শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের নির্বাচন ঘিরে ত্রিমুখী হিসাব—ভারত শঙ্কিত, চীন হিসাবি, পাকিস্তান আশাবাদী ◈ এপস্টেইন ফাইলে শেখ হাসিনার নাম, যা জানা গেল ◈ যুক্তরাষ্ট্র–ইউরোপ নির্ভরতায় পোশাক রফতানি: সুযোগের পাশাপাশি বাড়ছে ঝুঁকি ◈ দেশের রিজার্ভ আরও বাড়ল ◈ মেয়াদের শেষ সময়ে প্রতিরক্ষা চুক্তি: চলমান প্রক্রিয়ার অংশ বলে দাবি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার ◈ সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাই কমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ◈ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা, ঝুলন্ত পার্লামেন্ট, কোয়ালিশন সরকার, ক্ষমতা হস্তান্তর কিংবা সরকার গঠন- এগুলো কীভাবে হয় ◈ সারা দেশে গত ৫৩ দিনে নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা হয়েছে ২৭৪টি : প্রেস উইং  ◈ রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেবার লক্ষ্যেই প্রণীত জুলাই সনদ : আলী রীয়াজ ◈ পাকিস্তান‌কে আই‌সি‌সির উ‌চিৎ শিক্ষা দেয়া উ‌চিৎ, বল‌লেন সু‌নিল গাভাস্কার

প্রকাশিত : ২০ জানুয়ারী, ২০২০, ১০:২১ দুপুর
আপডেট : ২০ জানুয়ারী, ২০২০, ১০:২১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে শরীরকে সুস্থ রাখতে চিকেন স্যুপ বিশেষ ভূমিকা পালন করে

সানজীদা আক্তার : একাধিক পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই খাবারটি খেলে একদিকে যেমন পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়, তেমনি ভিতর থেকে দেহ এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে অনেক রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

আরও অনেক উপকার, যেমন- ১. তরলের পরিমাণ বেশি থাকার কারণে এই খাবারটি খাওয়া মাত্র শরীরের অন্দরে জলের ঘাটতি দূর হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ইউরিনের পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে শরীর সুস্থ থাকে।

২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায় : চিকেন স্যুপ বানাতে প্রোটিন সমৃদ্ধ মুরগির মাংস ছাড়াও ব্যবহার করা হয় অনেক ধরনের সবজি, যা নানা ভিটামিন এবং মিনারেলে পরিপূর্ণ থাকে। ফলে এই খাবারটি নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস করলে একদিকে যেমন পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়।

৩. শ্বেত রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়িয়ে দেয় : বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে চিকেন স্যুপ খাওয়া মাত্র শরীরের অন্দরে শ্বেত রক্তি কণিকার উৎপাদন বেড়ে যায়, যা শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার মেরে ফেলে। গলায় ব্যথা এবং সর্দি-কাশির মতো সমস্যা হলে গরম গরম চিকেন স্যুপ খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

৪. ওজন কমায়: এই খাবারটি খেলে শরীরের অন্দরে প্রোটিনের পরিমাণ খুব বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে কার্বোহাইড্রেট এবং উপকারি ফ্যাটের মাত্রাও বাড়তে শুরু করে। ফলে অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরা থাকে। এমনটা হওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই বারে বারে খাওয়ার প্রবণতা কমে। সেই সঙ্গে কমে ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কাও।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়