শিরোনাম
◈ আসছে বড় সুখবর, ২০২৬ সালে কোন মাসে কত দিন টানা ছুটি পাবেন চাকরিজীবীরা, দেখুন তালিকা ◈ যে ওভারকোট জিয়া পরিবারের আর কখনো ফেরত দেওয়া হয়নি ◈ জামায়াতের প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী এক বছরে উপহার পেয়েছেন ১৫ ভরি সোনা, রয়েছে নগদ ১৮ কোটি টাকা ◈ নতুন বছরে কমলো জ্বালানি তেলের দাম ◈ হলফনামায় প্রকাশ: কে কত ধনী — শীর্ষ রাজনীতিবিদদের আয় ও সম্পদের চিত্র ◈ বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের নজরদারিতে নোয়াখালীর সহকারী কোচ নিয়াজ খান ◈ ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের জন্য রেকর্ড ১৫ কোটি টিকেটের আবেদন   ◈ ব্রা‌জি‌লিয়ান রবের্তো কার্লোস হাসপাতালে, হয়েছে অস্ত্রোপচারও: কেমন আছেন কিংবদন্তি ফুটবলার? ◈ মায়ের অনুপস্থিতির শূন্যতা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়: তারেক রহমান ◈ জাপানে ৬ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত

প্রকাশিত : ২৩ জানুয়ারী, ২০২০, ১০:৪০ দুপুর
আপডেট : ২৩ জানুয়ারী, ২০২০, ১০:৪০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মিয়ানমার রোহিঙ্গা গণহত্যার দায় এড়াতে পারে না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক আদালত

অনলাইন রিপোর্ট: রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার করা মামলার রায় পড়তে গিয়ে বিচারকরা বলেছেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে মিয়ানমার সরকার। গণহত্যার দায় এড়াতে পারে না তারা। সেই সঙ্গে দেশটির সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে বলেও উল্লেখ করেন আদালত।

আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার করা মামলার রায় পড়া চলছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) নেদারল্যান্ডসের হেগে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) রায় পড়া শুরু করেন আদালতের প্রেসিডেন্ট আব্দুল কাওয়াই আহমেদ ইউসুফ।

আইসিজের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এ রায় ঘোষণা সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে। রায় ঘোষণা করতে এক ঘণ্টারও বেশি সময় লাগবে বলে খবরে জানানো হয়।

আইসিজে রোহিঙ্গা গণহত্যা, সহিংসতা ও নিপীড়নের প্রশ্নে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী আদেশ দেবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

এর আগে ১৩ জানুয়ারি গাম্বিয়ার বিচারমন্ত্রী ও অ্যাটর্নি জেনারেল আবু বকর এম তাম্বাদুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে এক পোস্টে ২৩ জানুয়ারি আইসিজে রোহিঙ্গা গণহত্যার ঘটনায় জরুরি পদক্ষেপ চেয়ে করা মামলার রায় জানাবেন বলে জানান।

গত নভেম্বরে রোহিঙ্গাদের ওপর ‘গণহত্যা’ চালানোর অভিযোগ তুলে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে এ মামলা করে পশ্চিম আফ্রিকার মুসলিমপ্রধান দেশ গাম্বিয়া।

এরপর গত ১০ থেকে ১২ ডিসেম্বর ৩ দিনব্যাপী নেদারল্যান্ডসের হেগে ওই মামলার শুনানি হয়। এতে মিয়ানমারের পক্ষে স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি অংশ নেন। সে সময় তিনি রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন। ২০১৭ সালে রাখাইনে সেনা অভিযানকালে কিছু সেনা আইন লঙ্ঘন করেছে, তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন সু চি।

অন্যদিকে গাম্বিয়া মিয়ানমারের প্রতিশ্রুতিতে আস্থা রাখা যায় না বলে জানায়। তারা রোহিঙ্গা গণহত্যা ও সহিংসতা বন্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতকে অন্তর্বর্তী নির্দেশে দেয়ার অনুরোধ করে।

২০১৭ সালে রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ‘তাতমাদাও’র অভিযানে সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।

 

সূত্র: সময় টিভি/যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়