শিরোনাম
◈ সাঈদীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে এসে নিখোঁজ: সুখরঞ্জন বালী মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা এএসপি ফজলুর রহমান গ্রেপ্তার ◈ বাংলাদেশি পর্যটকদের ঠকানো হবে না, ক্রেতাদের আস্থা ফেরাতে ন্যায্য দামের অঙ্গীকার কলকাতার ব্যবসায়ীদের! ◈ ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানা উৎপাদন শুরুর প্রথম বছরেই ২৩৩ কোটি টাকা মুনাফা করেছে ◈ শুধু আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিল নিয়ে পড়ে থাকলে হবে না, উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতার দিকে মনোযোগ দিতে হবে: তরুণদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল ◈ গ্যাস সংকট, অর্ডার কমে যাওয়া ও লোকসানে শিল্পনগরী গাজীপুরে একের পর এক কারখানা বন্ধ, অনিশ্চয়তায় শ্রমিকদের জীবন ◈ বিশ্বকা‌পে আন‌ন্দের মা‌ঝে বেদনার সুর, শাস্তির মু‌খে মেক্সিকো  ◈ চীনের অর্থনৈতিক করিডোরে যুক্ত হতে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ কোথায় ◈ হরমুজ প্রণালী বি‌দে‌শি‌দের খেলার মাঠ নয়,যুক্তরা‌স্ট্রের হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরান সামরিক সদরদপ্তরের ◈ ডেঙ্গুর থাবায় চট্টগ্রাম, চার গুণ বেড়েছে রোগী ◈ সবুজ জ্বালানিতে বড় বিনিয়োগ টানতে নতুন কৌশল নিচ্ছে সরকার

প্রকাশিত : ২১ জানুয়ারী, ২০২০, ০৭:০১ সকাল
আপডেট : ২১ জানুয়ারী, ২০২০, ০৭:০১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শিশু সাইফকে বালতির পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেন, আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেন সৎ মা

অলক কুমার, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : শিশু সাইফকে তার সৎ মা হাত-পা বেঁধে বাসার একটি কক্ষে আটকে রাখেন। ৩০/৪০ মিনিট পর ঘর খুলে দেখতে পান সাইফ বেঁচে নেই। পরে হাত-পা বাঁধা অবস্থাতেই সাইফকে বাথরুমে পানির বালতিতে মুখ ডুবিয়ে রাখেন।

পরে ডাকাতির নাটক সাজিয়ে সাইফের বাবাকে ফোন দেন।

সাইফ (৯) হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃত সাইফের সৎ মা সাবরিনা নাহার সিনথি সোমবার আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ কথা জানিয়েছেন।

সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুনিরা সুলতানা সাবরিনা নাহারের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। পরে তাকে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেন আদালত।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-দক্ষিণ) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল কুমার দত্ত জানান, শহরের আমিন বাজার এলাকায় সাইফের বাবা ভাড়া বাসায় থাকতেন। নিহত সাইফের সৎ মা গত শনিবার রাত আটটার দিকে ফোন করে সাইফের বাবা মো. সালাউদ্দিনকে জানান অজ্ঞাতনামা তিনজন দুস্কৃতিকারী তাদের বাসায় ঢুকে তার ও ছেলের হাত-পা বেঁধে স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে। তারা সাইফকে বাথরুমে পানির বালতিতে ডুবিয়ে রেখে গেছে যাওয়ার সময়। ফোন পেয়ে সাইফের বাবা তার কম্পিউটার সেন্টার থেকে বাসায় গিয়ে ছেলেকে উদ্ধার করে জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। এসময় ডাক্তার তাকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।

এর আগে খবর পেয়ে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। সাবরিনা নাহারের ঘটনার বর্ণনাটি তাদের রহস্যজনক মনে হয়। পরে পুলিশ সাবরিনা নাহার ও তার স্বামী সালাউদ্দিনকে আটক করে।
জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সাবরিনা সাইফকে হাত-পা বেঁধে ঘরে আটকে রাখার এক পর্যায়ে মৃত্যু হয় বলে জানান। পরে তিনি আদালতে জবানবন্দি দিতে রাজি হন। সম্পাদনা : মুরাদ / জেরিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়