শিরোনাম
◈ পাকিস্তান ৯ মার্চ বাংলা‌দেশ সফ‌রে আস‌ছে, খেল‌বে টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি সি‌রিজ ◈ শ্রীলঙ্কার অনুরোধে বিশ্বকা‌পে ভারতের স‌ঙ্গে খেলতে পারে পাকিস্তান ◈ জনগণের টাকা লুটকারীদের শান্তিতে থাকতে দেওয়া হবে না: জামায়াত আমির ◈ বাংলাদেশের পরিচয় হবে মেধা দিয়ে, ধর্ম দিয়ে নয়: তারেক রহমান ◈ যশোর সীমান্তে আবারো আগ্নেয়াস্ত্রের চালান আটক ◈ ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র হলে দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে : তারেক রহমান ◈ বিশ্বকা‌পের উ‌দ্বোধনী ম‌্যা‌চে পরাজ‌য়ের দ্বারপ্রা‌ন্তে থাকা পা‌কিস্তান‌কে জয় এ‌নে দি‌লেন ফা‌হিম আশরাফ ◈ চট্টগ্রাম বন্দরে কাল থেকে লাগাতার ধর্মঘট, বহির্নোঙরেও কাজ বন্ধের ঘোষণা ◈ জনগণকে সঙ্গে নিয়েই দেশ এগিয়ে নিতে চাই: তারেক রহমান ◈ মিয়ানমার সংলগ্ন সীমান্তে গুলিবিদ্ধ সেই শিশু মারা গেছে

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী, ২০২০, ১২:২৬ দুপুর
আপডেট : ১৮ জানুয়ারী, ২০২০, ১২:২৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হাজিরা ‘ফাঁকি দিতে’ ঝাড়ুদারের কাণ্ড

সাজিয়া আক্তার : হাজিরায় 'ফাঁকি দিতে' কাণ্ড বাধিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের এক ঝাড়ুদার। পানিভর্তি সিরিঞ্জ দিয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিন নষ্ট করে দিয়েছেন ঝাড়ুদার ফারুক মিয়া। এ ঘটনায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় চলছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। বিজনেস স্টাডি

হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, চিকিৎসকসহ হাসপাতালের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিদিন (সরকারী ছুটির দিন ব্যতিত) সকাল ৮টার মধ্যে হাসপাতালে বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিনে আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে হাজিরা নিশ্চিত করতে হয়। এই হাজিরা সরাসরি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম বা এমআইএস শাখা তদারকি করে থাকে। এর ফলে হাজিরায় ফাঁকি দেয়ার সুযোগ থাকেনা।

গত বুধবার (১৫ জানুয়ারী) সদর হাসপাতালের ঝাড়ুদার ফারুক মিয়া হাজিরায় ফাঁকি দিতে পানিভর্তি সিরিঞ্জ দিয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিনটি নষ্ট করে ফেলেন। ওইদিন ভোর ৫টা ৫৭ মিনিটে হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্লকে থাকা বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিনটি নষ্ট করেন বলে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় ধরা পড়ে। এ ঘটনার খবর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পর্যন্ত পৌঁছায়। অভিযুক্ত ঝাড়ুদার ফারুক মিয়াকে বরখাস্ত করার জন্য নির্দেশনাও দেয়া হয়। পরবর্তীতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

অভিযুক্ত ফারুক মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও সেটি বন্ধ পাওয়ায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শওকত হোসেন জানান, ঘটনার পরপরই তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। যেহেতু ভিডিও ফুটেজ আছে সেহেতু ঘটনা তদন্তের কিছু নেই। তবে এ ঘটনার পেছনে কেউ রয়েছে কী-না সেটি জানতে তাকে আমরা তাকে জিজ্ঞাবাদ করেছিলাম কিন্তু সে কিছু বলেনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়