শিরোনাম
◈ টোল কমিয়ে কর্ণফুলী টানেলে যান চলাচল বাড়াতে সরকারের নতুন উদ্যোগ ◈ জামিনে মুক্ত বেনজীর, দেশে ফেরাতে নতুন আইনি চ্যালেঞ্জ ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে পারমাণবিক সহযোগিতা পুনরায় শুরু করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র ◈ টাঙ্গুয়ার হাওরে নতুন বিধিনিষেধ, কোন এলাকা পর্যন্ত চলবে পর্যটকবাহী নৌযান? ◈ আগামী সপ্তাহে খুলছে ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুই সার্ভিস লেন ◈ সংবিধানে বড় রদবদলের পথে সরকার, আজ বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক ◈ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ◈ খোলাবাজার থেকে ব্যাংক—সবখানেই বাড়ছে ডলারের দাম ◈ আম-কাঁঠাল থেকে কোটি টাকার সম্ভাবনা: ফুড প্রসেসিংয়ে বদলে যাচ্ছে কৃষির চিত্র, বাড়ছে উদ্যোক্তা ও রপ্তানির সম্ভাবনা ◈ ব্যানার বিতর্কে বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের দফায় দফায় সংঘর্ষ, তিন ঘণ্টা উত্তপ্ত ক্যাম্পাস (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৩ জানুয়ারী, ২০২০, ১১:৪৭ দুপুর
আপডেট : ২৩ জানুয়ারী, ২০২০, ১১:৪৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সিটি নির্বাচনে ফেসবুকসহ সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়ানোর আশঙ্কা

মাজহারুল ইসলাম : ভোটের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ থাকলেও ভার্চুয়াল জগতে গুজব ছড়ানোর শঙ্কায় ঢাকার দুই সিটিতে আওয়ামী লীগ-বিএনপির বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থীরা সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারেন, এমনই আশঙ্কা করেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা। গতকাল ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন নিয়ে ইসি আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠকে এ বক্তব্য উঠে আসে। বাংলাদেশ প্রতিদিন

বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা বলেছেন, কিছু ওয়ার্ডে বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণে সহিংসতা হতে পারে। ফেসবুকসহ সামাজিক নানা যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব রটিয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হতে পারে। বৈঠকে ভোটের দিন ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলে নিষেধজ্ঞা জারির দাবিও জানিয়েছেন তারা। প্রতিটি সাধারণ কেন্দ্রে ১৬ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৮ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য রাখতে ইসির প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে।

জানা যায়, দুই সিটিতে ৫৩ জন কাউন্সিলরের মধ্যে কারো কারো বিরুদ্ধে ১৫-২০টি পর্যন্ত মামলা থাকলেও নির্বাচন কমিশন ভোটের আগে কাউকে গ্রেপ্তার না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দিয়েছেন। নির্বাচনে প্রার্থীদের এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে যাতে বের করে দেয়া না হয় সে নির্দেশনাও দেয়া হয়। বৈঠকে অংশ নেয়া কয়েকজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

হত্যা ও মাদক মামলার অভিযুক্তরা যাতে আগামীতে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে, সে জন্য আইন সংশোধনের প্রস্তাব দেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একজন কর্মকর্তা। একই সঙ্গে প্রার্থীদের মধ্যে যাদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট রয়েছে, তাদের বিষয়ে কমিশনের নির্দেশনা চাওয়া হয়। এর জবাবে একজন নির্বাচন কমিশনার বলেন, ওয়ারেন্ট তামিল একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া। এটি অনুসরণ করতে হবে। আরেক নির্বাচন কমিশনার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্দেশে বলেছেন, আইনের বাইরে বলার কিছু নেই। সম্পাদনা : সালেহ্ বিপ্লব

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়