প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রাজধানীর দুই সিটি নির্বাচনে সংরক্ষিত ৪৩টি ওয়ার্ডের ১৫৭ জন নারী কাউন্সিলরের মধ্যে ৭০ জন পেশায় গৃহিণী

শাহীন খন্দকার : দুজনের পেশা হলফনামায় উল্লেখ করা হয়নি। বাকি ১৫৫ জনের মধ্যে ৫৭ জন ব্যবসায়ী। ছয়জন আইনজীবী, চারজন শিক্ষক, চারজন চাকরিজীবী এবং ১০ জন রাজনীতি ও সমাজসেবার সঙ্গে জড়িত বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।

এদের মধ্যে ৫১ জন স্বাক্ষরজ্ঞান ও স্বশিক্ষিত। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাস ৩৬ জন । এইচএসসি ১৮ জন ও এসএসসি পাস ২৬ জন এবং ৮ম শ্রেণি পাস আছেন ২৩ জন। ইতোমধ্যে দু’টিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন।

সাধারণ ওয়ার্ডের মতো সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নারী কাউন্সিলর প্রার্থীদেরও প্রায় এক-তৃতীয়াংশ স্বশিক্ষিত ও স্বাক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন। অর্ধেক পেশায় গৃহিণী। এক-তৃতীয়াংশের কিছু বেশি ব্যবসায় যুক্ত। প্রার্থীদের জমা দেওয়া হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণ করে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের বলেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলে ভালো, তবে না থাকাটা অযোগ্যতা নয়। কাউন্সিলর পদে ব্যবসায়ীদের আধিক্যের বিষয়ে তিনি বলেন, রাজনীতি পুরোপুরি ব্যবসায়ীদের করায়ত্তে চলে গেছে। এটা এখন একটি ব্যবসা হয়ে দাঁড়িয়েছে; এর প্রতিফলন এই নির্বাচনেও দেখা যাচ্ছে। কাউন্সিলর হয়ে অনেকে এ পদকে নানা ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডসহ চাঁদাবাজিতেও ব্যবহার করেন। সম্পাদনা : সমর চক্রবর্তী

সর্বাধিক পঠিত