শিরোনাম
◈ চতুর্থ বিভাগের ক্লাবের কাছে টাইব্রেকারে ধরা আর্সেনাল ◈ যুক্তরাষ্ট্রের বি১/বি২ ভিজিটর ভিসা: কোন কাজ করা যাবে, জানাল দূতাবাস ◈ ইউএইতে জনতা ব্যাংকের ৪ শাখা বন্ধের শঙ্কা, সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ চায় পর্ষদ ◈ রপ্তানি বাড়াতে চীনের ৬ বিশেষ সুবিধা পাচ্ছে বাংলাদেশ ◈ ৩১ অক্টোবর থেকে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা শুরু, মানতে হবে নতুন নিয়ম ◈ ‘ক্রসফায়ার’ বিতর্কের পর নতুন আইজিপি নিয়োগ নিয়ে ভাবছে সরকার, বিবেচনায় যে ৩ কর্মকর্তা ◈ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অবৈধ ভোট দেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মামলা ◈ মেলিওডোসিসে মৃত্যুঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত ২ জিনগত পরিবর্তন শনাক্ত করলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ◈ বাংলাদেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ 'আরব আমিরাত ও সৌদি আরবসহ কয়েকটি দেশের অস্তিত্ব বিপন্ন হতে পারে' 

প্রকাশিত : ১৫ জানুয়ারী, ২০২০, ০৭:৩৩ সকাল
আপডেট : ১৫ জানুয়ারী, ২০২০, ০৭:৩৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চীনের প্রথম মহিলা ট্রাক্টর চালকের মৃত্যু

আপেল মাহমুদ: চীনের প্রথম নারী ট্রাক্টর চালক লিয়াং জুন। অনেককে অনুপ্ররণা জুগিয়ে পরিণত হয়েছিল জাতীয় আইকনে। অনেকের মাঝে অনুপ্রেরণা যোগানো এই নারী আজ (১৫জানুয়ারি) মারা গেছেণ। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। বিবিসি

বিবিসি জানায়, ১৯৪৮ সালে লিয়াং জুন একমাত্র নারী হিসেবে ট্রাক্টর চালকদের প্রশিক্ষণ ক্লাসে ভর্তি হন। ট্রাক্টর চালকদের প্রশিক্ষণ ক্লাসে সর্বমোট ৭১ জন প্রশিক্ষনার্থীর মধ্যে একজনই মহিলা ছিলেন লীয়াং। সেখান থেকেই তিনি ট্রাক্টর চালানো শেখেন। সেখান থেকে প্রশিক্ষণ শেষ করে দেশের প্রথম মহিলা ট্রাক্টর চালক হন।

ট্রাক্টর চালানো নারী না থাকায় অনেকের মধ্যে অনুপ্রেরণা যোগায় লিয়াং। এর প্রেক্ষিতেই প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় পর তার গর্বের সাথে ট্রাক চালানোর একটি ছবি চীনের মুদ্রা ইউয়ানে ছাপা হয়।

মৃত্যুও আগে এক সাক্ষাৎকারে লিয়াং জানিয়েছিলেন, ’আমার এই জীবনে কোন প্রকার আপসোস নেই এবং সারাজীবন আমি গর্বের সাথে ট্রাক্টর চালিয়ে গেছি। আমার মতো আর কেউ ট্রাক্টর চালাতে পারেনি এবং এটিই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া।’

লিয়াং জুন ১৯৩০ সালে দেশটির হিলংজিয়াং প্রদেশের একটি দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। লিয়াং তাঁর জীবনের বেশির ভাগ সময় একটি খামারের কাজে সাহায্য করে কাটিয়ে দেয়। খামারে উপার্জিত অর্থ তিনি একটি গ্রামীণ স্কুলে পড়াশোনার জন্য ব্যয় করেছেন। সম্পাদনা: রাশিদুল

  • সর্বশেষ