শিরোনাম
◈ লুৎফুজ্জামান বাবর দম্পতির স্বর্ণ ১৪০ ভরি, নগদ ও ব্যাংকে আছে ২০ কোটি টাকা ◈ আটক বিএনপি নেতার মৃত্যু: সেনাসদস্যদের প্রত্যাহার, উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি ◈ টেকনাফে গুলিবর্ষণের ঘটনায় ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব ◈ প্লট দুর্নীতি: হাসিনা, টিউলিপ ও আজমিনার মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি ◈ সমঝোতা জটিলতায় ১১ দলীয় জোটে উন্মুক্ত আসনের সম্ভাবনা ◈ পুরোনো রাজনীতি বনাম নতুন ব্যবস্থা: বাংলাদেশের সামনে কঠিন নির্বাচন ◈ মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে বাংলাদেশি কর্মীর নিঃস্বার্থ মানবিকতা ভাইরাল, সৌদি কর্তৃপক্ষের সম্মাননা ◈ শিক্ষার লক্ষ্য চাকরির প্রস্তুতি নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়া: দক্ষিণ এশীয় সম্মেলনে ড. ইউনূস ◈ ৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে আবেদন শুরু, করবেন যেভাবে ◈ বেনাপোল বন্দরে পাসপোর্টধারী যাতায়াত ১,৫২১ জন, আমদানি–রফতানি ৩০০ ট্রাক

প্রকাশিত : ২৯ জানুয়ারী, ২০২০, ০৬:৪৩ সকাল
আপডেট : ২৯ জানুয়ারী, ২০২০, ০৬:৪৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বারইপাড়া হতে কর্ণফুলী পযর্ন্ত খাল খনন প্রকল্প শুভ উদ্বোধন করেছেন চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন

রাজু চৌধুরী, চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাট বারইপাড়া হতে কর্ণফুলী পযর্ন্ত খাল খনন প্রকল্প শুভ উদ্বোধন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে এ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি।

উদ্বোধন কালে মেয়র বলেন, ১৯৯৫ সালের ড্রেনেজ মাস্টার প্ল্যান অনুসরণ করে বহদ্দারহাট বারইপাড়া থেকে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত নতুন খাল খনন করার পরিকল্পনা নিয়ে একটি ডিপিপি তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে খালের দুপাশে সড়ক নির্মাণ করে খাল খননের বিষয় উল্লেখিত থাকে। কিন্তু একনেক সভায় সংযোজনীসহ প্রকল্পের চুড়ান্ত আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই প্রকল্পকে পর্যটন স্পট হিসেবে রূপায়নের নির্দেশনা দেন। তিনি নান্দনিক দিক বিবেচনায় খালের দুপাশে ওয়াক ওয়ে ব্যবস্থা রাখার নির্দেশনা দেন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শুলকবহর, ষোলশহর, বাকলিয়াসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার জলাবদ্ধতা সমস্যা আর থাকবে না।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, নতুন খালটি নগরীর বারইপাড়াস্থ চাক্তাই খাল থেকে শুরু করে শাহ্ আমানত রোড হয়ে নুর নগর হাউজিং সোসাইটির মাইজপাড়া দিয়ে পূর্ব বাকলিয়া হয়ে বলির হাটের পাশে কর্ণফুলী নদীতে গিয়ে পড়বে। খালটির দৈর্ঘ্য হবে আনুমানিক ২ দশমিক ৯ কিলোমিটার এবং প্রশস্ত ৬৫ ফুট। খালটির মাটি উত্তোলন, সংস্কার ও নতুন যোগাযোগ ব্যবস্থা সৃষ্টির লক্ষ্যে খালের উভয় পাশে ২০ ফুট করে ২টি রাস্তা ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করার কথা রয়েছে। এই নতুন খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ১২৫৬ কোটি ১৫ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। এতে সরকারি জিওবি অর্থায়নে হবে ৯৪২ কোটি ১২ লাখ টাকার কাজ। অন্যদিকে চসিকের নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৩১৪ কোটি ৪ লাখ টাকার প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। খাল খনন কাজে অধিগ্রহণকৃত ২৫.১৬৭ জমির মূল্য ক্রয় বাবদ করা হবে ১১০৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা।

প্রকল্পের প্রাথমিক প্রাথমিক মেয়াদ ছিল ২০১৪ জুলাই থেকে ২০১৭ জুন পর্যন্ত। পরবর্তীতে মেয়াদ সংশোধন করে তা চলতি বছরের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। ২০১৮ সালের ৭ নভেম্বর প্রকল্পের প্রথম সংশোধনী একনেক অনুমোদন দেয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চসিক কাউন্সিলর হারুনুর রশীদ, আশরাফুল আলম, চসিক প্রধান প্রকৌশলী লে কর্ণেল সোহেল আহমদ, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিকসহ স্থানীয় জনসাধারণ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।  সম্পাদনা : তন্নীমা আক্তার

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়