শিরোনাম
◈ তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রতিহিংসামুক্ত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ রাজনীতির প্রত্যাশা জাপার ◈ ইরানে হামলার ব্যাপারে ‘গুরুত্বের সঙ্গে’ ভাবছেন ট্রাম্প ◈ নতুন রাজনৈতিক শক্তি গঠনে আবারও সক্রিয় হওয়ার ইঙ্গিত মাহফুজ আলমের ◈ সিরিয়ায় আইএসের লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক হামলা ◈ ‘মুজিব ভাই’ বিতর্ক: ৪২ কোটি যেভাবে ৪ হাজার কোটি টাকা হলো ◈ পাকিস্তানি জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানের বিশেষত্ব কী, কেন কিনতে আগ্রহী বাংলাদেশ? ◈ মোটরসাইকেল কিনলে দুটি হেলমেট ফ্রি দেওয়া বাধ্যতামূলক হচ্ছে: বিআরটিএ চেয়ারম্যান ◈ চিনি দিয়ে নকল খেজুরের রস বানিয়ে বোকা বানানো হচ্ছে ক্রেতাদের!(ভিডিও) ◈ 'মা আমাকে ছেড়ে যেও না', ডিভোর্সের পর সন্তান নিতে চাইল না কেউ, বুক ফাটা দৃশ্য ভাইরাল! (ভিডিও) ◈ ভারতের অন্য ভেন্যুতে খেলার বিষয়ে যা জানাল বিসিবি সভাপতি (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী, ২০২০, ১২:২৬ দুপুর
আপডেট : ১৮ জানুয়ারী, ২০২০, ১২:২৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হাজিরা ‘ফাঁকি দিতে’ ঝাড়ুদারের কাণ্ড

সাজিয়া আক্তার : হাজিরায় 'ফাঁকি দিতে' কাণ্ড বাধিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের এক ঝাড়ুদার। পানিভর্তি সিরিঞ্জ দিয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন নষ্ট করে দিয়েছেন ঝাড়ুদার ফারুক মিয়া। এ ঘটনায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় চলছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। বিজনেস স্টাডি

হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, চিকিৎসকসহ হাসপাতালের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিদিন (সরকারী ছুটির দিন ব্যতিত) সকাল ৮টার মধ্যে হাসপাতালে বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিনে আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে হাজিরা নিশ্চিত করতে হয়। এই হাজিরা সরাসরি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম বা এমআইএস শাখা তদারকি করে থাকে। এর ফলে হাজিরায় ফাঁকি দেয়ার সুযোগ থাকেনা।

গত বুধবার (১৫ জানুয়ারী) সদর হাসপাতালের ঝাড়ুদার ফারুক মিয়া হাজিরায় ফাঁকি দিতে পানিভর্তি সিরিঞ্জ দিয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিনটি নষ্ট করে ফেলেন। ওইদিন ভোর ৫টা ৫৭ মিনিটে হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্লকে থাকা বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিনটি নষ্ট করেন বলে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় ধরা পড়ে। এ ঘটনার খবর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পর্যন্ত পৌঁছায়। অভিযুক্ত ঝাড়ুদার ফারুক মিয়াকে বরখাস্ত করার জন্য নির্দেশনাও দেয়া হয়। পরবর্তীতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

অভিযুক্ত ফারুক মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও সেটি বন্ধ পাওয়ায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শওকত হোসেন জানান, ঘটনার পরপরই তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। যেহেতু ভিডিও ফুটেজ আছে সেহেতু ঘটনা তদন্তের কিছু নেই। তবে এ ঘটনার পেছনে কেউ রয়েছে কী-না সেটি জানতে তাকে আমরা তাকে জিজ্ঞাবাদ করেছিলাম কিন্তু সে কিছু বলেনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়