শিরোনাম
◈ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে মন্ত্রিসভা কমিটি, ৮ উপজেলায় পাইলটিং ◈ ডিসি সারোয়ারকে শোকজ ◈ ৪৪তম বিসিএসের নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগ, তালিকা প্রকাশ ◈ অস্ট্রেলিয়া-শ্রীলঙ্কা গ্রুপে অপরা‌জিত থে‌কে জিম্বাবুয়ে সুপার এইটে ◈ রোজার প্রথম দিনেই মুরগির দাম চড়া, কেজিতে বাড়লো ২০ থেকে ১০০ টাকা ◈ ৫০ নারী প্রতিনিধিত্ব নিয়োগ নিয়ে দুই জোটে চলছে হিসাব-নিকাশ ◈ জনগণের ট্যাক্সে চলি, তাই জবাবদিহি নিশ্চিত করা নৈতিক দায়িত্ব: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ◈ বগুড়া থেকে হিরো আলম গ্রেপ্তার ◈ তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে ট্রাম্পের চিঠি: প্রতিরক্ষা চুক্তি ও বাণিজ্যে জোর ◈ অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করা নিয়ে বিএনপিতেও 'বিস্ময়'

প্রকাশিত : ১৯ জানুয়ারী, ২০২০, ১০:৫১ দুপুর
আপডেট : ১৯ জানুয়ারী, ২০২০, ১০:৫১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

২৫৩ ট্রিলিয়ন ডলার ঋণের ভারে জর্জরিত বিশ্ব অর্থনীতি, আশঙ্কা আইএমএফ’র

রাশিদ রিয়াজ : আইএমএফ বলছে চলতি বছর বিশ্ব অর্থনীতিতে ঋণের পরিমান আরো বেড়ে যাবে। গত বছর প্রথম ৯ মাসে রেকর্ড ৯ লাখ কোটি ডলার ঋণ বৃদ্ধি পেয়ে বিশ্ব অর্থনীতিতে ঋণের পরিমান দাঁড়িয়েছে ২৫৩ লাখ কোটি ডলার যা চলতি বছর শেষে ২৫৭ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াবে। ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স পরিসংখ্যান দিয়ে বলছে সরকারি, বেসরকারি, কোম্পানি কিংবা ব্যক্তিগত মিলিয়ে বিশ্বে যাবতীয় ঋণের পরিমান বৃদ্ধি পাচ্ছে। সিএনএন
ঋণের অর্ধেকই হচ্ছে উন্নত দেশ যেমন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপের দেশগুলোর জিডিপি ও ঋণ অনুপাত দাঁড়িয়েছে ৩৮৩ শতাংশ। সমগ্র বিশ্বে এ অনুপাত ৩২২ শতাংশ। নিউজিল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড ও নরওয়েতে গৃহস্থালী ঋণ এবং যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ায় বাড়ছে সরকারের ঋণ। আবার উদীয়মান বাজারে ঋণের পরিমান ৭২ ট্রিলিয়ন কিন্তু আইএমএফ বলছে এধরনের ঋণ দ্রুত বাড়ছে এবং তা আশঙ্কাজনক। চীনের জিডিপি ও ঋণের অনুপাত রয়েছে ৩১০ শতাংশ যা উন্নয়নশীল বিশ্বে সর্বোচ্চ। ২০১৭ ও ২০১৮ সালে চীনের কোম্পানিগুলো ঋণ গ্রহণ কমাতে সক্ষম হলেও গত বছর তা ফের বেড়ে যায়। একারণে বিনিয়োগকারীরা উচ্চলাভজনক দেশের দিকে সন্দেহজনক দৃষ্টিভঙ্গি রাখছেন।

গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল রিজার্ভ ৩ দফা সুদের হার কমিয়েছে। ইউরোপে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সুদের হারও কম। জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কা সামাল দিতে জাতিসংঘ বলছে ২০৩০ সালের মধ্যে ৪২ ট্রিলিয়ন ডলার ঋণ প্রয়োজন। কিন্তু যে হারে ঋণের চাহিদা বাড়ছে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অবকাঠামো খাতে অর্থের যোগান দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়