শিরোনাম
◈ কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা আজ, এক আসনে লড়ছেন ২৪ জন ◈ শেষ ষোলয় সেনেগালকে হারা‌তে চায় সুদান ◈ দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে ৪০০ উইকেট মুস্তাফিজের ◈ গাজায় ত্রাণ সংস্থা নিষিদ্ধ করায় নেতানিয়াহুকে 'ফেরাউন' বললেন এরদোগান ◈ অ‌স্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার খাজা বললেন, আমি গর্বিত মুসলিম  ◈ চলতি মাসে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ◈ নলডাঙ্গায় জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে সড়কে অগ্নিসংযোগ, ককটেল ও পেট্রোল বোমা উদ্ধার ◈ ভারত-বাংলাদেশ যাতায়াতে পেট্রাপোল বন্দরে ‘প্যাসেঞ্জার ইউজার চার্জ’ বসালো ভারত ◈ ‘আমরা থানা পুড়িয়েছি, এসআইকে জ্বালিয়ে দিয়েছি’ : বৈষম্যবিরোধী নেতা ◈ টিকে থাকলেও থমকে গেল গতি—২০২৫ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতির বাস্তব চিত্র

প্রকাশিত : ২৬ জানুয়ারী, ২০২০, ০৭:১৭ সকাল
আপডেট : ২৬ জানুয়ারী, ২০২০, ০৭:১৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চীনে ৫০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর দেশে ফেরার আকুতি

নিউজ ডেস্ক : করোনাভাইরাস সংক্রমণের কেন্দ্রস্থল চীনের উহান শহরে গত দুদিন ধরে আটকে পড়েছেন অন্তত ৫০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। ডেইলি স্টার

ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের অনেকেই দেশে ফিরে আসার আকুতি জানিয়েছেন, বাংলাদেশ দূতাবাসের সাহায্য চেয়েছেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, উহানের অধিকাংশ দোকান বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এদিকে তাদের মজুতকৃত খাবারও ফুরিয়ে আসছে। ফলে খুব শীঘ্রই তারা খাবারের সংকটে পড়বেন।

করোনাভাইরাসের আক্রান্ত হয়ে চীনে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ৫৬ জন। আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৩০০ জন।

উহান শহরে প্রায় ১১ মিলিয়ন মানুষ বসবাস করেন। শহরের অধিবাসীদের শহর না ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া ভাইরাসটি যাতে অন্য কোথাও ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সেজন্য উহান শহরের গণপরিবহন ব্যবস্থাও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিমানবন্দরে সব যাত্রীবাহী বিমান বাতিল করা হয়েছে। শহরের বাইরে যাওয়ার প্রধান সড়কগুলো চেকপয়েন্টের মাধ্যমে বন্ধ করে রাখা হয়েছে।

হুবেই ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির শিক্ষার্থী আসিফ আহমেদ সৌরভ জানান, ভাইরাসটি যাতে অন্য কোথাও ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সেজন্য উহানের আশেপাশের আরো ১০টি শহরেও একইভাবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে। প্রায় ৫০০ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী এ শহরে আটকা পড়েছেন বলে জানান তিনি।

রাকিবিল তূর্য (২৩) নামে একজন শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাহায্য চেয়ে পোস্ট করলে তারা সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়ে। তিনি জানান, দেড় বছর আগে তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য উহানে যান। বর্তমানে তিনি মেকানিক্যাল অ্যান্ড অটোমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে হুবেই ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিতে পড়াশোনা করছেন।

তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটি চললেও তাকে ২৩ জানুয়ারি থেকে হোস্টেলে বন্দিজীবন কাটাতে হচ্ছে। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে তার মতো অন্তত আরো ১৪০ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী আটকে পড়েছেন। কিন্তু, বাংলাদেশি দূতাবাস কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কেউই এখন পর্যন্ত তাদেরকে উদ্ধারের জন্য কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

শুধু তাই না, যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় আমাদের খাবারও ফুরিয়ে আসছে। শিক্ষার্থীরা সবাই আতঙ্কিত এবং চিন্তিত, জানান তূর্য।

তিনি জানান, এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়নি। কেউ যাতে আক্রান্ত না হতে পারে সেজন্য এমন কঠোর সর্তকতা জারি হয়েছে।

তূর্য আরো বলেন, ‘এখানে আমাদেরকে অনেক বিধিনিষেধের মধ্য দিয়ে চলাফেরা করতে হচ্ছে। কোথায় যাচ্ছি, কেনো যাচ্ছি, এসব কিছু লিখে রেজিস্টার খাতায় স্বাক্ষর করে তবেই আমরা বাইরে যেতে পারছি। আবার সব দোকানপাট বন্ধ হয়ে গেছে। তাই আমরা কোনোভাবেই খাবার সংগ্রহ করতে পারছি না।’

শিক্ষার্থীরা জানান, বেইজিংয়ে বাংলাদেশি দূতাবাসের সঙ্গে তারা যোগাযোগ করেছিলেন। তবে, দূতাবাস থেকে বলা হয়েছে কেবল কোনো সমস্যায় পড়লে যেনো তাদেরকে জানানো হয়।

এদিকে, ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, আটকে পড়া শিক্ষার্থীদের কারও সঙ্গে তাদের যোগাযোগ হয়নি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়