শিরোনাম
◈ নির্বাচনি বাটোয়ারা মেনে নিয়ে এখন বিরোধিতার নাটক করা বন্ধ করেন: মাহফুজ আলম ◈ গায়কসহ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৬ নেতা-কর্মী কলকাতায় গ্রেপ্তার ◈ গেজেট প্রকাশ: তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ, ভেঙে গেলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ◈ প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব, সহকারী একান্ত সচিব ও প্রটোকল অফিসার নিয়োগ ◈ বেনাপোলে পাচারের শিকার ২৮ শিশুর স্বদেশ প্রত্যাবাসন ◈ এবার জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর নামে পাল্টা মামলা ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানালেন ভারতের স্পিকার ◈ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় ১০ উপদেষ্টা নিয়োগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ বিএনপি শপথ না নেওয়ায় সংবিধান সংস্কার পরিষদের এখন কী হবে ◈ পররাষ্ট্র মন্ত্রী হলেন ড. খলিলুর রহমান

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী, ২০২০, ১২:২৬ দুপুর
আপডেট : ১৮ জানুয়ারী, ২০২০, ১২:২৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হাজিরা ‘ফাঁকি দিতে’ ঝাড়ুদারের কাণ্ড

সাজিয়া আক্তার : হাজিরায় 'ফাঁকি দিতে' কাণ্ড বাধিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের এক ঝাড়ুদার। পানিভর্তি সিরিঞ্জ দিয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন নষ্ট করে দিয়েছেন ঝাড়ুদার ফারুক মিয়া। এ ঘটনায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় চলছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। বিজনেস স্টাডি

হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, চিকিৎসকসহ হাসপাতালের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিদিন (সরকারী ছুটির দিন ব্যতিত) সকাল ৮টার মধ্যে হাসপাতালে বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিনে আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে হাজিরা নিশ্চিত করতে হয়। এই হাজিরা সরাসরি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম বা এমআইএস শাখা তদারকি করে থাকে। এর ফলে হাজিরায় ফাঁকি দেয়ার সুযোগ থাকেনা।

গত বুধবার (১৫ জানুয়ারী) সদর হাসপাতালের ঝাড়ুদার ফারুক মিয়া হাজিরায় ফাঁকি দিতে পানিভর্তি সিরিঞ্জ দিয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিনটি নষ্ট করে ফেলেন। ওইদিন ভোর ৫টা ৫৭ মিনিটে হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্লকে থাকা বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিনটি নষ্ট করেন বলে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় ধরা পড়ে। এ ঘটনার খবর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পর্যন্ত পৌঁছায়। অভিযুক্ত ঝাড়ুদার ফারুক মিয়াকে বরখাস্ত করার জন্য নির্দেশনাও দেয়া হয়। পরবর্তীতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

অভিযুক্ত ফারুক মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও সেটি বন্ধ পাওয়ায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শওকত হোসেন জানান, ঘটনার পরপরই তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। যেহেতু ভিডিও ফুটেজ আছে সেহেতু ঘটনা তদন্তের কিছু নেই। তবে এ ঘটনার পেছনে কেউ রয়েছে কী-না সেটি জানতে তাকে আমরা তাকে জিজ্ঞাবাদ করেছিলাম কিন্তু সে কিছু বলেনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়