শিরোনাম
◈ সাইবার হামলার শঙ্কায় বন্ধ ব্যাংক-ভূমিসেবা, ওয়ারফেয়ারের জন্য কোটি টাকা ব্যয়েও প্রস্তুত নয় বাংলাদেশ ◈ বিদেশি পর্যটকদের কাছ থেকে পাওয়া ডলারের ১৫ শতাংশ রাখতে পারবে হোটেল-রেস্তোরাঁ ◈ ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে অনুমোদন পেল নতুন ৪ পাঠ্যবই ◈ শাদাবের সেঞ্চুরি, শেষ উইকেটে রেকর্ড গড়ে পাকিস্তানের জয় ◈ চার দিনের সফরে জাপানের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, গুরুত্ব পাবে বিনিয়োগ ও ঋণ কমানোর আলোচনা ◈ সংসদের উচ্চকক্ষে ১০৫ আসন বণ্টনে নতুন প্রস্তাব, ৫ সদস্য মনোনয়ন দেবেন রাষ্ট্রপতি ◈ জমির দলিল রেজিস্ট্রি হয়েছে কি না যাচাই করবেন যেভাবে, জেনে নিন ৫ উপায় ◈ ঘরে বসেই মোবাইলে জমির মালিকানা যাচাই করবেন যেভাবে, জেনে নিন পদ্ধতি ◈ সেন্টমার্টিন ভ্রমণে নতুন নিয়ম, বাড়ছে পর্যটক সংখ্যা, তুলে নেওয়া হলো রাত্রিযাপনের নিষেধাজ্ঞা ◈ ‘আমার মৃত্যুর জন্য ইউএনও দায়ী’ পোস্ট দেওয়া সেই এসিল্যান্ডকে বদলি করেন বিভাগীয় কমিশনার

প্রকাশিত : ২৪ জানুয়ারী, ২০২০, ১২:২৩ দুপুর
আপডেট : ২৪ জানুয়ারী, ২০২০, ১২:২৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বৈরি আবহাওয়ায় বরিশালের বোরো ধানের বীজতলায় দেখা দিয়েছে ছত্রাকজনিত রোগ

জুনায়েদ কবির : দক্ষিণাঞ্চলে ঠান্ডা গরম আবহাওয়ায় বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে বোরোর চারা যার ফলে ভরা মৌসুমে আবাদ কম হওয়ার আশঙ্কাই রয়েছে স্থানীয় কৃষকরা । আর অসময়ে বৃষ্টিপাত হওয়ায় রবিশস্যের মাঠেও ফসলশূন্য হওয়ায় লোকসান গুনছে কৃষকরা, সেখানকার কৃষি এ সংকটের কথা তুলে ধরেছেন কৃষকরা ।

এই শীতে বরিশালের সর্বেনিম্ন তাপমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস । তাপমাত্রার এরকম হেরফেরের কারণে বোরো ধানের বীজতলায় শুরু হয় ছত্রাকের আক্রমণ । কৃষকরা বলছে, ঠান্ডার কারণে বীজতলা হলুদ বর্ণ হয়ে গোড়ায় পচন ধরছে আর রোদের তাপে বীজ সাদা হয়ে যাচ্ছে । এ অবস্থায় সামনের বোরো মৌসুমে চারার অভাগে অনেক জমি ফাঁকা থাকতে পারে ।

এদিকে নভেম্বর-ডিসেম্বর দুই মাসে বরিশালের বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭৭ মিলিমিটার । এই বৃষ্টিই আলু , শিম, শাক, তেলবীজ সহ রবিশস্যে ফসলগুলোর ক্ষতির কারণ, বলছেন চাষীরা । তিন দফা বৃষ্টিতে ফসল হারিয়েছেন তারা । প্রকৃতির বৈরি আচরণে বীজতলা লাল হয়ে গেছে বলছে, স্থানীয় কৃষি বিভাগ । কৃষি বিভাগ কৃষকদের সকালবেলা বীজতলার কুয়াশা ভেঙ্গে দেয়ার পরামর্শ দিচ্ছে ।

বরিশাল কৃষি বিভাগ বলছে, এবছর বিভাগে বীজতলা করা হয় ৩২ হাজার হেক্টর জমিতে আর এর মধ্যে নষ্ট হয়েছে ২০ শতাংশ জমির বীজতলা। আর রবিশস্যের আবাদ হয়েছে ৫৯ হাজার হেক্টর জমিতে কিন্তু বেশিরভাগ ফসলই তোলা যায়নি বৃষ্টির কারণে ।

বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক হরিদাস শিকারী বলছেন, আমাদের যতটুকু লক্ষ্যমাত্রা ছিল বীজের জন্য সে লক্ষ্যমাত্রা আমরা অর্জন করেছি তাই সামনের মৌসুমে কোন সমস্যা হবে না আর তাপমাএা বেড়ে গেলে এ রোগের মাত্রাও কমে যাবে। সম্পদনা : রাশিদ

  • সর্বশেষ