শিরোনাম
◈ গভীর রাতে বিসিবি সভাপতি বুলবুলের দেশ ছাড়ার গুঞ্জন! ◈ জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিয়ে অধ্যাদেশ জারি ◈ প্যারোল কী, কারা পান এবং কীভাবে—বাংলাদেশের আইন কী বলে ◈ ভোটকেন্দ্র ছাড়া অন্য কোথাও ভোট গণনা করা যাবে না: ইসির পরিপত্র জারি ◈ ক্ষমতায় গিয়ে কথা না রাখলে জবাব দিতে হবে: তারেক রহমান ◈ ইতিহাসের সব রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণের দাম ◈ ‘ভয়াবহ দুর্নীতি’ আদানি চুক্তিতে: বাতিলের জন্য যেতে হবে আন্তর্জাতিক আদালতে ◈ সিডনিকে সিক্সার্সকে হা‌রি‌য়ে বিগ ব্যাশে রেকর্ড ষষ্ঠ শিরোপা জয় কর‌লো স্করচার্স ◈ দেশের মানুষের জন্যই বিএনপির রাজনীতি: তারেক রহমান ◈ ভারত থেকে ৮ ট্রাকে ১২৫ মেট্রিক টন বিস্ফোরক প্রবেশ করল দেশে

প্রকাশিত : ১৪ জানুয়ারী, ২০২০, ০৮:০১ সকাল
আপডেট : ১৪ জানুয়ারী, ২০২০, ০৮:০১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আমরা গভীরে যেতে শিখিনি নাকি আসল প্রসঙ্গ এড়িয়ে চলি?

 

জাকির তালুকদার : বয়াতি শরীয়ত সরকারকে বন্দি করা হয়েছে ৫৭(৩২) ধারায়। এই ধারাতেই বন্দি হয়েছিলেন কবি হেনরী স্বপন এবং আরও অনেক লেখক-সাংবাদিক। কেউ বন্দি হলে আমরা তার মুক্তির দাবিতে ফেসবুকে ঝড় তুলি, হয়তো পথেও নামি। কিন্তু আসল যে কালো আইনটি এই সরকার তৈরি করেছে সেই কালো আইনের বিরুদ্ধে কিছু বলি না। আইন চালু করার সময় মিডিয়ার মালিকরা হুংকার ছাড়লো- এই আইনের বিরুদ্ধে তারা আন্দোলন করবে।

সরকারের কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে বসার পরে তারা কী যে মন্তর দিলো। সব চুপ। কবি-সাহিত্যিক-সংস্কৃতিকর্মীরা নিজেদের সচেতন বলে দাবি করেন। সচেতনতার নমুনা তো দেখতে পাচ্ছি। তাদের কাজই হয়ে দাঁড়িয়েছে সরকারের হয়ে ডুগডুগি বাজানো। সরকারের নামগান করতে কেউ বাধা দিচ্ছে না। কিন্তু এই রকম ৫৭ ধারার খাঁড়া মাথায় নিয়ে যারা সরকারকে গণতান্ত্রিক এবং প্রগতিশীল বলে দাবি করে, তাদের সম্পর্কে নাটোরের ভাষায় প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়া যায়- অরা কি মুখ দিয়া কথা কয় নাকি অন্য কুনো দিক দিয়া? ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়