শিরোনাম
◈ তিতাসে ৫৯২ কোটি টাকায় নতুন দুই গ্যাসকূপ খননের পরিকল্পনা, দৈনিক মিলবে ৩ কোটি ঘনফুট গ্যাস ◈ মিয়ানমারের মাদক সাম্রাজ্যের ভয়ংকর থাবায় বাংলাদেশ ◈ অমিত শাহর যে আদেশের কারণে গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারছে না মুম্বাই পুলিশ! ◈ ৯ বছর পর কুয়াকাটায় পর্যটন কার্নিভাল : পূজা আর কার্নিভাল ঘিরে সৈকতে পর্যটকদের ঢল ◈ অভিষেক ম্যাচেই আলিস আল ইসলা‌মের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ ◈ সুন্দরবনের ৫ প্রজাতির মাছ ও ২ প্রজাতির চিংড়ির ডিএনএ সিকোয়েন্স যাচ্ছে আন্তর্জাতিক জিন ব্যাংকে ◈ সাজেকে গুলিবর্ষণের ঘটনায় আটকে পড়া ৩ হাজার পর্যটক উদ্ধার: আইএসপিআর ◈ আইনের শাসন সূচকে দুই ধাপ এগিয়েও আফ্রিকার বহু দেশের পেছনে বাংলাদেশ ◈ ক্ষুধা মোকাবিলায় বাংলাদেশের অগ্রগতি, অবনতি ভারত-পাকিস্তানের: ২০২৬ সালের বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক ◈ রুমিন ফারহানার নামে ছড়ানো ছবি নিয়ে বিভ্রান্তি, ঘৃণা ছড়ানোর অভিযোগে দিলেন ব্যাখ্যা

প্রকাশিত : ২১ জানুয়ারী, ২০২০, ০৭:০১ সকাল
আপডেট : ২১ জানুয়ারী, ২০২০, ০৭:০১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শিশু সাইফকে বালতির পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেন, আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেন সৎ মা

অলক কুমার, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : শিশু সাইফকে তার সৎ মা হাত-পা বেঁধে বাসার একটি কক্ষে আটকে রাখেন। ৩০/৪০ মিনিট পর ঘর খুলে দেখতে পান সাইফ বেঁচে নেই। পরে হাত-পা বাঁধা অবস্থাতেই সাইফকে বাথরুমে পানির বালতিতে মুখ ডুবিয়ে রাখেন।

পরে ডাকাতির নাটক সাজিয়ে সাইফের বাবাকে ফোন দেন।

সাইফ (৯) হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃত সাইফের সৎ মা সাবরিনা নাহার সিনথি সোমবার আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ কথা জানিয়েছেন।

সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুনিরা সুলতানা সাবরিনা নাহারের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। পরে তাকে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেন আদালত।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-দক্ষিণ) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল কুমার দত্ত জানান, শহরের আমিন বাজার এলাকায় সাইফের বাবা ভাড়া বাসায় থাকতেন। নিহত সাইফের সৎ মা গত শনিবার রাত আটটার দিকে ফোন করে সাইফের বাবা মো. সালাউদ্দিনকে জানান অজ্ঞাতনামা তিনজন দুস্কৃতিকারী তাদের বাসায় ঢুকে তার ও ছেলের হাত-পা বেঁধে স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে। তারা সাইফকে বাথরুমে পানির বালতিতে ডুবিয়ে রেখে গেছে যাওয়ার সময়। ফোন পেয়ে সাইফের বাবা তার কম্পিউটার সেন্টার থেকে বাসায় গিয়ে ছেলেকে উদ্ধার করে জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। এসময় ডাক্তার তাকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।

এর আগে খবর পেয়ে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। সাবরিনা নাহারের ঘটনার বর্ণনাটি তাদের রহস্যজনক মনে হয়। পরে পুলিশ সাবরিনা নাহার ও তার স্বামী সালাউদ্দিনকে আটক করে।
জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সাবরিনা সাইফকে হাত-পা বেঁধে ঘরে আটকে রাখার এক পর্যায়ে মৃত্যু হয় বলে জানান। পরে তিনি আদালতে জবানবন্দি দিতে রাজি হন। সম্পাদনা : মুরাদ / জেরিন

  • সর্বশেষ