প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

এবারের পুলিশ সপ্তাহে পুরাতন দাবিগুলোই আবারো তুলে ধরেছেন পুলিশ কর্মকর্তারা
নির্দেশ দেয়া সত্ত্বেও বাস্তবায়ন না হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর অসন্তোষ

সুজন কৈরী: নির্দেশ দেয়া সত্ত্বেও পুলিশের দাবি পূরণ না হওয়ায় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্মতি দেয়ার পরও দাবিগুলো কেন পূরণ হয়নি, তা অতিসত্ত¡র তাকে জানাতেও বলেছেন তিনি। রোববার রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে বার্ষিক প্যারেডের মধ্য দিয়ে পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর কল্যাণ সভায় প্রধানমন্ত্রী এ অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

সভার নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও আশ্বাস সত্ত্বেও গত দুই পুলিশ সপ্তাহে উত্থাপিত পুলিশের দাবীর প্রায় সম্পূর্ণটাই অবাস্তবায়িত রয়ে গেছে। পুরনো এ দাবিগুলো আবারো প্রধানমন্ত্রীর সামনে উত্থাপন করা হয়েছে। একজন ঊধ্বর্তন কর্মকর্তা দাবির বিষয় তুলে ধরে বলেন, নিম্ন-পদস্থ কর্মচারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিভিন্ন ট্রেড যেমন- টেলিফোন, বিউগল, নার্সিং, ড্রাইভিং, ক্লিনার ইত্যাদি ভাতা যা ট্রেডভেদে ১৫ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত, সেসব ক্ষেত্রে বর্তমান বেতন কাঠামোর সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাড়ানোর দাবি তোলে পুলিশ। প্রধানমন্ত্রী এক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে বলেন, বর্তমান বেতন কাঠামোর আগের কাঠামো (২০১৫ সালের কাঠামো অনুযায়ী) এই ভাতা সমূহ বাড়ানো যেতে পারে। যা ট্রেডভেদে ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। অন্যান্য সব সরকারি বিভাগের প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে সব শ্রেণির কর্মকর্তা কর্মচারীর জন্য ৩০ শতাংশ প্রশিক্ষণ ভাতা চালু রয়েছে। পুলিশের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহের মধ্যে কেবল বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি (সারদা) এবং বাংলাদেশ পুলিশ স্টাফ কলেজে (মিরপুর) কর্মরত এএসপি হতে তদুর্দ্ধ কর্মকর্তাদের জন্য ৩০ শতাংশ ভাতা চালু হয়েছে। অন্যান্য সরকারি দফতরের সঙ্গে এক্ষেত্রে সমতায়নের দাবি তোলা হয় সভায়। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুলিশের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতেও একই সুবিধা দেয়া যৌক্তিক। তিনি এ বিষয়ে সম্মতি দেন।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত