শিরোনাম
◈ সেনাবাহিনীর ৬ উচ্চ পদে রদবদল, কোন দায়িত্বে কে ◈ ছোট বেলায় স্পেনের বয়স‌ভি‌ত্তিক দ‌লে খেলার প্রস্তাব পেয়েছিলেন মেসি ◈ এলএনজি আকারে গ্যাস আনার পরিবর্তে ভোলায় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র করবে সরকার ◈ এনসিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ইফতারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন ◈ মোহাম্মদপুর ও আদাবরে সাঁড়াশি অভিযানে ৯৫ জন গ্রেফতার ◈ ইরানের পেস্তা রপ্তানি সাফল্য: ৯ মাসে ৭৩০ মিলিয়ন ডলার আয়! ◈ টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকাপ: পা‌কিস্তান দ‌লের চার পা‌শে বিপদ ঘোরা‌ফেরা কর‌ছে ◈ বিশ্বকাপের প‌রে মরক্কো ফুটবল দ‌লের দায়িত্ব নি‌বেন জাভি হার্নান্দেজ! ◈ কুমিল্লায় আ.লীগ নেতার জামিন, মিষ্টি নিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপি নেতা ◈ আফগানিস্তানে অতর্কিত হামলা, প্রকাশ্য যুদ্ধের ঘোষণা পাকিস্তানের

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী, ২০২০, ১২:২৬ দুপুর
আপডেট : ১৮ জানুয়ারী, ২০২০, ১২:২৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হাজিরা ‘ফাঁকি দিতে’ ঝাড়ুদারের কাণ্ড

সাজিয়া আক্তার : হাজিরায় 'ফাঁকি দিতে' কাণ্ড বাধিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের এক ঝাড়ুদার। পানিভর্তি সিরিঞ্জ দিয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন নষ্ট করে দিয়েছেন ঝাড়ুদার ফারুক মিয়া। এ ঘটনায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় চলছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। বিজনেস স্টাডি

হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, চিকিৎসকসহ হাসপাতালের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিদিন (সরকারী ছুটির দিন ব্যতিত) সকাল ৮টার মধ্যে হাসপাতালে বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিনে আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে হাজিরা নিশ্চিত করতে হয়। এই হাজিরা সরাসরি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম বা এমআইএস শাখা তদারকি করে থাকে। এর ফলে হাজিরায় ফাঁকি দেয়ার সুযোগ থাকেনা।

গত বুধবার (১৫ জানুয়ারী) সদর হাসপাতালের ঝাড়ুদার ফারুক মিয়া হাজিরায় ফাঁকি দিতে পানিভর্তি সিরিঞ্জ দিয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিনটি নষ্ট করে ফেলেন। ওইদিন ভোর ৫টা ৫৭ মিনিটে হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্লকে থাকা বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিনটি নষ্ট করেন বলে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় ধরা পড়ে। এ ঘটনার খবর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পর্যন্ত পৌঁছায়। অভিযুক্ত ঝাড়ুদার ফারুক মিয়াকে বরখাস্ত করার জন্য নির্দেশনাও দেয়া হয়। পরবর্তীতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

অভিযুক্ত ফারুক মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও সেটি বন্ধ পাওয়ায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শওকত হোসেন জানান, ঘটনার পরপরই তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। যেহেতু ভিডিও ফুটেজ আছে সেহেতু ঘটনা তদন্তের কিছু নেই। তবে এ ঘটনার পেছনে কেউ রয়েছে কী-না সেটি জানতে তাকে আমরা তাকে জিজ্ঞাবাদ করেছিলাম কিন্তু সে কিছু বলেনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়