শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বাণিজ্য কৌশল, কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ? ◈ অতিরিক্ত সময়ের গোলে স্পেনের জয়, বিশ্বকাপ থেকে বিদায় পর্তুগালের ◈ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর লেখা বইসহ ৩ বই রাখার নির্দেশ বাতিল ◈ ছবি মুক্তির পরপরই জি-ফাইভ থেকে ‘সাতলুজ’ অপসারণ, দর্শকদের ডাউনলোড করা সংস্করণ দেখতে আহ্বান দিলজিৎয়ের ◈ ভেজালবিরোধী অভিযান জোরদারে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ গরু চরাতে গিয়ে রাখালের ওপর সিংহের ভয়াবহ হামলা, ৩০ মিনিট আটকে রাখার পর উদ্ধারের ভিডিও ভাইরাল ◈ সমুদ্রের গুপ্তধনের খোঁজে বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্যের নকশায় তৈরি হচ্ছে ভাসমান গবেষণাগার ◈ গুলশান-বনানী-বারিধারা লেক রক্ষায় কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ গাজায় প্রশাসনিক ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘোষণা, বিলুপ্ত হলো বর্তমান সরকার ◈ প্রধানমন্ত্রী বেতনের ১০% সরকারি কোষাগারে জমা দেন, মন্ত্রীদেরও একই আহ্বান

প্রকাশিত : ২৩ জানুয়ারী, ২০২০, ১১:৪৭ দুপুর
আপডেট : ২৩ জানুয়ারী, ২০২০, ১১:৪৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সিটি নির্বাচনে ফেসবুকসহ সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়ানোর আশঙ্কা

মাজহারুল ইসলাম : ভোটের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ থাকলেও ভার্চুয়াল জগতে গুজব ছড়ানোর শঙ্কায় ঢাকার দুই সিটিতে আওয়ামী লীগ-বিএনপির বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থীরা সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারেন, এমনই আশঙ্কা করেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা। গতকাল ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন নিয়ে ইসি আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠকে এ বক্তব্য উঠে আসে। বাংলাদেশ প্রতিদিন

বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা বলেছেন, কিছু ওয়ার্ডে বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণে সহিংসতা হতে পারে। ফেসবুকসহ সামাজিক নানা যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব রটিয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হতে পারে। বৈঠকে ভোটের দিন ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলে নিষেধজ্ঞা জারির দাবিও জানিয়েছেন তারা। প্রতিটি সাধারণ কেন্দ্রে ১৬ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৮ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য রাখতে ইসির প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে।

জানা যায়, দুই সিটিতে ৫৩ জন কাউন্সিলরের মধ্যে কারো কারো বিরুদ্ধে ১৫-২০টি পর্যন্ত মামলা থাকলেও নির্বাচন কমিশন ভোটের আগে কাউকে গ্রেপ্তার না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দিয়েছেন। নির্বাচনে প্রার্থীদের এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে যাতে বের করে দেয়া না হয় সে নির্দেশনাও দেয়া হয়। বৈঠকে অংশ নেয়া কয়েকজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

হত্যা ও মাদক মামলার অভিযুক্তরা যাতে আগামীতে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে, সে জন্য আইন সংশোধনের প্রস্তাব দেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একজন কর্মকর্তা। একই সঙ্গে প্রার্থীদের মধ্যে যাদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট রয়েছে, তাদের বিষয়ে কমিশনের নির্দেশনা চাওয়া হয়। এর জবাবে একজন নির্বাচন কমিশনার বলেন, ওয়ারেন্ট তামিল একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া। এটি অনুসরণ করতে হবে। আরেক নির্বাচন কমিশনার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্দেশে বলেছেন, আইনের বাইরে বলার কিছু নেই। সম্পাদনা : সালেহ্ বিপ্লব

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়