প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বাংলাদেশের সোনার বাজারে বিনিয়োগ করতে চায় ভারত ভিত্তিক বহুজাতিক কোম্পানি, ক্ষতির আশঙ্কা দেশি ব্যবসায়ীদের

মো. আখতারুজ্জামান : মালাবার গোল্ড এন্ড ডায়মন্ড বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জন্য বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে। এ বিষয়ে সম্প্রতি কোম্পানিটি বিডা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেছে।মালাবার গোল্ড এন্ড ডায়মন্ড দুই ধাপে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। প্রথম ধাপে ৫০ মিলিয়ন এবং দ্বিতীয় ধাপে ৫০ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। তবে ক্ষতির আশঙ্কা দেশি ব্যবসায়ীদের।

জানা যায়, মালাবার গোল্ড এন্ড ডায়মন্ড ১০টির বেশি দেশে তাদের ২৯০টি শোরুম রয়েছে। কোম্পানিটি বাংলাদেশের রাজধানী, চট্টগ্রাম, সিলেট ও রাজশাহী শহরে শোরুম স্থাপন করবে। তবে ইতিমধ্যে তারা রাজধানীর বসুন্ধরা সিটিতে শোরুম ভাড়া নিয়েছে।

বাংলাদেশ জুয়েলারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক দীলিপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, দীর্ঘ ৪৮ বছর পর সরকার আমাদের বৈধভাবে সোনা ও ডায়মন্ড আমদানী করা সুযোগ দিয়েছে। আমদানী নীতিতে বলা হয়েছে সোনা আমদানীতে ৫৮ শতাংশ এবং ডায়মন্ডে ১৬০ শতাংশ ডিউটি ফি দিতে হবে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে সোনা এবং ডায়মন্ড আমদানীর জন্য ১৮টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদনপত্র দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে যদি বিদেশি কোনো কোম্পানি এসে দোকান খুলে বসে। সেটা হবে আমাদের জন্য আত্মঘাতী। কারণ, এটা কোনো খাদ্য পণ্য নয়, যে বাহিরের কেউ এর দোকান খুলতে চাইলো আর আমরা তা দিয়ে দিলাম। এটা হতে পারে না। তবে, আমাদের দেশে বিদেশি বিনিয়োগ আসুক আমরা সেটা চাই। তবে সেটা হতে হবে নিয়ম মেনে।

তিনি বলেন, সম্প্রতি দুবাইতে মালাবার গোল্ড এন্ড ডায়মন্ডের পক্ষ থেকে আমরাকে বলা হয়েছিলো যে, তারা বাংলাদেশে সোনার বাজারে বিনিয়োগ করতে চায়। আমি সেসময় বলেছিলাম, আপনারা যদি বিনিয়োগ করতে চান তাহলে বাংলাদেশে পণ্য তৈরির কারখানা দিতে পারেন। পরে তৈরি করা পণ্য থেকে দেশিও বাজারে ২৫ বা ৩০ শতাংশ বিক্রি করতে পারেন। অন্যগুলো বিদেশে রপ্তানি করতে পারেন।

তবে কয়েকদিন আগে এ কোম্পানিটির পক্ষ থেকে আমাকে বলা হয়েছে যে তারা রাজধানী বসুন্ধরায় একটি শোরুম ভাড়া নিয়েছে। তারা এখন বাংলাদেশ জুয়েলারী সমিতির সদস্য হতে চায়। আমি তাদেরকে যথাযথ কাগজপত্র দিতে বলেছি। তারা কাগজপত্র দিলে আমরা সদস্য পদ দিবো। এর পর দেখবো যে তারা কিভাবে আমাদের দেশে তাদের পণ্য নিয়ে আসে। তারা সরকার নির্ধারিত ডিউটি ফি দিলে আমাদের কোন কথা থাকবে না। কিন্তু এর কোন ব্যত্যয় হয় হলে তারা আমাদের এখানে ব্যবসা করতে পারে না। কারণ দেশের ক্ষতি করে অন্যরা ব্যবসা করতে পারে না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত