শিরোনাম
◈ দেশভাগের ৭৯ বছর পর ব্রহ্মপুত্র দিয়ে বাংলাদেশে পণ্য পাঠাল ভারত ◈ জাপানকে ছাড়িয়ে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হতে যাচ্ছে ভারত: আইএমএফ ◈ ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৩ ◈ মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী বিনা খরচে নিয়োগ, অনুমোদন পাচ্ছে ৩৩৮ এজেন ◈ সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচন: শুক্রবার থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ করবে বিএনপি ◈ কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ◈ গাজীপুরে স্বামীকে পাশের ঘরে আটকে গার্মেন্টসকর্মীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ◈ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর যে জরুরি নির্দেশনা ◈ ভিনিসিউসের চার ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা, এল ক্লাসিকোয় খেলতে পারবেন না ◈ বাংলাদেশের ১৬ হাজার কিলোমিটার নৌপথ সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না, কাজে লাগানোর আহ্বান নৌমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ০৬ জানুয়ারী, ২০২০, ১০:০০ দুপুর
আপডেট : ০৬ জানুয়ারী, ২০২০, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নীতিমালা না থাকায় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের নামে যা খুশি নির্মিত হচ্ছে

ইমরুল শাহেদ : ইউটিউব চ্যানেলের ব্যবসাকে রমরমা করে তুলতে এক শ্রেণীর কর্মী নিরলসই কাজ করে যাচ্ছেন বলে বলা যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চোখ বুলালেই দেখা যায়, অনেক নির্মাতা স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবির নানা ভঙ্গিমার ছবি দিয়ে পোস্ট করেন। ফেসবুকে এখন নাটক বা চলচ্চিত্র বিষয়ক বা এ বিষয়ে অনলাইনে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পোস্ট কমই দেখা যায়। নির্মাতাদের বেশি নজর স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের দিকেই।

কেন এটা? একজন ইউটিউবার বললেন, স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবিগুলোর জন্য কোনো সেন্সর সনদপত্রের প্রয়োজন হয় না। সেগুলো যেমন খুশি নির্মাণ করা যায়। তাতে যৌন সুড়সুড়ি থাকলেও কোনো সমস্যা থাকে না। যৌন সুড়সুড়িওয়ালা বিভিন্ন আইটেমে নাকি ভিউয়ার্স বাড়ে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেই ইউটিউবার বলেন, বিনিয়োগটা দীর্ঘ মেয়াদে হলেও ফেরত পাওয়া যায়, অন্তত লোকসান দিতে হয় না। এছাড়া স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে একটা ‘আঁতেল’ ভাব থাকে, যা নির্মাতারা বুক ফুলিয়ে প্রকাশ্যেই জাহির করতে পারেন। কিন্তু এর মধ্যে কি ধরনের আঁতলামি আছে তা বুঝা মুশকিল। লক্ষ্য যদি শিল্পচর্চার পরিবর্তে ভিউয়ার্স হয়, তাহলে সেটা কি হতে পারে তা সহজেই অনুমেয়। তবে তাৎপর্যপূর্ণ স্বল্পদৈর্ঘ্য নির্মাতাও আছেন। তারা সত্যিকার অর্থেই সম্মানের জন্য সে ছবিগুলো নির্মাণ করেন। এসব ছবিগুলো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারেও অংশগ্রহণ করে এবং সেন্সর ছাড়পত্র পাওয়ার মধ্য দিয়েই।

একজন ভিউয়ার বললেন, বিজ্ঞাপনের আধিক্যের কারণে এখন টেলিভিশনে চোখ রাখা যায় না। অর্থাৎ তারা বলতে চান লাগাতার বিজ্ঞাপন মনোযোগ নষ্ট করে। এভাবে এখন হাতে হাতে এনড্রয়েড থাকায় টেলিভিশনও ভিউয়ার্স হারাচ্ছে। পরিবর্তে দর্শক এমবি খরচ করে ইউটিউবেই ঢুকে যাচ্ছেন। তারা মনোরঞ্জনের জন্য যেমন খুশি প্রোগ্রাম দেখেন। বিশেষ করে যৌন সুড়সুড়িমূলক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের প্রতিই সবার আগ্রহ থাকে।

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের নির্মাতারাও ভিউয়ার্সদের সেই দূর্বল দিকটিরই সুযোগ নিচ্ছেন। এসব নির্মাতারা প্রকাশ্যে নিজেদের যতটাই আঁতেল মনে করেন না কেন, নির্মাণের নেপথ্যেও রয়েছে নানা কাহিনী। দৈর্ঘ্যরে স্বল্পতার কারণে এ ধরনের ছবি নির্মাণ করতে সময় লাগে কম। স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবির শিল্পীরা নিজেদেরকে অভিনেত্রী বা শিল্পী বলেন না, বলেন মডেল। এসব মেয়ে মডেলদের নিয়ে নির্মাণ বিনোদনে মেতে থাকতেও নির্মাতাদের কোনো অসুবিধা হয় না। কারণ এখানে কোনো সামাজিক প্রতিবন্ধকতা নেই। সুতরাং এ অবাধ বিষয়টিকে একটা নীতিমালা প্রণয়ন করে সামাজিক নিয়মের মধ্যে আনা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।

  • সর্বশেষ