শিরোনাম
◈ সন্ধ‌্যায় বাংলা‌দেশ-আফগা‌নিস্তান মু‌খোমু‌খি, ফাইনালে যেতে টাইগার‌দের সামনে কঠিন সমীকরণ ◈ ৫০ হাজার রুপি পুরস্কার ঘোষণার পর সেই নারী কনটেন্ট ক্রিয়েটর গ্রেফতার ◈ বাংলাদেশ-নেপালের সরকার পরিবর্তনের আন্দোলনের সঙ্গে ভারতের বিক্ষোভের তুলনা নাকচ করলেন অভিজিৎ দিপকে ◈ নগদনির্ভর লেনদেনে বছরে ৯৩ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার ◈ মা‌ছের পোনা কিন‌তে খরচ ২ কো‌টি ৯০ লাখ টাকা, সেই পোনা বাঁও‌রে ছাড়তে খরচ ৪৫ কোটি: মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প ◈ প্রটোকল ভেঙে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এগিয়ে যাওয়ার পরই বদলি রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার (ভিডিও) ◈ বিশ্বজুড়ে ভয়ংকর ‘তাপঝড়’, প্রভাব পড়েছে পৃথিবীর ৮৫ শতাংশ এলাকায় ◈ ফোডেনের হ্যাটট্রিক, ম‌্যান‌চেস্টার সিটির বড় জয় ◈ বৃহস্প‌তিবার থেকে চট্টগ্রামে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি ‌ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু হ‌চ্ছে ◈ রজনীকান্তের টানে হলের সব টিকিট কিনলেন ক্রিকেটার সঞ্জু স‌্যামসন!

প্রকাশিত : ১৫ জানুয়ারী, ২০২০, ০৭:৩৩ সকাল
আপডেট : ১৫ জানুয়ারী, ২০২০, ০৭:৩৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চীনের প্রথম মহিলা ট্রাক্টর চালকের মৃত্যু

আপেল মাহমুদ: চীনের প্রথম নারী ট্রাক্টর চালক লিয়াং জুন। অনেককে অনুপ্ররণা জুগিয়ে পরিণত হয়েছিল জাতীয় আইকনে। অনেকের মাঝে অনুপ্রেরণা যোগানো এই নারী আজ (১৫জানুয়ারি) মারা গেছেণ। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। বিবিসি

বিবিসি জানায়, ১৯৪৮ সালে লিয়াং জুন একমাত্র নারী হিসেবে ট্রাক্টর চালকদের প্রশিক্ষণ ক্লাসে ভর্তি হন। ট্রাক্টর চালকদের প্রশিক্ষণ ক্লাসে সর্বমোট ৭১ জন প্রশিক্ষনার্থীর মধ্যে একজনই মহিলা ছিলেন লীয়াং। সেখান থেকেই তিনি ট্রাক্টর চালানো শেখেন। সেখান থেকে প্রশিক্ষণ শেষ করে দেশের প্রথম মহিলা ট্রাক্টর চালক হন।

ট্রাক্টর চালানো নারী না থাকায় অনেকের মধ্যে অনুপ্রেরণা যোগায় লিয়াং। এর প্রেক্ষিতেই প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় পর তার গর্বের সাথে ট্রাক চালানোর একটি ছবি চীনের মুদ্রা ইউয়ানে ছাপা হয়।

মৃত্যুও আগে এক সাক্ষাৎকারে লিয়াং জানিয়েছিলেন, ’আমার এই জীবনে কোন প্রকার আপসোস নেই এবং সারাজীবন আমি গর্বের সাথে ট্রাক্টর চালিয়ে গেছি। আমার মতো আর কেউ ট্রাক্টর চালাতে পারেনি এবং এটিই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া।’

লিয়াং জুন ১৯৩০ সালে দেশটির হিলংজিয়াং প্রদেশের একটি দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। লিয়াং তাঁর জীবনের বেশির ভাগ সময় একটি খামারের কাজে সাহায্য করে কাটিয়ে দেয়। খামারে উপার্জিত অর্থ তিনি একটি গ্রামীণ স্কুলে পড়াশোনার জন্য ব্যয় করেছেন। সম্পাদনা: রাশিদুল

  • সর্বশেষ