শিরোনাম
◈ তারেক–এরদোগান বৈঠক: বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্কে নতুন সহযোগিতার দিগন্ত ◈ প্লাস্টিক দূষণ রুখতে বিশ্বকে বাংলাদেশের ‘সোনালি আঁশ’ পাটের দিকে তাকানোর আহ্বান ◈ বাড়ছে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রী এম‌পি‌দের সম্মানি ◈ আগামী পাঁচ বছ‌রে আন্তর্জা‌তিক ক্রিকেট সূচিতে বাড়বে টি-২০, কমবে দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজ ◈ গাজায় মানবিক সহায়তা বন্ধ, নিষ্ক্রিয়তার জন্য সবার লজ্জিত হওয়া উচিত: ম্যাক্রোঁ (ভিডিও) ◈ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কার চান এরদোগান, ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতির আহ্বান ◈ ব‌্যা‌টিং কোচ আশরাফুল বল‌লেন, আফগানিস্তানকে হারাতে সব ধর‌নের কৌশল প্রয়োগ কর‌বে বাংলাদেশ ◈ কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য: দেশে সক্রিয় ৩৮৬ গ্যাং, জড়িত ৪ হাজার ২৫০ কিশোর ◈ ‘৫ ম্যাচ ফিক্সিং করে ৩ কোটি নিয়েছি’: আইপিএলে গড়াপেটার অভিযোগ, চেন্নাইয়ের ক্রিকেটারের দিকে সন্দেহের তির ◈ মোংলা বন্দরে রাজস্ব আয়ে নতুন রেকর্ড, এক বছরে আয় ৩,৮৭৯ কোটি টাকা

প্রকাশিত : ১৫ জানুয়ারী, ২০২০, ০৭:৩৩ সকাল
আপডেট : ১৫ জানুয়ারী, ২০২০, ০৭:৩৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চীনের প্রথম মহিলা ট্রাক্টর চালকের মৃত্যু

আপেল মাহমুদ: চীনের প্রথম নারী ট্রাক্টর চালক লিয়াং জুন। অনেককে অনুপ্ররণা জুগিয়ে পরিণত হয়েছিল জাতীয় আইকনে। অনেকের মাঝে অনুপ্রেরণা যোগানো এই নারী আজ (১৫জানুয়ারি) মারা গেছেণ। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। বিবিসি

বিবিসি জানায়, ১৯৪৮ সালে লিয়াং জুন একমাত্র নারী হিসেবে ট্রাক্টর চালকদের প্রশিক্ষণ ক্লাসে ভর্তি হন। ট্রাক্টর চালকদের প্রশিক্ষণ ক্লাসে সর্বমোট ৭১ জন প্রশিক্ষনার্থীর মধ্যে একজনই মহিলা ছিলেন লীয়াং। সেখান থেকেই তিনি ট্রাক্টর চালানো শেখেন। সেখান থেকে প্রশিক্ষণ শেষ করে দেশের প্রথম মহিলা ট্রাক্টর চালক হন।

ট্রাক্টর চালানো নারী না থাকায় অনেকের মধ্যে অনুপ্রেরণা যোগায় লিয়াং। এর প্রেক্ষিতেই প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় পর তার গর্বের সাথে ট্রাক চালানোর একটি ছবি চীনের মুদ্রা ইউয়ানে ছাপা হয়।

মৃত্যুও আগে এক সাক্ষাৎকারে লিয়াং জানিয়েছিলেন, ’আমার এই জীবনে কোন প্রকার আপসোস নেই এবং সারাজীবন আমি গর্বের সাথে ট্রাক্টর চালিয়ে গেছি। আমার মতো আর কেউ ট্রাক্টর চালাতে পারেনি এবং এটিই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া।’

লিয়াং জুন ১৯৩০ সালে দেশটির হিলংজিয়াং প্রদেশের একটি দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। লিয়াং তাঁর জীবনের বেশির ভাগ সময় একটি খামারের কাজে সাহায্য করে কাটিয়ে দেয়। খামারে উপার্জিত অর্থ তিনি একটি গ্রামীণ স্কুলে পড়াশোনার জন্য ব্যয় করেছেন। সম্পাদনা: রাশিদুল

  • সর্বশেষ