শিরোনাম
◈ মাটির নিচেই গোটা গ্রাম, ২০০ বছরের পুরোনো বাড়িতে আজও বসবাস করছেন হাজারো মানুষ! ◈ ৩৫৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা আছে কি না, জানতে চাইল পুলিশ সদর দপ্তর ◈ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও জনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তুরস্কের বিশেষজ্ঞ দল ◈ রাজনৈতিক দলগুলোর এত টাকা আসে কোথা থেকে, দল চালাতে কত টাকা লাগে: টিআইবির গবেষণা ◈ কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি না হওয়ায় আবুধাবিতে ফেরত যাচ্ছিল ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার স্বর্ণের ডিম, আটক ৬টি ◈ ওয়ারীতে বাসায় কুশ চাষ ও মাদক সরবরাহ, যুক্তরাষ্ট্রফেরত ২২ বছর বয়সী তৌসিফ গ্রেপ্তার ◈ বারে মদ্যপান শেষে প্রেমিকার সঙ্গে বিরোধের পর হেরোইন খুঁজতে টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ: রিমান্ডে দীপের বয়ানে চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির পর হ্যাকাররা সেগুলো দিয়ে কী করে? কীভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনে? ◈ ভারত থেকে আসা ১৮ কোচগুলোতে যা যা বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, আগামী সপ্তাহেই পরীক্ষামূলক চলাচল

প্রকাশিত : ২৪ জানুয়ারী, ২০২০, ১২:২৩ দুপুর
আপডেট : ২৪ জানুয়ারী, ২০২০, ১২:২৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বৈরি আবহাওয়ায় বরিশালের বোরো ধানের বীজতলায় দেখা দিয়েছে ছত্রাকজনিত রোগ

জুনায়েদ কবির : দক্ষিণাঞ্চলে ঠান্ডা গরম আবহাওয়ায় বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে বোরোর চারা যার ফলে ভরা মৌসুমে আবাদ কম হওয়ার আশঙ্কাই রয়েছে স্থানীয় কৃষকরা । আর অসময়ে বৃষ্টিপাত হওয়ায় রবিশস্যের মাঠেও ফসলশূন্য হওয়ায় লোকসান গুনছে কৃষকরা, সেখানকার কৃষি এ সংকটের কথা তুলে ধরেছেন কৃষকরা ।

এই শীতে বরিশালের সর্বেনিম্ন তাপমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস । তাপমাত্রার এরকম হেরফেরের কারণে বোরো ধানের বীজতলায় শুরু হয় ছত্রাকের আক্রমণ । কৃষকরা বলছে, ঠান্ডার কারণে বীজতলা হলুদ বর্ণ হয়ে গোড়ায় পচন ধরছে আর রোদের তাপে বীজ সাদা হয়ে যাচ্ছে । এ অবস্থায় সামনের বোরো মৌসুমে চারার অভাগে অনেক জমি ফাঁকা থাকতে পারে ।

এদিকে নভেম্বর-ডিসেম্বর দুই মাসে বরিশালের বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭৭ মিলিমিটার । এই বৃষ্টিই আলু , শিম, শাক, তেলবীজ সহ রবিশস্যে ফসলগুলোর ক্ষতির কারণ, বলছেন চাষীরা । তিন দফা বৃষ্টিতে ফসল হারিয়েছেন তারা । প্রকৃতির বৈরি আচরণে বীজতলা লাল হয়ে গেছে বলছে, স্থানীয় কৃষি বিভাগ । কৃষি বিভাগ কৃষকদের সকালবেলা বীজতলার কুয়াশা ভেঙ্গে দেয়ার পরামর্শ দিচ্ছে ।

বরিশাল কৃষি বিভাগ বলছে, এবছর বিভাগে বীজতলা করা হয় ৩২ হাজার হেক্টর জমিতে আর এর মধ্যে নষ্ট হয়েছে ২০ শতাংশ জমির বীজতলা। আর রবিশস্যের আবাদ হয়েছে ৫৯ হাজার হেক্টর জমিতে কিন্তু বেশিরভাগ ফসলই তোলা যায়নি বৃষ্টির কারণে ।

বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক হরিদাস শিকারী বলছেন, আমাদের যতটুকু লক্ষ্যমাত্রা ছিল বীজের জন্য সে লক্ষ্যমাত্রা আমরা অর্জন করেছি তাই সামনের মৌসুমে কোন সমস্যা হবে না আর তাপমাএা বেড়ে গেলে এ রোগের মাত্রাও কমে যাবে। সম্পদনা : রাশিদ

  • সর্বশেষ