করেন আবুল কালাম লুৎফুল কবীর। তার এই গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ওষুধপ্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আবু সারা শামসুর রউফ, সহতত্ত্বাবধায়ক ছিলেন বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক অধ্যাপক আ ব ম ফারুক। ওই অভিসন্দর্ভ জমা দিয়ে তিনি ‘ডক্টরেট’ ডিগ্রি নিয়েছেন। তবে গবেষণার কপি তিনি তত্ত্বাবধায়কের কাছে জমা দেননি। পরে ওই থিসিসের ৯৮ শতাংশই হুবহু নকল বলে অভিযোগ ওঠে। গত ২১ জানুয়ারি একটি জাতীয় দৈনিকে এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়